খুঁজুন
                               
, ,
           

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

নানান আলোচনা-সমালোচনা শেষে অবশেষে উন্মোচন হতে যাচ্ছে গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দীপংকর বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

এর আগে জাদুকর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের জন্য সময় দিয়েছেন।

বাকস্বাধীনতা হরণ ও লাগামহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়। সেদিন গণভবনের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ, আর স্বৈরশাসকের বাসভবন চলে যায় ছাত্র-জনতার দখলে।

এরপর বহু মানুষের চোখের পানির সাক্ষী সেই গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৫ আগস্টের নানা স্মৃতিচিহ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, বিভিন্ন স্মারক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে নির্মাণ ঘিরে নানামুখী দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ফলে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় জনমনে।

অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ধারণ করেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জাদুঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

‘বোমা আতঙ্ক নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
‘বোমা আতঙ্ক নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে’

দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত ব্যাগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ‘বোমা আতঙ্ক’ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক আছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত ব্যাগগুলোতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি এবং সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আগস্ট মাসকে ঘিরে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর তৎপরতার কারণে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব পরিত্যক্ত ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোথাও কোনো বোমা বা বিস্ফোরকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। জননিরাপত্তার স্বার্থে কোনো পরিত্যক্ত ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তু দেখা গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে তা পরীক্ষা করে থাকে।

তবে আশুলিয়ায় একটি প্রেসার কুকারের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তু এবং মতিঝিলে পাওয়া সন্দেহজনক বস্তুর বিষয়ে পৃথকভাবে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি। এসব ঘটনার পেছনে কারা জড়িত বা কোনো ধরনের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট বাহিনী গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

গত পাঁচ-ছয় মাসের অপরাধ পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, আনুপাতিক ও তুলনামূলক বিচারে দেশে বর্তমানে এ ধরনের অপরাধ বা নাশকতার ঘটনা অনেকটাই কম। পরিস্থিতি কোনোভাবেই উদ্বেগজনক নয়।

তিনি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে। নাশকতার যেকোনো পরিকল্পনা প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে।

আগস্ট মাসে বিশেষ সতর্কতা জারির কারণ ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কিছু রাজনৈতিক তৎপরতা চলতি মাসে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আট বছর পর ‘গুলশানের চামেলি’ দিয়ে আমিন খানের প্রত্যাবর্তন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
আট বছর পর ‘গুলশানের চামেলি’ দিয়ে আমিন খানের প্রত্যাবর্তন

দেশীয় চলচ্চিত্রে স্বস্তির আমেজ নিয়ে দীর্ঘ আট বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান। মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ঘটছে। শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত জমকালো মহরতে সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘদিন পর অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে আমিন খান বলেন, “অনেক দিন পর সিনেমায় কাজ করছি, খুব ভালো লাগছে। মাঝে ব্যাটে-বলে না মেলায় বিরতি ছিল। নির্মাতা ইকবালের প্রস্তাব এবং সিনেমার গুণী কলাকুশলীদের দেখে মনে হলো কাজটি করা যায়। আশা করছি একটি সুন্দর সিনেমা উপহার দিতে পারব।”

রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে ‘গুলশানের চামেলি’র গল্প। সিনেমাটিতে আমিন খানের সঙ্গে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার, রোজিনা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, আশীষ খন্দকার ও মুকিত জাকারিয়াসহ একঝাঁক তারকা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ‘অবুঝ দুটি মন’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করা আমিন খান তাঁর তিন দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ সালে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ সিনেমার শুটিংয়ের পর দীর্ঘ সময় নতুন কোনো সিনেমায় তাঁকে দেখা যায়নি।

কালের আলো/এসএ

১.৪ বিলিয়ন ডলারের ‘বার্বি’র সিক্যুয়েল আটকে অনিশ্চয়তায় ওয়ার্নার ব্রাদার্স

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
১.৪ বিলিয়ন ডলারের ‘বার্বি’র সিক্যুয়েল আটকে অনিশ্চয়তায় ওয়ার্নার ব্রাদার্স

বক্স অফিসে ১.৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় এবং আটটি অস্কার মনোনয়ন পাওয়া ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘বার্বি’র অভূতপূর্ব সাফল্যের পর সিক্যুয়েল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স। তবে তারকাদের পারিশ্রমিক ও স্বত্বের মেয়াদসংক্রান্ত জটিলতায় বর্তমানে থমকে গেছে বহুল আলোচিত এই প্রজেক্টটি।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরেই খেলনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ম্যাটেল’-এর সঙ্গে বার্বির স্বত্বের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। সময়ের এই টানা পোড়েনের মুখে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে চরম বিপাকে পড়েছে স্টুডিওটি।

প্রথম ‘বার্বি’ তৈরির সময় ওয়ার্নার ব্রাদার্স কেবল পরিচালক গ্রেটা গারউইগের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। তবে সিক্যুয়েলের জন্য কোনো কলাকুশলীকেই আগে থেকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়নি। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, সিক্যুয়েলের লাভের বড় অংশ মার্গো রবি ও রায়ান গসলিংকে দিতে রাজি নয় স্টুডিওটি। অন্যদিকে, প্রথম পর্বে ‘কেন’ চরিত্রে অভিনয় করে অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়া রায়ান গসলিং তাঁর পারিশ্রমিক বাড়িয়ে ২০ মিলিয়ন ডলার দাবি করায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন না হলে বা বর্তমান মূল টিমকে ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে, পরবর্তীতে নতুন অভিনয়শিল্পী ও পরিচালক নিয়ে পুনরায় সিনেমার কাজ শুরু করতে হবে ম্যাটেলকে।

যদিও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সহ-সভাপতি পাম অ্যাবডি ও মাইকেল ডি লুকা জানিয়েছেন, ম্যাটেল ও বার্বির মূল দলের কাছে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় অঙ্কের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে অভিনেত্রী মার্গো রবি ও পরিচালক গ্রেটা গারউইগ বিষয়টি নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন। তারা ভালো চিত্রনাট্য ও গল্পের ওপর জোর দিচ্ছেন। মার্গো রবি জানান, বার্বিকে নিয়ে কোনো ট্রিলজি বা একাধিক পর্ব বানানোর পরিকল্পনা তাদের ছিল না। তবে ভালো গল্প এবং সবার যথাযথ মূল্যায়ন হলে আবারও সিক্যুয়েল করা সম্ভব।

বর্তমানে সিনেমার মূল দলটির সবাই নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। মার্গো রবি ব্যস্ত ‘ওশেন’স ১১’-এর প্রিক্যুয়েল নিয়ে, রায়ান গসলিং যুক্ত হয়েছেন মার্ভেলের নতুন প্রজেক্টে এবং পরিচালক গ্রেটা গারউইগ নেটফ্লিক্সের ‘নার্নিয়া’র প্রচারণায় কাজ করছেন। ফলে সবকিছু মিলিয়ে ‘বার্বি ২’-এর ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মুখেই রয়ে গেল।

কালের আলো/এসএ