খুঁজুন
                               
, ,
           

সংসদ উপনেতা হচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
সংসদ উপনেতা হচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য পদ ছাড়ার পর জাতীয় সংসদে তার আসনে বসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এরপর থেকেই তাকে সংসদের উপনেতা করা হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে নতুন আসনবিন্যাসে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের পাশের আসনটি পেয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এর আগে ওই আসনে বসতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সালাহউদ্দিন আহমদ বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দলের সম্ভাব্য মহাসচিব হিসেবেও তার নাম রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে। ফলে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে তার বসাকে অনেকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।

তবে সালাহউদ্দিন আহমদকে সংসদের উপনেতা করার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর তালিকাতেও বর্তমানে উপনেতার নাম নেই।

দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপসহ সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পূরণ হলেও উপনেতার পদটি এখনো খালি রয়েছে। এ পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকেও উপনেতার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে দলের ভেতরে আলোচনা রয়েছে। ফলে সালাহউদ্দিন আহমদ নাকি খন্দকার মোশাররফ—কে সংসদ উপনেতার দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে বলেন, তিনি কিছু জানেন না। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার এখতিয়ার।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

দুদকের নতুন মহাপরিচালক নাজমুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
দুদকের নতুন মহাপরিচালক নাজমুল আলম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. নাজমুল আলম। তিনি ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের বিভাগীয় প্রধান (যুগ্মসচিব) ছিলেন।

‎রোববার (৩০ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‎রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপপরিচালক মোহাম্মদ নূর-এ-আলম।

‎প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলমকে বদলিপূর্বক প্রেষণে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক পদে পদায়ন করা হলো।

‎জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পাল্টা হামলায় জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ
পাল্টা হামলায় জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিলো ইরান

পাল্টা জবাবে জর্ডানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুটি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান।

রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

ইরানের বার্তা সংস্থাগুলোর হামলা নিয়ে আইআরজিসির দেওয়া বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে চালানো এই অভিযানে জর্ডানের কিং হোসেন ও আল–আজরাক ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। এ অভিযানকে ‘আগ্রাসী শক্তির জন্য শাস্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে আইআরজিসি।

তবে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় শত্রুপক্ষের প্রযুক্তিগত ও কারিগরি অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে ইসলামিক রিপাবলিকের (ইরান) নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার চেষ্টায় শত্রুদের যে হতাশা তৈরি হয়েছে, আগ্রাসন ও অপরাধ চালিয়ে তা সমাধান হবে না। প্রতিটি হামলার বিপরীতে আরও বেশি বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে।

এর আগে রোববার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এক মাসেরও বেশি সময় পর এটি ছিল ইরানে এ ধরনের প্রথম মার্কিন হামলা।

মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে রকেটের সাহায্যে মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় লারাক দ্বীপে এ হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী দ্বীপটিতে থাকা ইরানের দুটি লঞ্চার (উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা) লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এ হামলায় সেনা ও বেসামরিক লোকজন হতাহত হয়েছে জানিয়ে এর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল আইআরজিসি।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লারাক দ্বীপটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত। বিশ্বজুড়ে নৌ-পরিবহনের অন্যতম প্রধান এই পথটি আঞ্চলিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্রে রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছিনতাইয়ের আতঙ্কে ঢাকা: দিনেও নিরাপদ নয় রাজধানী

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ
ছিনতাইয়ের আতঙ্কে ঢাকা: দিনেও নিরাপদ নয় রাজধানী

দিনের ব্যস্ত সড়ক। চারপাশে মানুষের ভিড়। তবুও হঠাৎ ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র। কয়েক সেকেন্ডেই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মোবাইল, টাকা কিংবা সঙ্গে থাকা মূল্যবান সামগ্রী। প্রতিবাদ করলে হামলা—কখনো রক্তাক্তও হচ্ছেন ভুক্তভোগী। এ যেন আর নির্দিষ্ট কোনো সময় কিংবা এলাকার গল্প নয়। রাজধানীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত—সন্ধ্যার পর নির্জন সড়ক তো বটেই, দিনের ব্যস্ত এলাকাতেও ছিনতাইকারীদের দাপটে বাড়ছে নগরবাসীর আতঙ্ক।

চারশো বছরের ইতিহাসের ঢাকা আজ কোটি মানুষের জীবিকার ঠিকানা। প্রতিদিন লাখো মানুষ কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যবসার প্রয়োজনে ছুটছেন নগরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। অথচ এই চলাচলের পথেই ওত পেতে থাকা ছিনতাইকারীদের ভয়ে অনেকে এখন সন্ধ্যার পর একা বের হতে চান না। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মতিঝিল, রমনা, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, বাড্ডা ও রামপুরার বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি বসিলা এলাকায় রিকশায় যাওয়ার সময় এমনই এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন মাহিন। কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনিয়ে নেয় নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন। মাহিনের দাবি, মোহাম্মদপুর এলাকায় এমন ঘটনা এখন প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে। অর্থাৎ শুধু রাতের অন্ধকার নয়, দিনের আলোতেও নিরাপদ থাকার নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না নগরবাসী। তাজমহল রোডের এক বাসিন্দাও বলছেন, আগের তুলনায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী চক্রের আতঙ্ক এখনো কাটেনি।

ছিনতাই হচ্ছে, কিন্তু মামলায় ‘হারিয়ে যাচ্ছে’ ফোন
ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে অভিযোগ নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া। বনানীর কাকলী এলাকায় বিভিন্ন সময়ে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন অন্তত দুই সংবাদকর্মী। একই এলাকায় আরও একাধিক ব্যক্তি একই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, থানায় গিয়ে ছিনতাইয়ের মামলা করতে চাইলেও তাদের ক্ষেত্রে মামলা না নিয়ে করা হয়েছে সাধারণ ডায়েরি। সেখানে ছিনতাইয়ের কথা উল্লেখ না করে বলা হয়েছে, ফোন ‘হারিয়ে গেছে’। ফলে প্রশ্ন উঠছে—অভিযোগই যদি যথাযথভাবে নথিভুক্ত না হয়, তাহলে রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র কতটা উঠে আসছে পুলিশের পরিসংখ্যানে?

বাসের ভেতরেও ওত পেতে থাকে ছিনতাইকারী
শুধু রাস্তা নয়, নিরাপদ নয় গণপরিবহনও। নিউমার্কেট থেকে গাবতলী, টঙ্গী থেকে আব্দুল্লাহপুর কিংবা যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন রুটের লোকাল বাসে যাত্রীদের মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেক ভুক্তভোগী আবার পুলিশে অভিযোগই করেন না। ফলে নথিভুক্ত না হওয়া এসব ঘটনা থেকে যায় হিসাবের বাইরে। আর ছিনতাইয়ের সময় বাধা দিলে ঘটছে হামলার ঘটনাও। অর্থাৎ কয়েক হাজার টাকার একটি মোবাইল ফোন কিংবা মানিব্যাগের জন্যই ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষের জীবন।

অন্ধকার সড়ক যেন ছিনতাইকারীদের ‘নিরাপদ জোন’
সন্ধ্যা নামলেই নগরের অনেক এলাকায় বাড়ে আতঙ্ক। বিশেষ করে যেসব সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, সেসব জায়গায় ওত পেতে থাকা ছিনতাইকারীদের ধরতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানের খবর অনেক সময় আগে থেকেই ফাঁস হয়ে যায়। ফলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সরে পড়ে অপরাধীরা। হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়ে ওঠে কঠিন।

পরিসংখ্যান বলছে বড় সংকটের কথা
পুলিশের এক পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৪৭ হাজারের বেশি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৩ সালে ৯ হাজার ৪৭৫টি এবং ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৫ হাজার ৮৮৩টি ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ও রেঞ্জ এলাকায় রেকর্ড হয়েছে ১৫ হাজার ৪১৯টি মামলা। তবে পুলিশের খাতায় থাকা এই সংখ্যাই পুরো চিত্র নয়। কারণ ছিনতাইয়ের পর অনেকেই মামলা করেন না। আবার কোথাও ছিনতাইয়ের বদলে ‘হারিয়ে গেছে’ হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

গ্রেপ্তার হচ্ছে, ফিরছে একই অপরাধে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, আগের তুলনায় ছিনতাই কমেছে। তালিকা ধরে অপরাধীদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে। কিন্তু এখানেই দেখা দিচ্ছে আরেক সমস্যা—গ্রেপ্তারের পর অল্প সময়ের মধ্যেই জামিনে বেরিয়ে এসে আবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ।

অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, বেকারত্ব ছিনতাই বাড়ার অন্যতম কারণ। তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা। তাই ঢাকার ছিনতাই ঠেকাতে শুধু অভিযান আর গ্রেপ্তার যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অপরাধপ্রবণ এলাকাভিত্তিক নজরদারি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি, গণপরিবহনে নিরাপত্তা, পুলিশের অভিযানের তথ্য সুরক্ষা এবং গ্রেপ্তার হওয়া অপরাধীদের পুনরায় অপরাধে ফেরার পথ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা। কারণ একটি মেগাসিটির নিরাপত্তা শুধু পরিসংখ্যানে কমছে কি না, তা দিয়ে মাপা যায় না। ঢাকার মানুষ দিনের আলোয় কিংবা রাতের অন্ধকারে—ভয় ছাড়াই ঘরে ফিরতে পারছেন কি না, নিরাপত্তার আসল পরীক্ষা সেখানেই।

কালের আলো/এম/এএইচ