খুঁজুন
                               
, ,
           

পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘পাঠাগার আন্দোলনকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে। সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, মননশীল ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।’

শনিবার (২৯ আগস্ট) হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আলিমুল ইসলাম, পাঠাগারের কর্মকর্তা হোসনে আরা নীলু, প্রভাষক খালেদুজ্জামান আউলিয়া, হেলালুজ্জামান,সাহাবুদ্দিন রতন  ও মোহাইমিনুল ইসলাম রবিন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আজকের এই পুরস্কার শুধু একটি সনদ বা সম্মাননা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্বীকৃতি। একটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনই সাফল্যের শেষ নয়; বরং এটি আরও বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

তিনি বলেন, একটি পাঠাগার শুধু বই রাখার স্থান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, চিন্তা ও মনন বিকাশের কেন্দ্র। বই মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি করে, যুক্তিবোধ তৈরি করে, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে শেখায় এবং একজন মানুষকে মানবিক ও বিবেকবান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশু-কিশোর ও তরুণদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে বের করে এনে বই, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সৃজনশীল জ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—প্রতিটি এলাকায় পাঠাগার, প্রতিটি ঘরে বই এবং প্রতিটি মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস।” শুধু শিশু-কিশোর নয়, তরুণ, মধ্যবয়স্ক ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষকে পাঠাগারমুখী করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে বই পড়ার সুযোগ পায়, সে উদ্যোগও নিতে হবে।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, একটি জাতির প্রকৃত অগ্রগতি শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়; জ্ঞান, বিবেক, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরির মধ্যেই নিহিত। তাই একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পাঠাগার ও বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ, ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

গুম প্রতিরোধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
গুম প্রতিরোধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

গুমের মতো অপরাধ প্রতিরোধে এবং বন্ধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে গুমকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বর্তমান সরকার বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’। এ উপলক্ষ্যে শনিবার (২৯ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাণীতে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল গুম হওয়া ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জানাই।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ হচ্ছে— গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন। বিশেষ করে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় সরকারবিরোধী আন্দোলন বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এ ধরনের নির্দয়, নির্মম ও নিষ্ঠুর পথ বেছে নেয়।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পতিত, পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার দমন করার জন্য গুম-অপহরণের অমানবিক পথ বেছে নিয়েছিল। গুম-অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মাসের পর মাস কিংবা বছরের পর বছর ধরে আটক রাখার জন্য তৈরি করেছিল গোপন বন্দিশালা। পলাতক ফ্যাসিস্ট আমলের এসব গোপন বন্দিখানা জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পেয়েছিল।

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব উদ্বৃত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে ৭ শতাধিক মানুষকে গুম করেছে। এটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক। বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ‘গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ বন্ধ করতে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে।’

তিনি জানান, ‘ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপিত হয়েছে। একইসঙ্গে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-ও জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সরকার আশা করে, উত্থাপিত বিলগুলো যথানিয়মে আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে আর কেউ গুম কিংবা অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী জঘন্য অপরাধের পথ বেছে নেবে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গুম কিংবা অপহরণ শুধু একটি সংখ্যা নয় কিংবা একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন, সাধ ও আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু। একটি পরিবারের সামনে থমকে যাওয়া ভবিষ্যৎ। গুম হয়ে যাওয়া মানুষের অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের দিন কাটে এক অনিশ্চিত বাস্তবতায়, যেখানে কোনো সমাপ্তি নেই, নেই শোক পালনের স্বাভাবিক সুযোগ।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে ২০২৪ সালে বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট চক্রের পতনের পর সৌভাগ্যবান কেউ কেউ ফিরে এসেছেন। অপরদিকে ইলিয়াস আলী কিংবা চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের আজও খোঁজ মেলেনি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইসিসির রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং গুমের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। রাষ্ট্র বা সরকার কর্তৃক গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগিয়ে রাখতে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ’।

এই মনুষ্যত্বহীন অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিচার ও জবাবদিহিতার জন্য দুনিয়াজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বানও জানান তিনি।

এদিকে, শনিবার (২৯ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে গুম ও খুনের শিকার এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও গুরুতর আহত ৭৪ পরিবারের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার পর গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা হয়তো কোনোভাবে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। তারপরও এতটুকু বলব, আমাদের অবস্থান থেকে আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।’

সরকারপ্রধান আরও বলেন, ‘আজ যারা আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছেন, একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন। আমাদের উচিত দু’হাত তুলে আল্লাহর দরবারে তাদের জন্য দোয়া করা, যাতে আল্লাহ মানুষগুলোকে সর্বোচ্চ ভালো রাখেন।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (২৯ আগস্ট) মোকামতলা উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় নবগঠিত নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মীর শাহে আলম দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ই-রিকশা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। জনগণের প্রয়োজন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুপরিকল্পিত ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। চলমান অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করার জন্য আমরা (সরকার) শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমাদের দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য আশপাশের দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তারা আমাদের ভাবমূর্তি, অর্জন ও মেধাকে ধ্বংস করে দিতে চক্রান্তে লিপ্ত। এজন্য তরুণ সমাজকে সতর্ক এবং সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষাকে যদি অগ্রাধিকার দিতে পারি তাহলে সমাজের অবক্ষয় থেকে মুক্ত থাকতে পারব।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের সদর ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় এসএসসিসহ সমমান পরীক্ষায় জিপি-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর সোসাইটির ব্যানারে শহরের টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন করা হয়।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, অভাব অনটনে আমরা এই বাংলাদেশ পরিচালনা করছি। একটা ধ্বংস্তুপের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের পর আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের দিকে যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করছেন। একটি নকলমুক্ত পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম যেন চলে, সেটা আমাদের চ্যালেঞ্জের অংশ।

লক্ষ্মীপুর সোসাইটির সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপির সভাপতিত্বে এই আয়োজনে বিশেষ অতথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হানিফ মুরাদ, জেলা প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইউছুফ প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ