খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নে ধীরগতি-জটিলতার প্রতিকারে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নে ধীরগতি-জটিলতার প্রতিকারে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতার প্রতিকার চেয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতার বিষয়ে আমাদের কাছে অনেকেই প্রতিকার চেয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন।

আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব, আমাদের রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এই অতি জরুরি বিষয়টির দিকে যেন শিগগিরই নজর দেওয়া হয় এবং সমস্যার আশু সমাধান করা হয়।

প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আর প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে। প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

Oplus_131072

লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলিস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের ফ্লাইট যোগে তারা বাংলাদেশে ফিরেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

এদের মধ্যে বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে মানবপাচারকারীদের দ্বারা অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচ, কিছু খাদ্য সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা এক সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

অর্থনীতির গতি বাড়াতে বিমা খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
অর্থনীতির গতি বাড়াতে বিমা খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে বিমা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আধুনিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে বিমা খাতকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনমুখী করে তুলতে পারলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে। একইসঙ্গে মানুষের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপত্তাবোধ ও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহও বাড়বে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এখনও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পূর্ণমাত্রায় কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। বিমা খাত এমনই একটি ক্ষেত্র— যা মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনীতিকে গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এ খাতে সুশাসন, কার্যকর নীতিমালা ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। বিমার প্রতি মানুষের বিশ্বাস তৈরি হলে ব্যক্তি ও পরিবার যেমন আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম হবে, তেমনই বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘‘একজন নাগরিক যখন নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাপদ বোধ করেন, তখন তিনি আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে অংশ নেন। বিমা সেই নিরাপত্তাবোধ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শুধু গতানুগতিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ক্ষমতায় আসেনি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সংস্কার ও সমাধানের লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।’’

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করা, অর্থ পাচার রোধ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের আরও বেশি মানুষকে বিমার আওতায় আনতে আইন, বিধিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও কার্যকর করতে হবে। একইসঙ্গে বিমা কোম্পানিগুলোর সেবার মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’’

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘বিমা খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অর্থমন্ত্রীর কাছে সুস্পষ্ট সুপারিশ দিতে হবে। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন নীতিগত ও আইনি কাঠামো প্রণয়নে কাজ করতে হবে, যা খাতটিকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করে তুলবে।’’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রাক্তন, বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর তার নিজেস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই শুভেচ্ছাবার্তা জানান।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি জাতির অগ্রগতি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না; তা নির্ভর করে সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক জনগোষ্ঠীর ওপর। আর সেই ভিত্তি নির্মাণে মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ভূমিকা অপরিসীম।

তারেক রহমান বলেন, দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিকাশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ আট দশক ধরে যে অনন্য অবদান রেখে চলেছে, তা জাতীয় গর্বের বিষয়। এ ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক তৈরি করেছে, যারা দেশে ও বিদেশে পেশাগত উৎকর্ষ, নেতৃত্ব এবং সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, জাতীয় সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি স্বাস্থ্যখাতকে নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি ঢাকা মেডিকেল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্য ধারণ করে আগামী দিনেও বিশ্বমানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যনেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং স্বাস্থ্য গবেষণায় নিয়োজিত চিকিৎসকরা দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

তিনি বলেন, ৮০ বছরের গৌরবময় অভিজ্ঞতা এবং ৮১তম প্রতিষ্ঠাদিবসের প্রেরণাকে ধারণ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ভবিষ্যতেও জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা ও সেবার ক্ষেত্রে উৎকর্ষের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিবারের দেশে-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসকগণ আগামী দিনেও দেশ ও জাতির কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আপনাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সহায়তা ও জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে রোগী সাধারণের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।

কালের আলো/এসএকে