খুঁজুন
                               
, ,
           

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার নিন্দা শিবিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার নিন্দা শিবিরের

‘ভুয়া ও বানোয়াট’ স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে প্রাণনাশের আশঙ্কায় শাহবাগ থানায় জিডি করতে যাওয়া ছাত্রশিবিরের কর্মীর ওপর হামলা ও ডাকসুর একাধিক নেতা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, পরিকল্পিতভাবে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ওপর দায় চাপায় একটি কুচক্রী মহল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে হলে এবং পরবর্তীতে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহবাগ থানায় জিডি করতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তার ওপর হামলা করে। পরবর্তীতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি যোবায়ের ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে মোহাম্মদ তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে থানায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদসহ ডাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সেখানে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে প্রায় ১২ জন সাংবাদিক আহত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে থানার ভেতর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে দেশের জনগণ কতটা অনিরাপদ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নতজানু ও ভঙ্গুর।

ছাত্রশিবির বিবৃতিতে দাবি করে, সারা দেশে শিক্ষাঙ্গন দখলে নিতে ছাত্রদল বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে। জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজ যে নতুন ছাত্ররাজনীতির প্রত্যাশা করেছিল, যেখানে পেশিশক্তি আর সংঘাতের পরিবর্তে আদর্শ ও জ্ঞানভিত্তিক চর্চা হবে, ছাত্রদল সেই স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দিতে চায়। তারা নির্বাচনের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং সরকারের প্রটোকল নেওয়া ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী রাজনীতি প্রবর্তন করতে চাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে তারা বিনা উসকানিতে ছাত্রশিবিরের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আজকের এই ন্যাক্কারজনক হামলা সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই অংশ।

তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মূলত রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতার ফলে সৃষ্ট জনরোষকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসসমূহ অস্থিতিশীল করছে ছাত্রদল। অবিলম্বে শাহবাগ থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে দাবি আদায়ে বাধ্য করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

Oplus_131072

লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলিস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের ফ্লাইট যোগে তারা বাংলাদেশে ফিরেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

এদের মধ্যে বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে মানবপাচারকারীদের দ্বারা অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচ, কিছু খাদ্য সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা এক সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

অর্থনীতির গতি বাড়াতে বিমা খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
অর্থনীতির গতি বাড়াতে বিমা খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে বিমা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আধুনিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে বিমা খাতকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনমুখী করে তুলতে পারলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে। একইসঙ্গে মানুষের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপত্তাবোধ ও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহও বাড়বে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এখনও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পূর্ণমাত্রায় কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। বিমা খাত এমনই একটি ক্ষেত্র— যা মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনীতিকে গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এ খাতে সুশাসন, কার্যকর নীতিমালা ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। বিমার প্রতি মানুষের বিশ্বাস তৈরি হলে ব্যক্তি ও পরিবার যেমন আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম হবে, তেমনই বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘‘একজন নাগরিক যখন নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাপদ বোধ করেন, তখন তিনি আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে অংশ নেন। বিমা সেই নিরাপত্তাবোধ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শুধু গতানুগতিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ক্ষমতায় আসেনি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সংস্কার ও সমাধানের লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।’’

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করা, অর্থ পাচার রোধ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের আরও বেশি মানুষকে বিমার আওতায় আনতে আইন, বিধিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও কার্যকর করতে হবে। একইসঙ্গে বিমা কোম্পানিগুলোর সেবার মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’’

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘বিমা খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অর্থমন্ত্রীর কাছে সুস্পষ্ট সুপারিশ দিতে হবে। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন নীতিগত ও আইনি কাঠামো প্রণয়নে কাজ করতে হবে, যা খাতটিকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করে তুলবে।’’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রাক্তন, বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর তার নিজেস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই শুভেচ্ছাবার্তা জানান।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি জাতির অগ্রগতি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না; তা নির্ভর করে সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক জনগোষ্ঠীর ওপর। আর সেই ভিত্তি নির্মাণে মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ভূমিকা অপরিসীম।

তারেক রহমান বলেন, দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিকাশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ আট দশক ধরে যে অনন্য অবদান রেখে চলেছে, তা জাতীয় গর্বের বিষয়। এ ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক তৈরি করেছে, যারা দেশে ও বিদেশে পেশাগত উৎকর্ষ, নেতৃত্ব এবং সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, জাতীয় সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি স্বাস্থ্যখাতকে নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি ঢাকা মেডিকেল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্য ধারণ করে আগামী দিনেও বিশ্বমানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যনেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং স্বাস্থ্য গবেষণায় নিয়োজিত চিকিৎসকরা দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

তিনি বলেন, ৮০ বছরের গৌরবময় অভিজ্ঞতা এবং ৮১তম প্রতিষ্ঠাদিবসের প্রেরণাকে ধারণ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ভবিষ্যতেও জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা ও সেবার ক্ষেত্রে উৎকর্ষের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিবারের দেশে-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসকগণ আগামী দিনেও দেশ ও জাতির কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আপনাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সহায়তা ও জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে রোগী সাধারণের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।

কালের আলো/এসএকে