খুঁজুন
                               
, ,
           

পাটের দাম বেড়েছে, লাভের আশায় শার্শার কৃষক

শার্শা (যশোর)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
পাটের দাম বেড়েছে, লাভের আশায় শার্শার কৃষক

যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শায় নতুন পাট বাজারে উঠতে শুরু করেছে। ভালো ফলন ও বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকরা। গত বছরের তুলনায় এবার প্রতি মণ পাটে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম পাচ্ছেন তারা।

স্থানীয় বাজার ঘুরে জানা গেছে, গত বছরের শুরুতে নতুন পাট ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছিল। এবার মৌসুমের শুরুতেই প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে দাম আরও বেড়ে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে শার্শায় ৫ হাজার ৫০৩ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৫ হাজার হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাটের আবাদ বেড়েছে ৫০৩ হেক্টর।

এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও কৃষকদের তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি। গত বছর বৃষ্টির অভাবে পাট জাগ দিতে পানির সংকটে ভুগতে হয়েছিল কৃষকদের। অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পানির কারণে এবার পাটের ফলনও ভালো হয়েছে।

তবে কৃষকরা জানান, পাটের দাম ও ফলন ভালো হলেও উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজে শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। গত বছর যেখানে শ্রমিকপ্রতি প্রায় ৪০০ টাকা মজুরি দিতে হয়েছে, এবার তার চেয়ে বেশি দিতে হচ্ছে। ফলে প্রতি মণ পাট উৎপাদনে খরচ বেড়েছে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।

কৃষক আব্দুল আলিম বলেন, ‘এবার পাটের ফলন খুব ভালো হয়েছে। পাশাপাশি দামও ভালো পাচ্ছি। গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছি।’

পাট ব্যবসায়ী বাবলুর রহমান বলেন, তিনি স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পাট কিনে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, খুলনা ও বগুড়াসহ বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করেন।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা বলেন, অনুকূল আবহাওয়া, ভালো ফলন ও সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় এবার পাট চাষে কৃষকরা লাভজনক অবস্থানে রয়েছেন। সরকারের প্রণোদনা, বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ বিতরণ এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শের কারণে কৃষকরা পাট চাষে সুফল পাচ্ছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি

৫ হাজার টাকা হারানো শাহরুখকে ৫০০ কোটির ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ফকির

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
৫ হাজার টাকা হারানো শাহরুখকে ৫০০ কোটির ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ফকির

বলিউডের ‘বাদশা’ শাহরুখ খান। আজ কোটি কোটি টাকার পারিশ্রমিক, বিলাসবহুল জীবন ও বিশ্বজোড়া খ্যাতির অধিকারী হলেও ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো ছিল বেশ অনিশ্চয়তায় ভরা। সেই সময়ের একটি পুরোনো ঘটনা আবারও আলোচনায় এসেছে।

ঘটনাটি শাহরুখের অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের। অসুস্থ মা লতিফ ফাতিমা খানকে নিয়ে আজমির শরীফে গিয়েছিলেন তিনি। সেসময় শাহরুখের হাতে ছিল না আজকের মতো অর্থ-খ্যাতি। সেখানে একপর্যায়ে ৫ হাজার টাকা হারিয়ে বিচলিত হয়ে পড়েন তরুণ এই অভিনেতা।

এরপরই এক ফকিরের সঙ্গে তার দেখা হয়। কথিত আছে, ওই ফকির শাহরুখকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন, ভবিষ্যতে তিনি বিপুল অর্থ উপার্জন করবেন। এমনকি একদিন তার আয় ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তিনি।

তখন অবশ্য সেই কথা খুব একটা বিশ্বাস করেননি শাহরুখ। কারণ অভিনয়জীবনের শুরুতে তার ভবিষ্যৎই ছিল অনিশ্চিত। তবে বহু বছর পর ওই ঘটনার কথা স্মরণ করে শাহরুখ জানিয়েছিলেন, তিনি ভবিষ্যদ্বাণী বা অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করেন না। কিন্তু সেই ফকিরের কথাটি শেষ পর্যন্ত মিলে যাওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছিলেন।

শাহরুখের জীবনযাত্রার দিকে তাকালে তার সেই দীর্ঘ পথচলার ছবিটিও স্পষ্ট হয়। দিল্লি থেকে মুম্বাই এসে টেলিভিশনের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন তিনি। এরপর একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী তারকায় পরিণত হন।

আজকের শাহরুখ খান আর সেই সময়ের সংগ্রামী তরুণের মধ্যে পার্থক্য তাই বিশাল। আজমির শরীফে হারানো ৫ হাজার টাকা এবং সেই ফকিরের ৫০০ কোটি আয়ের ভবিষ্যদ্বাণীর গল্প তার জীবনের ঘুরে দাঁড়ানোর এক আলোচিত স্মৃতি হয়ে আছে।

কালের আলো/এসএ

আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

সাম্প্রতিক কয়েক বছরের ধারা ভেঙে আইপিএল ২০২৭-এর মিনি-নিলাম ভারতের মাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে কোচিতে নিলাম আয়োজনের পর থেকে আইপিএলের নিলাম ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। দুবাই, জেদ্দা ও আবুধাবিতে হয়েছিল পরবর্তী নিলামগুলো। তবে এবার মিনি-নিলাম হওয়ায় তা আবার ভারতে ফিরছে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনুরোধও এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে নিলাম আয়োজনের ক্ষেত্রে দলগুলোর কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

তবে নিলামের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত পাঁচ তারকা হোটেল ও ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তাদের থাকার সুবিধা বিবেচনা করে শহর নির্বাচন করা হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় হোটেল পাওয়া নিয়েও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নিলামের জন্য কয়েক রাত মিলিয়ে ১০০টির বেশি কক্ষ প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে আইপিএলের আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এক মাস পর আবার বৈঠকে বসবে গভর্নিং কাউন্সিল।

এর আগে ৩০ আগস্ট বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে নিয়মটি নিয়ে মতামত চেয়েছিল। জানা গেছে, বেশিরভাগ দল নিয়মটি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে কয়েকটি দল অন্তত আরও এক মৌসুম নিয়মটি চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, কারণ তারা এই নিয়ম বিবেচনায় রেখেই দল সাজিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জামশিদ মোহামেদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, রোগ প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই পক্ষ।

বৈঠকে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রোগ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং উদীয়মান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ধারাবাহিক সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রশংসা করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ডব্লিউএইচওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সংস্থাটির চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, রোগ নজরদারি এবং জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি সহায়তা।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি