খুঁজুন
                               
, ,
           

ইনফান্তিনোর বিকল্প হিসেবে আলোচনায় ৬ নাম, কে হতে পারেন ফিফার পরবর্তী সভাপতি?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর বিকল্প হিসেবে আলোচনায় ৬ নাম, কে হতে পারেন ফিফার পরবর্তী সভাপতি?

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে। বিশ্বকাপসহ ফিফার বাণিজ্যিক অধিকার পরিচালনার জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠান গড়ে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা বাতিল হলেও সমালোচনা থামেনি। ইউরোপের পাশাপাশি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার ফুটবল প্রশাসনের একটি অংশও তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এই পরিস্থিতিতে ২০২৭ সালের ফিফা সভাপতি নির্বাচন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। ইনফান্তিনো চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে তাঁর সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে কয়েকজন প্রভাবশালী ফুটবল প্রশাসকের নাম আলোচনায় এসেছে।

ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানি

কানাডার ফুটবল প্রশাসক ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানি সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় অন্যতম আলোচিত নাম। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কনক্যাকাফের সভাপতি এবং ফিফার সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হিসেবে কানাডার ভূমিকা তৈরিতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, কনক্যাকাফ ও উয়েফার সমর্থন পেলে মন্তাগ্লিয়ানি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। তবে ইনফান্তিনোর বিপক্ষে সরাসরি প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি এখনো কোনো ঘোষণা দেননি।

শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান ২০১৬ সালের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে ইনফান্তিনোর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। বাহরাইনের এই ফুটবল প্রশাসক বর্তমানে ফিফার সিনিয়র সহসভাপতিও।

সাম্প্রতিক সময়ে ইনফান্তিনোর বিতর্কিত পরিকল্পনার সমালোচকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। ফলে এবারও তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

আলেক্সান্দার সেফেরিন

উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন ইনফান্তিনোর অন্যতম বড় সমালোচক। ইউরোপের ৫৫টি সদস্য দেশের নেতৃত্ব দেওয়া এই স্লোভেনিয়ান আইনজীবী সাম্প্রতিক সময়ে ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে এখন পর্যন্ত তিনি নিজে ফিফা সভাপতি পদে লড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি। বরং উয়েফার মধ্যে ইনফান্তিনোর বিরোধিতা জোরদার করতেই বেশি সক্রিয় তিনি।

ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম

ফিফার বর্তমান মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রমও সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে ফিফার প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা এই সুইডিশ কর্মকর্তা আগে সুইডিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনেও কাজ করেছেন।

ইনফান্তিনোর বিতর্কিত প্রকল্পগুলোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় অনেকের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

নাসের আল-খেলাইফি

পিএসজির সভাপতি, বিইন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসের আল-খেলাইফির নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে।

তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আপাতত ফিফা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে নামার ইচ্ছা নেই তাঁর। ক্লাব ও অন্যান্য দায়িত্বেই মনোযোগ দিতে চান তিনি। তবে পরিস্থিতি বদলালে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

পাত্রিস মোটসেপে

দক্ষিণ আফ্রিকার ধনকুবের ও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) সভাপতি পাত্রিস মোটসেপেও আলোচনায় রয়েছেন। আফ্রিকান ফুটবলে তাঁর বড় প্রভাব রয়েছে এবং ফিফা প্রশাসনেও তিনি পরিচিত মুখ।

তবে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত হওয়ায় বর্তমান সভাপতির বিপক্ষে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলে মনে করছেন অনেকে।

ফিফা সভাপতির নির্বাচন সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই তালিকায় আরও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ এবং বিশ্ব ফুটবলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

কালের আলো/এসএ

উপজেলাতেই মিলবে উন্নত চোখের চিকিৎসা, থাকবে অপারেশন থিয়েটার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
উপজেলাতেই মিলবে উন্নত চোখের চিকিৎসা, থাকবে অপারেশন থিয়েটার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য আলাদা আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটার সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

একইসঙ্গে দেশে প্রায় ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে। প্রায় ৫০০টি উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে না হয়।

তৃণমূলের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে ‘প্রাইমারি আই কেয়ার’ বা প্রাথমিক চক্ষু সেবা একটি আবশ্যক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো সমন্বয় করে খুব দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এনআইওএইচ-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে। একইসঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের চক্ষু সেবার সাফল্য তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত জানান, বিগত ছয় মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চক্ষু সেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তৎপরতায় বাংলাদেশ একটি গ্লোবাল সামিট আয়োজনের বড় প্রতিশ্রুতিও অর্জন করেছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ.এস.এম.এম. কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পে-স্কেলের অনিশ্চয়তায় ভাইরাল ৮০’র দশকের গান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
পে-স্কেলের অনিশ্চয়তায় ভাইরাল ৮০’র দশকের গান

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে আশির দশকের জনপ্রিয় গান ‘তুমি আমার জীবন’। রুনা লায়লা ও এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া গানটির ‘কেউ জানে না’ অংশটি বর্তমান পে-স্কেল পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে মজার ছলে শেয়ার করছেন নেটিজেনরা।

‘অবুঝ হৃদয়’ সিনেমায় ব্যবহৃত গানটিতে জাফর ইকবাল ও ববিতা অভিনয় করেছিলেন। পুরোনো গানটির মাত্র ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ঘিরেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা।

পে-স্কেল কবে ঘোষণা হবে, কবে বাস্তবায়ন হবে- এ নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য সময়সীমার খবর প্রকাশ হলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে ‘কবে হবে, কেউ জানে না’- এই অনিশ্চয়তার সঙ্গে গানের কথার মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।

এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, পে-স্কেল নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন খবর এলেও চূড়ান্ত খবর কবে আসবে, সেটিই কেউ জানে না। আরেকজনের মন্তব্য, চলমান অনিশ্চয়তার সঙ্গে গানের কথাগুলো যেন একেবারেই মিলে গেছে।

এদিকে ইউটিউবে গানটির ভিউ ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ ছাড়িয়েছে। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের লেখা এবং মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘অবুঝ হৃদয়’ সিনেমার এই জনপ্রিয় গানটি কয়েক দশক পর ভিন্ন এক বাস্তবতায় এসে আবারও আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

২৫ লাখ টাকার প্রোডাকশন ফান্ড, স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাতাদের জন্য দারুণ সুযোগ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
২৫ লাখ টাকার প্রোডাকশন ফান্ড, স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাতাদের জন্য দারুণ সুযোগ

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ অ্যাডভার্টাইজিং ফিল্মমেকার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাডফা)। নতুন পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে মোট ২৫ লাখ টাকা প্রোডাকশন ফান্ড দেবে সংগঠনটি।

অ্যাসেন কমিউনিকেশনের সঙ্গে যৌথভাবে ‘অ্যাডফা শর্ট ফেস্ট-সিজন-১’ আয়োজন করছে অ্যাডফা। ‘দিস ইজ ইউর শট’ ভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই উদ্যোগে নির্বাচিত হবে পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রকল্প। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য দেওয়া হবে নির্ধারিত প্রোডাকশন ফান্ড। পাশাপাশি নির্বাচিত নির্মাতারা পাবেন অ্যাডফার মেন্টরশিপ ও ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ।

চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অ্যাডফার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শঙ্খ দাশগুপ্ত বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য কমিউনিটির নির্মাতাদের মৌলিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের সুযোগ তৈরি করা। তাঁর মতে, নতুন গল্প ও প্রতিভার অভাব নেই, প্রয়োজন শুধু সুযোগ ও সহযোগিতা।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাডফা কমিউনিটির যোগ্য নির্মাতারা এককভাবে অথবা দলগতভাবে একটি করে প্রকল্প জমা দিতে পারবেন। প্রস্তাবিত চলচ্চিত্র অবশ্যই ফিকশন হতে হবে এবং দৈর্ঘ্য হতে হবে ৫ থেকে ১৫ মিনিট।

গল্পের ভাষা নিয়ে থাকছে না কোনো বাধ্যবাধকতা। বাংলা, ইংরেজি কিংবা বাংলাদেশের যেকোনো আঞ্চলিক ভাষায় প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে। একইভাবে গল্পের ঘরানার ক্ষেত্রেও থাকছে না কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা।

আবেদনের জন্য একটি পিডিএফ ফাইলে জমা দিতে হবে- চলচ্চিত্রের শিরোনাম, সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের লগলাইন, ১ হাজার শব্দের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ গল্প বা সিনপসিস, সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের ডিরেক্টরস নোট, জনর ও সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য, আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য

এর পাশাপাশি চাইলে ভিজ্যুয়াল রেফারেন্স ও নির্মাতার আগের কাজের লিংকও যুক্ত করা যাবে।

প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে গল্পের মৌলিকতা, নির্মাতার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, গল্প বলার শক্তি, সিনেমাটিক সম্ভাবনা এবং নির্ধারিত বাজেট ও সময়ের মধ্যে কাজটি বাস্তবায়নের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নির্বাচিত পাঁচ নির্মাতা শুধু অর্থসহায়তাই পাবেন না, মেন্টরশিপ ও ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগও পাবেন। ফলে নতুন নির্মাতাদের জন্য নিজেদের গল্প ও নির্মাণশৈলী তুলে ধরার এটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম।

আবেদনের শেষ সময়: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ