খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

এমপি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছেন : বিএনপি নেতা মোতাহার

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
এমপি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছেন : বিএনপি নেতা মোতাহার

পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার এবং ময়মনসিংহ-২ (ফুরপুর-তারাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাহমুদুল্লাহ। এ সময় পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে এমপিকে যোগদানে বাঁধা দেওয়া এবং হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন ওই বিএনপি নেতা।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে এবং দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে পৃথকভাবে পাল্টাপাল্টি এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মুফতি মাহমুদুল্লাহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ময়মনসিংহ-২ ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের সংসদ সদস্য। অপরদিকে বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেন তালুকদার ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এবং বিগত নির্বাচনে এই আসনের বিএনপি দলীয় পরাজিত প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন- পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যোগদানে বাঁধা দেওয়া বা হামলার কোন ঘটনা সেদিন ঘটেনি। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে ভিন্ন উদ্দেশ্যে স্থানীয় এমপি নাটক সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে তথা বিএনপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচার করছে। তিনি আরও বলেন, মূলত অনুষ্ঠানে আসা ছাত্রীদের গায়ে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে এমপির লোকজনের সঙ্গে উপস্থিত লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে আমি এমপিকে সরিয়ে নিয়ে যাই। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে এর প্রমাণ মিলবে। অথচ এখন তারা নাটক সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। কারণ আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থেকে এলাকায় কাজ করছি, এটা এমপির পছন্দ নয়। তিনি চান না- আমি এলাকায় সক্রিয় থাকি, এজন্য তিনি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আব্দুল বাতেন, এডভোকেট নজরুল ইসলাম ইসমাইল, উত্তর জেলা তাঁতী দল সদস্য আজিজুল হক, রওনব আহমেদ আজিজুলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এর আগে এদিন দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ময়মনসিংহ-২ ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন- তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যোগদানে বাঁধা দেওয়া হয়েছে এবং আমার সাথে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন মোতাহার হোসেনের লোকজন। এতে আমার ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সারোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ ফারুকী, ফুলপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আনিসুর রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেছেন স্থানীয় এক বৃদ্ধা।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী, পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। জনবান্ধন বাজেটকে যারা গনবিরোধী বাজেট বলে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মৌলভীবাজারের উন্নয়নে বিএনপির অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই যে মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ দেখেছেন, খোঁজ করে দেখুন, এগুলো সব বিএনপির, মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময় এই কাজগুলো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা।

কালের আলো/এসএকে

১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি আজকে আমার সরকার চা বাগানের নারী শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি।

আমরা হয়তো সবাইকে দিতে পারিনি। কিন্তু ইনশাল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল চা শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল। কারণ, আমরা তাদের বলেছিলাম—আপনারা যদি আমাদের নির্বাচিত করেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে, বিশেষ করে নারীপ্রধানদের কাছে, ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজ শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য আবাসন নির্মাণে ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমি মঞ্চে তিনজনের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। বাকি অর্থ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় ধাপে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত ১৫৫টি পরিবারের সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনুষ্ঠানে ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঁচজনকে ১০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে, চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন নির্মাণে পাঁচজনকে দুই লাখ টাকা এবং দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে