খুঁজুন
                               
, ,
           

৫ হাজার টাকা হারানো শাহরুখকে ৫০০ কোটির ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ফকির

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
৫ হাজার টাকা হারানো শাহরুখকে ৫০০ কোটির ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ফকির

বলিউডের ‘বাদশা’ শাহরুখ খান। আজ কোটি কোটি টাকার পারিশ্রমিক, বিলাসবহুল জীবন ও বিশ্বজোড়া খ্যাতির অধিকারী হলেও ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো ছিল বেশ অনিশ্চয়তায় ভরা। সেই সময়ের একটি পুরোনো ঘটনা আবারও আলোচনায় এসেছে।

ঘটনাটি শাহরুখের অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের। অসুস্থ মা লতিফ ফাতিমা খানকে নিয়ে আজমির শরীফে গিয়েছিলেন তিনি। সেসময় শাহরুখের হাতে ছিল না আজকের মতো অর্থ-খ্যাতি। সেখানে একপর্যায়ে ৫ হাজার টাকা হারিয়ে বিচলিত হয়ে পড়েন তরুণ এই অভিনেতা।

এরপরই এক ফকিরের সঙ্গে তার দেখা হয়। কথিত আছে, ওই ফকির শাহরুখকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন, ভবিষ্যতে তিনি বিপুল অর্থ উপার্জন করবেন। এমনকি একদিন তার আয় ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তিনি।

তখন অবশ্য সেই কথা খুব একটা বিশ্বাস করেননি শাহরুখ। কারণ অভিনয়জীবনের শুরুতে তার ভবিষ্যৎই ছিল অনিশ্চিত। তবে বহু বছর পর ওই ঘটনার কথা স্মরণ করে শাহরুখ জানিয়েছিলেন, তিনি ভবিষ্যদ্বাণী বা অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করেন না। কিন্তু সেই ফকিরের কথাটি শেষ পর্যন্ত মিলে যাওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছিলেন।

শাহরুখের জীবনযাত্রার দিকে তাকালে তার সেই দীর্ঘ পথচলার ছবিটিও স্পষ্ট হয়। দিল্লি থেকে মুম্বাই এসে টেলিভিশনের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন তিনি। এরপর একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী তারকায় পরিণত হন।

আজকের শাহরুখ খান আর সেই সময়ের সংগ্রামী তরুণের মধ্যে পার্থক্য তাই বিশাল। আজমির শরীফে হারানো ৫ হাজার টাকা এবং সেই ফকিরের ৫০০ কোটি আয়ের ভবিষ্যদ্বাণীর গল্প তার জীবনের ঘুরে দাঁড়ানোর এক আলোচিত স্মৃতি হয়ে আছে।

কালের আলো/এসএ

‘ভেতরের ঝড়কে আলোর চেয়ে উজ্জ্বল হতে দিও না’: পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
‘ভেতরের ঝড়কে আলোর চেয়ে উজ্জ্বল হতে দিও না’: পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। সমসাময়িক সময়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের বিপরীতে অভিনয় করে ঢালিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন পূর্ণিমা।

বর্তমানে অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি নিয়মিত ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ করে জীবন নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন পূর্ণিমা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই। তবে নিজের ভেতরের ঝড়গুলো কখনোই তোমার বয়ে চলা আলোর থেকে বেশি উজ্জ্বল হতে দিও না।’

পূর্ণিমার এই কথায় জীবনের প্রতিকূলতার মধ্যেও ইতিবাচক থাকার বার্তা উঠে এসেছে। তার পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরাও নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই অভিনেত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন পূর্ণিমা। ১৯৯৮ সালের ১৫ মে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি।

এরপর ‘যোদ্ধা’, ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘সুলতান’, ‘পিতা-মাতার আমানত’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’, ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘বাঁধা’ ও ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেন পূর্ণিমা।

কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি।

অভিনয়ে এখন অনিয়মিত হলেও বিনোদন অঙ্গন থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি পূর্ণিমা। তার অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ সিনেমায়।

কালের আলো/এসএ

একনেকে অনুমোদন পেল মেট্রোরেল-ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
একনেকে অনুমোদন পেল মেট্রোরেল-ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প

তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন চালু এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণসহ মোট ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত ১২ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন সাতটি এবং সংশোধিত পাঁচটি।

মেট্রোরেল প্রকল্পে বড় বরাদ্দ

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) প্রথম সংশোধনে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। জাপানের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ ছাড়া হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দার্ন রুটের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্পটির ব্যয় ১১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।

গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার অংশ পাতালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রকল্পটিতে ঋণ সহায়তা দেবে।

রেলপথ বিদ্যুতায়নে উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন চালুর প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৯৪২ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ২ হাজার ৮৮০ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

৫২ দশমিক ৩২ কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো রেলপথ বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ১০ হাজার ৫৭০ কোটি ২৯ লাখ টাকা করা হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৪ হাজার ৯৯০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বা ৮৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়েছে।

সড়ক, প্রতিরক্ষা ও পানি-বিদ্যুৎ খাতেও প্রকল্প

রাজশাহী সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কগুলো যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়ক উন্নয়নের তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে ব্যয় হবে ১ হাজার ৪৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

বরিশাল সেনানিবাস স্থাপনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে ৩৭৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। দুটি প্রকল্পেই সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে।

খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ২ হাজার ৩৩৪ কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৬০৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া বস্ত্র ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়নে ৮৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার একটি প্রকল্প এবং মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনও অনুমোদন পেয়েছে।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের অনুমোদিত আরও ১৫টি প্রকল্পের বিষয়ে একনেককে অবহিত করা হয়।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

সাম্প্রতিক কয়েক বছরের ধারা ভেঙে আইপিএল ২০২৭-এর মিনি-নিলাম ভারতের মাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে কোচিতে নিলাম আয়োজনের পর থেকে আইপিএলের নিলাম ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। দুবাই, জেদ্দা ও আবুধাবিতে হয়েছিল পরবর্তী নিলামগুলো। তবে এবার মিনি-নিলাম হওয়ায় তা আবার ভারতে ফিরছে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনুরোধও এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে নিলাম আয়োজনের ক্ষেত্রে দলগুলোর কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

তবে নিলামের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত পাঁচ তারকা হোটেল ও ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তাদের থাকার সুবিধা বিবেচনা করে শহর নির্বাচন করা হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় হোটেল পাওয়া নিয়েও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নিলামের জন্য কয়েক রাত মিলিয়ে ১০০টির বেশি কক্ষ প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে আইপিএলের আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এক মাস পর আবার বৈঠকে বসবে গভর্নিং কাউন্সিল।

এর আগে ৩০ আগস্ট বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে নিয়মটি নিয়ে মতামত চেয়েছিল। জানা গেছে, বেশিরভাগ দল নিয়মটি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে কয়েকটি দল অন্তত আরও এক মৌসুম নিয়মটি চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, কারণ তারা এই নিয়ম বিবেচনায় রেখেই দল সাজিয়েছে।

কালের আলো/এসএ