খুঁজুন
                               
, ,
           

১৭১ বছরের চা চাষের ইতিহাসে উৎপাদনে রেকর্ড

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
১৭১ বছরের চা চাষের ইতিহাসে উৎপাদনে রেকর্ড

রপ্তানি তলানিতে নামলেও উৎপাদনে চমক দেখিয়ে চলেছে চা। বছর বছর উৎপাদন বাড়তে থাকা পণ্যটি দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে প্রতিনিয়ত। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চা রপ্তানি থেকে ৩৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার আয় করেছে বাংলাদেশে। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা) টাকার অঙ্কে এ অর্থের পরিমাণ ৪১ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।

উৎপাদনের চেয়ে চাহিদা বাড়ায় আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছিল চা শিল্প। চাহিদা মেটাতে ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে আমদানিও শুরু হয়। চা আমদানিনির্ভর হয়ে যাবে কি না, এমন শঙ্কাও ছিল। তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে চাহিদার চেয়ে বেশি চা উৎপাদন করে চা শিল্পে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন উৎপাদকরা। শুধু তা–ই নয়, এই অঞ্চলে ১৭১ বছরের চা চাষের ইতিহাসে উৎপাদনেও রেকর্ড হয়েছে। আগের মত আর আমদানি করতে হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিল্পের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি চা শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং চা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে চা বাগান মালিকদের বিদ্যমান ঋণের দায় সহজীকরণ এবং স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা-বাগানের মাধ্যমে এই অঞ্চলে প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা চাষ শুরু হয়। বাংলাদেশ চা বোর্ডের সবশেষ তথ্যে দেখা যায়, অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০২৩ সালে ১০ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার (১০২.৯২ মিলিয়ন) কেজি চা উৎপাদন হয় দেশে। পরের দুই বছরেও (২০২৪ ও ২০২৫) প্রায় ১০ কোটি কেজি উৎপাদন হয়। চলতি ২০২৬ সালেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

চা বোর্ডের কর্মকর্তা ও বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চা উৎপাদনে রেকর্ড সাফল্যের নেপথ্যে আছে গত এক দশকে সরকার ও বাগান মালিকদের নেওয়া নানামুখী পদক্ষেপ। উত্তরাঞ্চলে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং পার্বত্য জেলা বান্দরবানে চা চাষের আওতা বাড়ছে। পরিত্যক্ত বাগান চা চাষের আওতায় এসেছে। কয়েক বছর ভালো দাম পাওয়ায় বাগান মালিকেরাও নতুন বিনিয়োগ করেছেন। বাগানে প্রযুক্তিগত ব্যবহারও বেড়েছে। চলতি বছর চায়ের উৎপাদন ১০ কোটি কেজির বেশি হবে জানিয়ে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো.মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জুন পর্যন্ত গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭০ লাখ কেজি বেশি চা উৎপাদন হয়েছে। এবার আমরা লক্ষ্যমাত্রা ধরেছি ১০ কোটি ৪০ লাখ (১০৪ মিলিয়ন) কেজি। আশা করছি, বছর শেষে লক্ষ্য অতিক্রম করে নতুন রেকর্ড হবে।’

তিনি বলেন, ‘চায়ের উৎপাদন বাড়াতে আমরা পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য এই সময়ের মধ্যে উৎপাদন ১২৫ থেকে ১৩০ মিলিয়ন (১২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১৩ কোটি) কেজিতে নিয়ে যাওয়া। আশা করছি, চা শ্রমিক, বাগান মালিক ও সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেটা সফল হবে।’

চায়ের উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানিসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে আগের তুলনায় চা রপ্তানি কমেছে। দেশীয় চা শিল্প সুরক্ষার লক্ষ্যে চা আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, চা উৎপাদন বাড়ানো, গুণগত মান উন্নয়ন এবং রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মকৌশল প্রণয়নের জন্য সরকার ২০২৬ সালের ৭ জুন একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। ওই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সাত প্রাণহানির পর রাজিব বাস বন্ধে কাফন পরে প্রতিবাদ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাত প্রাণহানির পর রাজিব বাস বন্ধে কাফন পরে প্রতিবাদ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ‘বেপরোয়া’ গতির অভিযোগ ওঠা রাজিব পরিবহনের বাস বন্ধ ও রোড পারমিট বাতিলের দাবিতে কাফন পরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন একদল যুবক। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা সিএনজি স্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যুবকদের হাতে ছিল খাতা-কলম। তারা পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নিয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।

কর্মসূচির আয়োজক মুক্তাগাছা উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব শেখ তুহিন জানান, বেপরোয়া গতির রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল এবং সড়কে মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার দাবিতে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচি এক সপ্তাহ চলবে।

তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই কাফনের কাপড় পরে তারা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন। এক দিনেই বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। রাজিব বাসের বেপরোয়া গতি ও দুর্ঘটনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

শেখ তুহিনের দাবি, রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট জামালপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা মহাসড়কের জন্য হলেও দীর্ঘদিন ধরে বাসটি জামালপুর-মুক্তাগাছা-ঢাকা রুটে চলাচল করছে। মোটর মালিক ও শ্রমিক নেতাদের ম্যানেজ করে বাসটি এভাবে চলাচল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শেষে রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিলের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজিব পরিবহনের কারণে কত পরিবার স্বজন হারিয়েছে তার হিসাব নেই। সড়কে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাসটির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, সড়কে জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কর্মসূচির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। নাগরিক অধিকার হিসেবে যে কেউ দাবি জানাতে পারেন। দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এখনো লিখিত কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। লিখিত আবেদন পেলে দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস পূর্ব গন্ড্রপা এলাকায় রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ সাতজন নিহত হন। ওই দুর্ঘটনার পর থেকেই রাজিব পরিবহনের বাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে প্রশ্ন, অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে প্রশ্ন, অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা প্যাকেটজাত দুধ পান করে ৩৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মাথা ঘোরা, পেটব্যথা, খিঁচুনি ও শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তাদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস লিমিটেডের ‘আরডি’ ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত দুধ বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় শিক্ষকরা কয়েকটি প্যাকেট ফুটো এবং কিছু প্যাকেটের দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায় দেখতে পান।

বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনকে জানিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ওই দুধ পান না করানোর পরামর্শ দেন। পরে মনোয়ার হোসেন বিদ্যালয়ে এসে নিজে দুধ পান করে পরীক্ষা করেন এবং দুধে সমস্যা নেই বলে জানান। এরপর শিক্ষার্থীদের দুধ পান করতে বলা হয়।

দুধ পান করার প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনির হোসেন জানায়, দুধ পান করার পর তার মাথা ও পেটব্যথা শুরু হয়। দাঁড়িয়ে থাকতে না পারায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক তসলিমা খাতুন বলেন, দুধ বিতরণের সময় কয়েকটি প্যাকেট ফুটো এবং দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায় দেখা যায়। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দুধ বিতরণ না করার অনুরোধ করা হলেও পরে দুধ পান করতে বলা হয়। এরপরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. বিমন দেবনাথ বলেন, হাসপাতালে ১৬–১৭ জন শিক্ষার্থী এসেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল এবং অনেকেই ভালো আছে। সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন। দুধের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। কারও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

রাডার থেকে নিখোঁজের পর সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
রাডার থেকে নিখোঁজের পর সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রু সদস্য ছিলেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র লাগোসে একটি রুটিন মিশনে যাওয়ার সময় অনডো প্রদেশের ইগবোকোডা এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

নাইজেরিয়ার এভিয়েশনবিষয়ক মন্ত্রী ফেসটাস কেয়ামো জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে এডো প্রদেশ থেকে লাগোস যাওয়ার পথে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একটি নৌঘাঁটির কাছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই দেশটির বিমানবাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

বিমানবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি ছিল এটিআর-৪২ মডেলের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের নৌকায় করে দুর্ঘটনাস্থলে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের আশপাশে স্থানীয় মানুষের ভিড়ও দেখা গেছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনের দেহাবশেষ, পোশাক ও জুতা পাওয়া যায়।

দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি