খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জামায়াতের কোনো ব্যাংক নেই: সংসদে তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
জামায়াতের কোনো ব্যাংক নেই: সংসদে তাহের

জামায়াতে ইসলামীর কোনো ব্যাংক নেই বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

তিনি বলেন, আমাদের যারা এমপি আছি, ইসলামী ব্যাংকে তাদের কেউ পরিচালক নেই। আমরা কোনো ঋণ পুনঃতফসিলও করিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, অনেক দল আছে তাদের নাকি ব্যাংকও আছে। বিএনপির ব্যাংক নেই।
বিষয়টির জবাব দিতে গিয়ে তাহের আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক ছিল একদল সৎ ও উদ্যোগী মানুষের প্রচেষ্টার ফসল। যদি বলেন ইসলামী ব্যাংক পরিচালনায় আমাদের ভূমিকা আছে, তবে আমরা তা স্বীকার করি।

রাজাকার, আল-বদর প্রসঙ্গেও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, আজ আমাদের অনেক বেশি করে রাজাকার, আল-বদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা যারা এখানে বসে আছি, আমরা কেউ রাজাকার বা আল-বদর ছিলাম না। আমরা জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নেতৃত্ব। যদি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বলেন, তবে আমিও একজন ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’।

সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের আরও বলেন, আমার বাড়ি ছিল সীমান্তের কাছে। যারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে যেত, তারা আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিত, আমরা তাদের নাস্তা খাওয়াতাম এবং সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কি না, তা পাহারা দিতাম। সেনাবাহিনী দূরে থাকলে আমরা তাদের পথ দেখিয়ে দিতাম, যাতে তারা নিরাপদে ভারতে পার হতে পারেন। সুতরাং, এ ধরনের দাবি করার অধিকার কারও নেই।

এ সময় তাহের আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভায় ‘রাজাকার’ মাওলানা নুরুল ইসলাম ও জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় শাহ আজিজের মতো ব্যক্তিদের রাখার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

বক্তব্যের শেষ দিকে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা এবং সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে এই জামায়াত নেতা বলেন, দেশের নীতির ব্যাপারে মতপার্থক্য থাকলে আমরা তার বিরোধিতা করি, কিন্তু দলে দলে এই রেষারেষি পরিবেশকে সুন্দর রাখবে না। এতে দেশ ও আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

১৯৯১ সালে বিএনপিকে সরকার গঠনে সমর্থন দিয়ে ১৯৯৬ সালে জামায়াত আলাদা নির্বাচন করে। তার জন্য ওই সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষকে দায়ী করেন তাহের। তিনি বলেন, এবারও সেরকম কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। আমরা চাই এই সংসদ ও এই সরকার সুস্থ ধারায় চলুক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব গণ্ডগোল হচ্ছে, সেদিকে আপনারা নজর দিন। যারাই বিশৃঙ্খলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গঠিত অতীতের সরকারের পরিণতি সম্পর্কে বিএনপিকে সতর্ক করেন বিরোধী দলীয় উপনেতা। অতীত উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন, শেখ সাহেব (শেখ মুজিবুর রহমান) নিহত হয়েছিলেন… শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়ের ঘটনাগুলো আমাদের আতঙ্কিত করে।

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, উপমহাদেশে ভারতে ইন্দিরা গান্ধীর সময়ে, পাকিস্তানে বেনজির ভুট্টোর সময়ে, বাংলাদেশে শেখ সাহেবের (শেখ মুজিবুর রহমান) সময়ে, তারপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে এবং বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে আমরা অবস্থা দেখেছি। এর একটা ভয়ঙ্কর পরিণতি আমরা দেখি। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই আমরা চাই, এ ধরনের কোনো অঘটন বাংলাদেশে আর কখনো না ঘটুক।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি সংসদের বর্তমান অবস্থাকে অতীতের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, আজকে যারা সরকারি দলের আসনে আছেন, তারা বোধহয় আওয়ামী লীগ থেকে এসেছেন। আর আমরা যারা এদিকে আছি, তারা বোধহয় জামায়াত-বিএনপির সংসদ সদস্য। কারণ হচ্ছে, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল এবং আমরা বিরোধী দলে ছিলাম, তখন আওয়ামী লীগ যে ভাষায়, যে ভঙ্গিতে, যে চেতনায় এবং যেমন বিষয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে বলতো এবং আচরণ করতো, ঠিক আজকে সরকারি দলের পক্ষ থেকে আমরা একই ধরনের আচরণ লক্ষ্য করছি।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এই সংগ্রামে বিএনপি, জামায়াত এবং অন্যান্য দলগুলো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সমানভাবে সংগ্রামে একত্রিত ছিলাম। অনেক সময় গোপনে একই গাড়িতে চড়ে ঘুরে ঘুরে আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনের কর্মকৌশল এবং কর্মসূচি ঠিক করেছিলেন।

আন্দোলনের সময়কার ঐক্যের প্রসঙ্গ তুলে তাহের বলেন, আমরা সবাই তখন বলেছি যে, আমরা এই সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের এই পতনের পর যে রাজনীতি হবে… আমরা সকলে মিলে একটা সুশাসনের জন্য কাজ করবো। এ পর্যন্ত কিন্তু আমরা পুরোপুরি ঐকমত্যে ছিলাম।

নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে গেছে উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করেন, সরকার গঠনের পরে আমরা আবার একটা ভিন্ন চিত্র দেখতে পাচ্ছি, যেটা এই জাতিকে হতাশ করবে।

সংসদীয় আচরণে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, শুধু সংসদে মুক্তি দিয়ে এটা অর্জন করা যাবে না। এজন্য সত্যিকারভাবেই আমাদের মনের পরিবর্তন এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার। একই সঙ্গে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকার কথাও তুলে ধরে বলেন, আমরা এখানে অন্যান্য যে ঐতিহ্যগুলো আগে ছিল— কিছু হলেই ‘মানি না’, ‘আসবো না’, গণ্ডগোল করা— সেটা কিন্তু আমরা করিনি।

সংসদে ব্যবহৃত ভাষা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে তাহের বলেন, গতকাল আমি শুনেছি স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাকি ‘তুই রাজাকার’ বলেছেন। সংসদের ভেতরে আমার মনে হয় এটি খুবই অরুচিকর ও অসংগত একটি শব্দ।

‘জুলাই সনদ’ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ৩১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে তৈরি করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে কতগুলো জিনিস যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তারা তাদের অনুসারী করবে— এটা কিন্তু আমাদের আলোচনার অংশ ছিল না। সেটা ছিল জুলাই সনদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা।

গণভোট ইস্যুতেও দ্বিমত তুলে ধরে বিরোধী দলীয় উপনেতা বলেন, আমরা চেয়েছিলাম যে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন আলাদাভাবে হবে। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে খুব জোরালোভাবে বলা হয়েছিল যে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হতে হবে। আপনাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আমাদের নারাজি সত্ত্বেও গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হয়েছে।

তিনি সতর্ক করেন, দেশের জন্য যেটা কল্যাণকর তা বাদ দিয়ে যদি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যা ইচ্ছা তাই করতে থাকেন, তবে এ দেশ আবার পিছিয়ে যাবে।

জামায়াত পাকিস্তান গঠনের বিরুদ্ধে ছিল, এ তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তাহের বলেন, আমরা বা জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের বিরোধী ছিল বলে যে তথ্য আসছে, তা একেবারেই অসত্য। মাওলানা মওদুদী ছিলেন ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের’ প্রথম প্রবক্তা, তিনি সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন।

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের সময় অবস্থান নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। তার ভাষায়, ম্যাডাম (বেগম জিয়া) যখন জেলে ছিলেন, তখন জামায়াত কোনো বিবৃতি দেয়নি— এটা একেবারে অসত্য কথা। আমরা বারবার বিবৃতি দিয়েছি, শুধু বক্তব্যই নয়, উনার মুক্তির জন্য রাজপথে মিছিলও করেছি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি