খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

তিন মাসে বিএনপিতে সহিংসতায় নিহত ২৪, বিএনপি-জামায়াতে ৭: এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
তিন মাসে বিএনপিতে সহিংসতায় নিহত ২৪, বিএনপি-জামায়াতে ৭: এইচআরএসএস

সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় গত তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ ’২৬) অন্তত ৬১০টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৬ জন এবং আহত হয়েছেন চার হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে নিজেরা সহিংসতায় জড়িয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদেরই ২৪ জন নিহত ও ১৫৮৫ জন হয়েছে। এছাড়া বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত ও এক হাজার ৬৫৪ জন আহত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) এক প্রতিবেদনে শনিবার এসব তথ্য জানিয়েছে। দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‍গত তিন মাসে আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা, বিভিন্ন দলের সমাবেশ কেন্দ্রিক সহিংসতা, প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, বাড়ি-ঘর, যানবাহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর পৃথক হামলা, গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা এবং দেশব্যাপী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

গত তিন মাসে সহিংসতার ৬১০টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ১৯৪টি ঘটনায় নিহত ২৪ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত এক হাজার ৫৮৫ জন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের ২৬০টি ঘটনায় আহত হয়েছে সাতজন নিহত এবং আহত হয়েছে এক হাজার ৬৫৪ জন। বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষের ৩৬টি ঘটনায় নিহত তিনজন এবং আহত ২১৯ জন।

এছাড়া ২৩টি বিএনপি-এনসিপি মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০৪ জন, আওয়ামী লীগ-এনসিপির মধ্যে তিনটি সংঘর্ষে আহত ৫১ জন, ৬০টি বিএনপি-অন্যান্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১৬৯ জন। এর বাইরে বিভিন্ন দলের মধ্যে ৩৪টি ঘটনায় দুজন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১৯৬ জন।

৬১০টি সহিংসতার ঘটনার ৫৭৩টিই (৯৪ শতাংশ) ঘটেছে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে। নিহত ৩৬ জনের মধ্যে বিএনপির ২৮ জন (৭৮ শতাংশ), জামায়াতের চারজন (১১ শতাংশ) ও আওয়ামী লীগের একজন এবং অন্যান্য তিনজন।

এর পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ৩৪টি ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় কমপক্ষে ২৯ জন আহত হয়। এর মধ্যে বিএনপির ১২ জন, আওয়ামীলীগের চারজন, জামায়াতের তিনজন ও অন্যান্য দলের তিনজনসহ মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

এছাড়াও সারাদেশে আধিপত্য বিস্তার, দখলদারিত্ব, নির্বাচনি সহিংসতা, রাজনৈতিক সহিংসতা ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রীক সাত শতাধিক বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা, দলীয় কার্যালয়ে সংঘর্ষ, হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে এইচআরএসএস বলছে, গত জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে দেশের রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্র বিশ্লেষণ করলে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। জানুয়ারি মাসে মোট ১৫১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় আটজন নিহত এবং এক হাজার ২৩৩ জন আহত হন, যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি সূচনা পর্যায় নির্দেশ করে।

তবে ফেব্রুয়ারি মাসে এই সহিংসতা হঠাৎ করেই ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়; এ মাসে ৩৪৬টি ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১৯৩৩ জন আহত হন। অন্যদিকে মার্চ মাসে সহিংসতার মোট সংখ্যা কমে ১১৩ টিতে দাঁড়ালেও নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে পৌঁছায় এবং আহত হন ৯১২ জন। এটি নির্দেশ করে যে সহিংসতার প্রকৃতি আরও তীব্র ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। এ সময় নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিশোধমূলক সংঘর্ষ, আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিরোধ সহিংসতার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

এই সামগ্রিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অস্থিরতা আরও তীব্র হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, যার ফলে দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

তবে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ঢাকাসহ অন্তত ৩০টি জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে পুনরায় প্রবেশের চেষ্টা করছেন বা কোথাও কোথাও অবস্থান নিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। এর ফলে বিভিন্ন স্থানে কার্যালয় পুনর্দখলকে কেন্দ্র করে পাল্টা দখল, হামলা, ভাঙচুর ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অস্থিতিশীল করে তুলছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেছেন স্থানীয় এক বৃদ্ধা।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী, পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। জনবান্ধন বাজেটকে যারা গনবিরোধী বাজেট বলে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মৌলভীবাজারের উন্নয়নে বিএনপির অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই যে মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ দেখেছেন, খোঁজ করে দেখুন, এগুলো সব বিএনপির, মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময় এই কাজগুলো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা।

কালের আলো/এসএকে

১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি আজকে আমার সরকার চা বাগানের নারী শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি।

আমরা হয়তো সবাইকে দিতে পারিনি। কিন্তু ইনশাল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল চা শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল। কারণ, আমরা তাদের বলেছিলাম—আপনারা যদি আমাদের নির্বাচিত করেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে, বিশেষ করে নারীপ্রধানদের কাছে, ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজ শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য আবাসন নির্মাণে ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমি মঞ্চে তিনজনের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। বাকি অর্থ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় ধাপে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত ১৫৫টি পরিবারের সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনুষ্ঠানে ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঁচজনকে ১০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে, চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন নির্মাণে পাঁচজনকে দুই লাখ টাকা এবং দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে