খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

ন্যায়বিচারে মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা মানবাধিকার নিশ্চিত করারই অংশ বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের কিছু অবিচ্ছেদ্য, সহজাত ও সর্বজনীন অধিকার রয়েছে। নাগরিকরা যাতে এসব অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শনিবার (১৫ আগস্ট) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ব্র্যাক-সিডিএমে ‘অ্যাক্সেলারেটিং ডিজিটাল লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের দুই দিনব্যাপী সমন্বয় সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ডিজিটাল আইনি সহায়তা কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে নয়টি জেলার ৫৭টি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং ৪১৩টি ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সমন্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল এইড কমিটিগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ে আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে দরিদ্র, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সহজে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা পাবেন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আদালতে যাওয়ার আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার শুধু বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মূল লক্ষ্য প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও নিশ্চিত করা। গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরও আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রকে সেই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, শুধু আইনের কালো অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। মামলার বাস্তবতা, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বিবেচনায় নিয়ে আইনের ব্যাখ্যা করতে হবে। বিচারিক কর্মকর্তাদের সর্বোপরি জনগণের সেবা করতে হবে।

দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ বিচারাধীন মামলা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। এ ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড, মধ্যস্থতা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও বিচারিক কার্যক্রমের সমন্বিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আইনি সহায়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আবেদন গ্রহণ, মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ আরও সহজ করা সম্ভব। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের সম্ভাব্য ঝুঁকিও বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ২০২৬ সালের সংশোধনীর আলোকে অনলাইন বিরোধ নিষ্পত্তি বা ওডিআর ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং মধ্যস্থতার সঙ্গে ডিজিটাল আইনি সহায়তা ব্যবস্থার সমন্বয় নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া লিগ্যাল এইড কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে দেশের আটটি বিভাগ থেকে একজন করে মোট আটজন ‘সেরা লিগ্যাল এইড অফিসার’ নির্বাচন করে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। একইভাবে অসাধারণ কর্মসম্পাদনের জন্য সারাদেশের ২০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মাত্র ২০ বছরেই বাংলা কবিতায় অমর সুকান্ত

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
মাত্র ২০ বছরেই বাংলা কবিতায় অমর সুকান্ত

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু কবি আছেন, যাঁদের জীবনকাল দীর্ঘ না হলেও তাঁদের সৃষ্টি সময়কে অতিক্রম করেছে। সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁদেরই একজন। মাত্র ২০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেও ক্ষুধা, শোষণ, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, বৈষম্য ও মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে কবিতার শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরে তিনি বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।

সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় তাঁর মাতুলালয়ে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালীপাড়ায়। তাঁর বাবা নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য কলকাতায় বইয়ের ব্যবসা করতেন। ফলে জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস নিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তি দেখা যায়।

কলকাতাতেই তাঁর শৈশব ও শিক্ষাজীবনের বড় অংশ কাটে। কমলা বিদ্যামন্দিরের পর তিনি বেলেঘাটা দেশবন্ধু হাইস্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এরই মধ্যে ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়ায় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনেরও সমাপ্তি ঘটে।

কৈশোর থেকেই সাহিত্যচর্চায় যুক্ত সুকান্ত পরবর্তী সময়ে মার্কসবাদী আদর্শে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষ, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মতো সময়ের সংকট তাঁর লেখায় সরাসরি প্রতিফলিত হয়। ১৯৪৪ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। পরের বছর কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেন।

তাঁর কবিতার কেন্দ্রে ছিল সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ক্ষুধা, বঞ্চনা ও শোষণমুক্ত সমাজের স্বপ্ন। এই কারণেই তাঁর কবিতায় রোমান্টিকতার চেয়ে বাস্তবতা এবং প্রতিবাদের স্বর অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল।

সুকান্তের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘ছাড়পত্র’, ‘পূর্বাভাস’, ‘মিঠেকড়া’, ‘অভিযান’, ‘ঘুম নেই’, ‘হরতাল’ ও ‘গীতিগুচ্ছ’। এর মধ্যে ‘ছাড়পত্র’ তাঁর জীবদ্দশায় ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়; অন্য বেশ কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর মৃত্যুর পর।

তাঁর কবিতার ভাষা ছিল সহজ, সরাসরি এবং তীক্ষ্ণ। ক্ষুধার্ত মানুষের বাস্তবতা বোঝাতে তাঁর বহুল উদ্ধৃত পঙ্‌ক্তি—‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়ঃ / পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’—বাংলা কবিতায় এক অনন্য উপমা হয়ে আছে।

অল্প বয়সেই সুকান্ত যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর বয়স হয়েছিল ২০ বছর ৯ মাসেরও কম।

জীবন ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সাহিত্যকর্ম ছিল বিস্ময়করভাবে পরিণত। তাই সুকান্তকে শুধু ‘কিশোর কবি’ হিসেবে দেখলে তাঁর সাহিত্যিক গুরুত্বকে ছোট করে দেখা হয়। তিনি ছিলেন এমন এক কবি, যিনি নিজের সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে কবিতার ভাষায় ধারণ করেছিলেন।

সুকান্তের জন্মদিন ১৫ আগস্ট। তাই প্রতিবছর এই দিনে তাঁর জন্মস্মরণে ফিরে আসে সেই অকালপ্রয়াত কবির কথা—যিনি মাত্র দুই দশকের জীবনে বাংলা কবিতায় এমন এক স্বর তৈরি করেছিলেন, যা আজও ক্ষুধার্ত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলে।

কালের আলো/এসএ

জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটে এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য অবকাঠামো তৈরি করে এ থেকে বের হওয়ার জন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন সেই সময় দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন কূপ খনন হলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাড়বে। সেক্ষেত্রে দুই বছর সময় দরকার।’

মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বিনিয়োগ দরকার। সেক্ষেত্রে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা সরকারের আছে। তাই  মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করছে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে দৈনিক জ্বালানির চাহিদা সরবরাহের চেয়ে দ্বিগুণ। পাশাপাশি বছরের এই সময়ে চাহিদা অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় বেশি থাকে। সেজন্য সংকট দৃশ্যমান হয়েছে।’

এরআগে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলা পর্যায়ে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বিগত বছরের বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালায় অংশ নেন মন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

৪৮ বছর পর নতুন শক্তিব্যবস্থায় সচল নাসার ভয়েজার-২

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
৪৮ বছর পর নতুন শক্তিব্যবস্থায় সচল নাসার ভয়েজার-২

মহাকাশে প্রায় ৫০ বছর ধরে ছুটে চলা নাসার ভয়েজার-২ অবসরের পথে থাকলেও নতুন এক শক্তিব্যবস্থার মাধ্যমে আরও অন্তত এক বছর সচল রাখার উদ্যোগ সফল হয়েছে। ‘বিগ ব্যাং’ নামে একটি বিশেষ প্রকৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে মহাকাশযানটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সাশ্রয়ী সমাধান এনেছে নাসা। ফলে এর বৈজ্ঞানিক যন্ত্রগুলো আরও কিছুদিন মহাকাশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

১৯৭৭ সালের ২০ আগস্ট উৎক্ষেপণ করা হয় ভয়েজার-২। মহাকাশযানটির ওজন প্রায় ৭২২ কেজি। সৌরজগতের বাইরের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর বিদ্যুতের উৎস রেডিওআইসোটোপ থার্মোইলেকট্রিক জেনারেটর (আরটিজি)। এই ব্যবস্থায় প্লুটোনিয়ামের ক্ষয় থেকে উৎপন্ন তাপকে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়।

তবে সময়ের সঙ্গে প্লুটোনিয়াম ক্ষয় হওয়ায় ভয়েজার-২ প্রতিবছর প্রায় ৪ ওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা হারাচ্ছে। ১৯৭৭ সালে এতে ১০টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র সচল থাকলেও শক্তি সাশ্রয়ের জন্য ধাপে ধাপে কয়েকটি যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মাত্র তিনটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র কার্যকর রয়েছে।

২০২৬ সালের শেষ দিকে বিদ্যুৎ-সংকটের কারণে এসব যন্ত্রের আরেকটি বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাসার প্রকৌশলীরা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী কিছু ব্যবস্থা বন্ধ করে কম বিদ্যুৎ খরচের বিকল্প ব্যবস্থা চালু করেন। একই সঙ্গে মহাকাশযানটি যাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে কার্যক্ষমতা হারিয়ে না ফেলে, সেটিও নিশ্চিত করা হয়েছে।

নাসার এই পরিবর্তনের ফলে ভয়েজার-২-এর অবশিষ্ট তিনটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র আরও অন্তত এক বছর কাজ চালিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভয়েজার-২ তার যাত্রার শুরুতে সৌরজগতের বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন পর্যবেক্ষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়েছে। ২০১৮ সালে এটি সৌরজগতের সীমানা পেরিয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশে প্রবেশ করে। এরপর থেকে সূর্যের প্রভাববলয়ের বাইরে থাকা প্লাজমার ঘনত্ব ও তাপমাত্রাসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়ে আসছে।

একই মিশনের অংশ হিসেবে ভয়েজার-১-ও মহাকাশে রয়েছে। তবে ভয়েজার-২-এর বিশেষত্ব হলো, ইউরেনাস ও নেপচুনকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা একমাত্র মহাকাশযান এটি।

সূত্র: এনগ্যাজেট, স্পেস ডটকম

কালের আলো/এসএ