খুঁজুন
                               
, ,
           

স্ত্রীকে কখনো মেয়ে, কখনো ভাতিজি সাজিয়ে বিয়ে দিতেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
স্ত্রীকে কখনো মেয়ে, কখনো ভাতিজি সাজিয়ে বিয়ে দিতেন স্বামী

স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি পরিচয় দিয়ে পাত্রপক্ষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিয়ের পর কয়েক দিনের মধ্যেই নববিবাহিত স্বামীর টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ওই নারী পালিয়ে যেতেন বলেও অভিযোগ। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী মিলে এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিলেন।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গায়। সম্প্রতি এক নববিবাহিত যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক যুবক পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে তার ‘চাচাশ্বশুর’ এবং ওই নারীকে নিজের ভাতিজি পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের প্রায় এক মাস পর যুবক জানতে পারেন, যাকে তিনি বিয়ে করেছেন, সেই নারী আসলে ওই ব্যক্তিরই স্ত্রী।

এরপরই থানায় গিয়ে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাত্রপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়াই ছিল অভিযুক্ত দম্পতির মূল উদ্দেশ্য। এর আগেও একই কৌশলে তারা একাধিক বিয়ে করিয়েছেন বলে পুলিশের দাবি। তবে ভুক্তভোগীদের কেউ অভিযোগ না করায় এতদিন তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দেগঙ্গার ওই মধ্যবয়সী ব্যক্তি বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন। এক ঘটকের মাধ্যমে এক যুবতীর সন্ধান পাওয়ার পর ছবি দেখে তাকে পছন্দ করেন।

প্রায় এক মাস আগে একটি মন্দিরে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সেখানে কনের ‘চাচা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিই আশীর্বাদ করেন এবং কন্যা সম্প্রদান করেন। পাত্রপক্ষকে তিনি জানান, মেয়েটি তার একমাত্র ভাতিজি এবং পরিবারের আর কোনো সদস্য নেই।

কিন্তু বিয়ের পর থেকেই নববিবাহিত যুবকের সন্দেহ হতে থাকে। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী আগে থেকেই বিবাহিত। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—বিয়ের সময় যে ব্যক্তি নিজেকে কনের চাচা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, তিনিই ওই নারীর স্বামী।

ওই দম্পতির দুটি মেয়েও রয়েছে। তাদের দুজনেরই ইতিমধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযুক্ত দম্পতিকে ডেকে পাঠান। সেখানে তারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও অভিযোগকারী যুবক তার বক্তব্যে অনড় থাকেন। পরে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।

দেগঙ্গা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় বলে জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা স্বীকার করেন, তারা প্রকৃতপক্ষে স্বামী-স্ত্রী। তাদের মধ্যে চাচা ও ভাতিজির কোনো সম্পর্ক নেই।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে একই নারীকে কখনো নিজের ভাতিজি, আবার কখনো নিজের মেয়ে পরিচয়ে পাত্রপক্ষের সামনে হাজির করতেন। এরপর ওই নারীর সঙ্গে পাত্রের বিয়ে দেওয়া হতো। বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই নববিবাহিত স্বামীর টাকা ও গয়না নিয়ে দুজন পালিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

সর্বশেষ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বারাসত মহকুমা আদালতে হাজির করেছে পুলিশ।

কালের আলো/এসএ

মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর প্রস্তুতি, শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে তারিখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর প্রস্তুতি, শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে তারিখ

ঢাকা-কলকাতা রুটের আন্তদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে শিগগিরই সুখবর আসতে পারে। ট্রেনটি চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, খুব শিগগিরই একটি ভালো খবর দেওয়া সম্ভব হবে। ট্রেনটি চালুর জন্য দ্রুততম সময়ে কাজ চলছে এবং শিগগিরই নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।

তিনি বলেন, বিমান যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সড়ক ও রেল যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মালবাহী ট্রেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দুই দেশের বাণিজ্য ও যোগাযোগ আরও বাড়াতে সড়ক, রেল ও নৌপথের ব্যবহার সম্প্রসারণের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে আরও সম্প্রসারণ করা যায়, সে বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের পক্ষ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল। এখন এটি কীভাবে আবার চালু করা যায়, সে বিষয়ে দুই দেশই ইতিবাচকভাবে কাজ করছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ব্যালন ডি’অর ২০২৬: তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ব্যালন ডি’অর ২০২৬: তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর ২০২৬ প্রদানের তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের ৭০তম ব্যালন ডি’অর ট্রফি তুলে দেওয়া হবে বছরের সেরা ফুটবলারের হাতে।

সাধারণত ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত হয় ব্যালন ডি’অরের অনুষ্ঠান। তবে এবার ঐতিহ্য ভেঙে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।

ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ী কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসকে বিশেষ সম্মান জানাতেই এবার লন্ডনকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করা হচ্ছে এবারের পুরস্কারের জন্য মনোনীত ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা। স্থানীয় সময় রাত ৮টায় লন্ডনের একটি ঐতিহ্যবাহী মিলনায়তনে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্যানেল খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলীয় সাফল্য ও ফেয়ার প্লের মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করবেন।

ব্যালন ডি’অরের ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এবারের আয়োজনে নারী ও পুরুষ বিভাগের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি মৌসুমের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়, গোলরক্ষক, কোচ ও ক্লাবকেও পুরস্কৃত করা হবে।

ফলে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে ফুটবল বিশ্বের তারকাদের মিলনমেলায় কার হাতে উঠবে ২০২৬ সালের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত পুরস্কার—সেদিকেই এখন নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

কালের আলো/এসএ

‘জামায়াতের দ্বিমুখী আচরণ কেন?’ প্রশ্ন চরমোনাই পীরের

কুষ্টিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
‘জামায়াতের দ্বিমুখী আচরণ কেন?’ প্রশ্ন চরমোনাই পীরের

কুষ্টিয়ায় কর্মী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জামায়াতে ইসলামীকে আর ইসলামী দল বলা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর রেজাউল করীম।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের ফজলুল উলম মাদরাসায় কর্মী সমাবেশ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রেজাউল করীম বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের লোগো থেকে ‘আকিমুদ্দীন’ শব্দটি সরিয়ে দিয়েছে। ফলে সেখানে ‘ইসলাম’ শব্দটিও আর নেই। এ কারণে জামায়াতকে ইসলামী দল বলা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ নির্বাচনের ইশতেহারে জামায়াত ইসলাম অনুযায়ী দেশ পরিচালনার কথা বলেনি। এমনকি দলটির আমিরও জানিয়েছিলেন, তারা শরিয়াভিত্তিক নয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন। এসব বিষয় বিবেচনায় জামায়াতকে ইসলামী দল বলা যায় না বলে দাবি করেন চরমোনাই পীর।
জামায়াতের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন দাবিতে লংমার্চ করার পর দলটির আমির সংসদে বলেছেন, বিদ্যুৎ সংকট বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়। তাহলে বিপুল জ্বালানি ব্যয় করে লংমার্চ করার প্রয়োজন হলো কেন—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এ সময় বিএনপিরও সমালোচনা করেন রেজাউল করীম। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শরিয়াবিরোধী কোনো আইন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তাদের দাবি অনুযায়ী, সংসদে ইতোমধ্যে শরিয়াবিরোধী আইন অনুমোদন করা হয়েছে।
চরমোনাই পীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শরিয়াবিরোধী আইন থেকে ফিরে না এলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি