খুঁজুন
                               
, ,
           

‘ভেতরের ঝড়কে আলোর চেয়ে উজ্জ্বল হতে দিও না’: পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
‘ভেতরের ঝড়কে আলোর চেয়ে উজ্জ্বল হতে দিও না’: পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। সমসাময়িক সময়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের বিপরীতে অভিনয় করে ঢালিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন পূর্ণিমা।

বর্তমানে অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি নিয়মিত ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ করে জীবন নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন পূর্ণিমা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই। তবে নিজের ভেতরের ঝড়গুলো কখনোই তোমার বয়ে চলা আলোর থেকে বেশি উজ্জ্বল হতে দিও না।’

পূর্ণিমার এই কথায় জীবনের প্রতিকূলতার মধ্যেও ইতিবাচক থাকার বার্তা উঠে এসেছে। তার পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরাও নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই অভিনেত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন পূর্ণিমা। ১৯৯৮ সালের ১৫ মে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি।

এরপর ‘যোদ্ধা’, ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘সুলতান’, ‘পিতা-মাতার আমানত’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’, ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘বাঁধা’ ও ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেন পূর্ণিমা।

কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি।

অভিনয়ে এখন অনিয়মিত হলেও বিনোদন অঙ্গন থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি পূর্ণিমা। তার অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ সিনেমায়।

কালের আলো/এসএ

অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বেশির ভাগ অপরাধের পেছনে মাদক ও জুয়া চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরনও বদলে গেছে। বর্তমানে অনেক অপরাধ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে আধুনিক আইনি কাঠামোর পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল এবং বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, অপরাধ কেবল একটি বাহ্যিক উপসর্গ। এর মূল কারণ খুঁজে বের করে গোড়ায় আঘাত করতে হবে। বিভিন্ন অপরাধ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মাদক ও জুয়া অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি। অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি কেন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ক্রাইম রিপোর্টাররা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বা আহত সাংবাদিকদের সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে সাংবাদিকদের সনদ দেওয়ার বিষয়টিও আইনগত দিক পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরোনো আইন আধুনিকায়ন প্রয়োজন। অনলাইন জুয়া, ম্যাচ ফিক্সিং ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দুর্বল আইনের সুযোগ নিয়ে যাতে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করছে।

ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

এআই নিয়ে মানুষের ভয় যৌক্তিক: ওপেনএআই সিইও

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
এআই নিয়ে মানুষের ভয় যৌক্তিক: ওপেনএআই সিইও

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত শক্তিশালী হচ্ছে, এটি নিয়ে মানুষের ভয় পাওয়াকে যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান। একই সঙ্গে নিরাপত্তার বড় কোনো ঝুঁকি দেখা দিলে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোয় সেলসফোর্সের ড্রিমফোর্স সম্মেলনে বক্তব্য দেন অল্টম্যান। সেখানে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে বিশ্বের ভয় পাওয়া ঠিকই।’ তাঁর মতে, আগে যেসব সম্ভাব্য ক্ষতির কথা ভাবতে অনেক কল্পনার প্রয়োজন হতো, শক্তিশালী এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির কারণে এখন সেসব ঝুঁকি আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।

অল্টম্যান বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা থাকলেও এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রযুক্তির সক্ষমতার সঙ্গে নিরাপত্তাব্যবস্থা তাল মেলাতে না পারলে উন্নয়নের গতি কমানো, এমনকি প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবে থামানোর জন্যও প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এআই শিল্পকে এমনভাবে কাজ করতে হবে, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে—এমন আস্থা মানুষের মধ্যে তৈরি হয়। এ জন্য এআই নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অল্টম্যানের এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন শক্তিশালী এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রযুক্তি খাতের মধ্যেই উদ্বেগ বাড়ছে। অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই সম্প্রতি সবচেয়ে উন্নত এআই তৈরির গতি কিছুটা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে তিনি এআই গবেষণা বন্ধের কথা বলেননি। বরং স্বাধীন মূল্যায়ন, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং সরকারের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

অন্যদিকে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয়ের মত, এআই নিরাপত্তা মূলত একটি প্রকৌশলগত সমস্যা। এ জন্য নতুন আইন করার প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মনে করেন।

উন্নত এআই নিয়ন্ত্রণে সরকারি ভূমিকার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো, শক্তিশালী সরকারি মূল্যায়ন এবং নিরাপত্তায় ব্যর্থ এআই নির্মাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছে।

ফলে এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির সুফলের পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও যে আলোচনা আরও জোরালো হচ্ছে, স্যাম অল্টম্যানের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেটিই আবার সামনে এসেছে।

কালের আলো/এসএ

একনেকে অনুমোদন পেল মেট্রোরেল-ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
একনেকে অনুমোদন পেল মেট্রোরেল-ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প

তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন চালু এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণসহ মোট ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত ১২ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন সাতটি এবং সংশোধিত পাঁচটি।

মেট্রোরেল প্রকল্পে বড় বরাদ্দ

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) প্রথম সংশোধনে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। জাপানের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ ছাড়া হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দার্ন রুটের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্পটির ব্যয় ১১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।

গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার অংশ পাতালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রকল্পটিতে ঋণ সহায়তা দেবে।

রেলপথ বিদ্যুতায়নে উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন চালুর প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৯৪২ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ২ হাজার ৮৮০ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

৫২ দশমিক ৩২ কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো রেলপথ বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ১০ হাজার ৫৭০ কোটি ২৯ লাখ টাকা করা হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৪ হাজার ৯৯০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বা ৮৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়েছে।

সড়ক, প্রতিরক্ষা ও পানি-বিদ্যুৎ খাতেও প্রকল্প

রাজশাহী সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কগুলো যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়ক উন্নয়নের তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে ব্যয় হবে ১ হাজার ৪৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

বরিশাল সেনানিবাস স্থাপনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে ৩৭৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। দুটি প্রকল্পেই সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে।

খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম সংশোধনে ব্যয় ২ হাজার ৩৩৪ কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৬০৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া বস্ত্র ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়নে ৮৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার একটি প্রকল্প এবং মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনও অনুমোদন পেয়েছে।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের অনুমোদিত আরও ১৫টি প্রকল্পের বিষয়ে একনেককে অবহিত করা হয়।

কালের আলো/এম/এসআইপি