খুঁজুন
                               
, ,
           

দ্বিতীয়বারও বাতিল অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট, ‘অনিবার্য কারণ’ নিয়ে প্রশ্ন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয়বারও বাতিল অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট, ‘অনিবার্য কারণ’ নিয়ে প্রশ্ন

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য কনসার্ট দ্বিতীয়বারের মতো শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। ১ আগস্ট ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ২৯ জুলাই ‘অনিবার্য কারণ’ দেখিয়ে অনুমতি প্রত্যাহার করা হয়।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি, ভেন্যু বুকিং, প্রচারণা এবং টিকিট বিক্রিসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। তবে অনুষ্ঠানের মাত্র দুই দিন আগে অনুমতি বাতিল হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাদের দাবি, দুই দফায় শিল্পীর সম্মানী, ভেন্যু, সাউন্ড, মার্কেটিং, বিমান টিকিট ও অন্যান্য খাতে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

কনসার্টের জন্য প্রায় ১,৬০০টি টিকিট বিক্রি হয়েছিল এবং শত শত সৌজন্য টিকিটও বিতরণ করা হয়েছিল। আয়োজকরা জানিয়েছেন, টিকিটধারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, মাত্র এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানের শিল্পী আতিফ আসলামের কনসার্ট ঢাকায় নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হলেও অনুপম রায়ের অনুষ্ঠান টানা দুইবার বাতিল করা হয়েছে। ফলে ‘অনিবার্য কারণ’ কী—তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

মাইলস ব্যান্ডের সদস্য হামিন আহমেদ বলেন, শেষ মুহূর্তে কোনো অনুষ্ঠান বাতিল করা অনাকাঙ্ক্ষিত। তাঁর মতে, যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থেকে থাকে, তবে তা স্পষ্টভাবে জানানো উচিত ছিল।

অন্যদিকে অনুপম রায়ের ব্যবস্থাপক রানা সিংহ রায় জানান, ভিসা ও ভ্রমণসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকার পরও অনুমতি বাতিলের বিষয়ে তাঁদের নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে নোটিশে স্বাক্ষরকারী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মহুয়া আফরোজ বলেন, সিদ্ধান্তের কারণ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই ব্যাখ্যা করতে পারবেন। তবে সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এসএ

দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৬ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৭ ও ২৮ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ ও ৩০ আগস্ট দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

২৯ আগস্ট সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। ৩০ আগস্ট তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জনসাধারণকে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এনসিপির অভিযোগ, ২০ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদে বিএনপি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক শক্তি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে থাকা মানুষের প্রতিনিধিত্ব কার্যত অনুপস্থিত।

দলটির মতে, এ ধরনের একতরফা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জেলা পরিষদগুলোর নিরপেক্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ও জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এসব পরিষদ পরিচালনা করা উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও বলেছে, পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিবৃতিতে পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। দলটি বলছে, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের পর ওই বছর একবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকার মনোনীত বা অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান’-পরবর্তী বাংলাদেশে অনির্বাচিত ও দলীয়ভাবে প্রভাবিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আর দেখতে চায় না এনসিপি। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হতে পারে, তবে এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের বিকল্প নয়।

এনসিপি খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সরাসরি, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার এই সিরিজ।

সিরিজে দুই দল খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে এখনো ওয়ানডে সিরিজের নির্দিষ্ট সূচি চূড়ান্ত হয়নি। আফগানিস্তান এই সিরিজের আয়োজক হওয়ায় সীমিত ওভারের ম্যাচগুলোর তারিখ ও ভেন্যু তারাই চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের জন্য অপরিচিত কোনো ভেন্যু নয়। গত বছরও দেশটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।

সেবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা। তবে ওয়ানডে সিরিজে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে আফগানিস্তান।

এবার অবশ্য দুই দলের লড়াই হবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। ওয়ানডের পাশাপাশি টেস্টেও মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে দুই দলের জন্যই সিরিজটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতে চাইবে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পরই ব্যস্ত সূচিতে ঢুকে পড়বে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের সামনে থাকবে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ।

ফলে পরপর গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজ সামনে থাকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ও ভারতের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সময়ে ভারতের আফগানিস্তান সফরের সূচি থাকায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সময় নিয়েও নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ফলে ভারত সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চললেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের অক্টোবরের সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় টাইগারদের আন্তর্জাতিক সূচি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।

আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম। একের পর এক টেস্ট ও সীমিত ওভারের সিরিজ থাকায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস, স্কোয়াড ব্যবস্থাপনা এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে জয় দিয়ে সেই পথ আরও শক্ত করতে চাইবে টাইগাররা।

গতবার ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও পাবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি টেস্টে প্রথমবারের মতো দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে ভারত সিরিজের অনিশ্চয়তার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়। অক্টোবরের এই সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটেই ভালো ফল করে পরবর্তী কঠিন সিরিজগুলোর আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ।

সূত্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

কালের আলো/এসএ