খুঁজুন
                               
, ,
           

২৯ বছর ধরে অন্যের ভবনে মাধবপুর পৌরসভা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
২৯ বছর ধরে অন্যের ভবনে মাধবপুর পৌরসভা

প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজস্ব স্থায়ী ভবন পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এই পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম বর্তমানে উপজেলা পরিষদ ভবন ও পুরোনো উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষ নিয়ে কোনো রকমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা, নকশা অনুমোদন ও দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভবন নির্মাণসংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। দীর্ঘ আইনি জটিলতার পর সম্প্রতি সেই বাধা কেটেছে।

বর্তমানে পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান। তিনি জানান, ভবন নির্মাণ নিয়ে রিট-সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন ভবন নির্মাণে কোনো আইনি বাধা নেই। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পৌরসভা। বরাদ্দ পেলেই ভবন নির্মাণের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৯৯৭ সালের ২ আগস্ট প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার উদ্যোগে মাধবপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। এরপর জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিদিন শত শত মানুষ এসব সেবা নিতে পৌরসভায় আসেন।

কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসার স্থান, ফাইলপত্র সংরক্ষণ এবং দাপ্তরিক কাজ পরিচালনায় নানা সমস্যা হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে গত দুই বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমে পৌরসভা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও সীমিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর কবীর ও সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, ‘ক’ শ্রেণির একটি পৌরসভার নিজস্ব ভবন না থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক। দ্রুত পৌরসভার উপযুক্ত ভবন নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক সংকট দূর করে নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

সাম্প্রতিক কয়েক বছরের ধারা ভেঙে আইপিএল ২০২৭-এর মিনি-নিলাম ভারতের মাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে কোচিতে নিলাম আয়োজনের পর থেকে আইপিএলের নিলাম ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। দুবাই, জেদ্দা ও আবুধাবিতে হয়েছিল পরবর্তী নিলামগুলো। তবে এবার মিনি-নিলাম হওয়ায় তা আবার ভারতে ফিরছে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনুরোধও এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে নিলাম আয়োজনের ক্ষেত্রে দলগুলোর কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

তবে নিলামের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত পাঁচ তারকা হোটেল ও ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তাদের থাকার সুবিধা বিবেচনা করে শহর নির্বাচন করা হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় হোটেল পাওয়া নিয়েও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নিলামের জন্য কয়েক রাত মিলিয়ে ১০০টির বেশি কক্ষ প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে আইপিএলের আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এক মাস পর আবার বৈঠকে বসবে গভর্নিং কাউন্সিল।

এর আগে ৩০ আগস্ট বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে নিয়মটি নিয়ে মতামত চেয়েছিল। জানা গেছে, বেশিরভাগ দল নিয়মটি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে কয়েকটি দল অন্তত আরও এক মৌসুম নিয়মটি চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, কারণ তারা এই নিয়ম বিবেচনায় রেখেই দল সাজিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জামশিদ মোহামেদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, রোগ প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই পক্ষ।

বৈঠকে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রোগ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং উদীয়মান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ধারাবাহিক সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রশংসা করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ডব্লিউএইচওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সংস্থাটির চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, রোগ নজরদারি এবং জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি সহায়তা।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি

মজুত বৃদ্ধির ধাক্কায় কমল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
মজুত বৃদ্ধির ধাক্কায় কমল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে তেল লোডিং স্থগিত থাকায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

জিএমটি রাত ১২টা ২৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৩ সেন্ট কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৮২ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৯৭ সেন্ট কমে ১০৪ দশমিক ৮৬ ডলারে দাঁড়ায়।

আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। অথচ রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকেরা ওই সময়ে মজুত প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে তেল লোডিং স্থগিত থাকায় সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার পর দেশটি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ করে দিয়েছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই পাইপলাইনে তেল পরিবহন আবার শুরু হতে পারে। তবে পুরোপুরি মেরামতের কাজ শেষ করতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

ফলে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মজুত বৃদ্ধির কারণে তেলের দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন অবকাঠামোতে বিঘ্ন সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ধরে রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ