খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রযুক্তি নিরাপত্তায় বিদেশযাত্রা নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তি নিরাপত্তায় বিদেশযাত্রা নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চীনের

জাতীয় প্রযুক্তি ও শিল্প নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত নাগরিকদের বিদেশযাত্রায় নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশটির নতুন প্রবেশ ও বহির্গমন বিধি কার্যকর হয়েছে। এর ফলে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের সঙ্গে যুক্ত কিছু নাগরিকের বিদেশযাত্রা আরও কঠোর নজরদারির আওতায় আসতে পারে।

নতুন বিধি অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানকালে জাতীয় নিরাপত্তা বা স্বার্থের ক্ষতি করে বেআইনি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে চীনে ফিরে আসা নাগরিকদের ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে।

এ ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত চীনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

জুলাইয়ে এসব বিধি ঘোষণার সময় চীন জানিয়েছিল, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের মতো কর্মকাণ্ড দেশটির শিল্প ও প্রযুক্তিগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। সেই ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন বিধানগুলো কার্যকর করা হয়েছে।

চীনে সরকারি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের ব্যক্তিগত বিদেশ ভ্রমণে আগে থেকেই বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। নতুন নিয়মে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও নজরদারি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে নতুন বিধি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ‘রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ’ ও প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনার বিধান বিদেশে কাজ করা তাইওয়ানের প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাইওয়ানের মূল ভূখণ্ডবিষয়ক পরিষদের উপপ্রধান শেন ইউ-চুং দাবি করেছেন, নতুন বিধি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে চীনা কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়াবে। তবে বেইজিং এ ধরনের উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, নতুন নিয়মের মাধ্যমে তাইওয়ানের নাগরিকদের জন্য আরও ভালো আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন বিধি কার্যকরের ফলে চীনের প্রযুক্তি ও শিল্প নিরাপত্তা নীতি আরও কঠোর হলো। একই সঙ্গে প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে যুক্ত নাগরিকদের বিদেশযাত্রার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

বাগেরহাটে স্কিল আইটি পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দল

বাগেরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
বাগেরহাটে স্কিল আইটি পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দল

বাগেরহাটে লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠান স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি স্কিল আইটি পরিদর্শন করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে অবস্থিত স্কিল আইটি পরিদর্শন করেন তারা। এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, অবকাঠামো ও বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ঘুরে দেখেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নরস অ্যাডভাইজার মিস লুইস বেইনন, এশিয়া ফাউন্ডেশনের টিম লিডার সারা এল টেইলর, ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নরস অ্যাডভাইজার মিস শাহনাজ করিম, পলিটিক্যাল কাউন্সিলর মিস রোজি কুম্ব এবং রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

সভায় বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ জনবল তৈরি, বেকারত্ব হ্রাস এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কেয়ারগিভিং ও জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন, স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সেবা ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে স্কিল আইটি এর মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মোদি-শি উষ্ণতায় ভারতের পূর্ব সীমান্তে নতুন পরীক্ষা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
মোদি-শি উষ্ণতায় ভারতের পূর্ব সীমান্তে নতুন পরীক্ষা

সাত বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নয়াদিল্লি সফরে ভারত-চীন সম্পর্কে নতুন করে গতি আনার বার্তা মিলেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে দুই নেতা আলোচনা করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সম্পর্ক পুনর্গঠনের আগে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। ফলে পশ্চিম সীমান্তের লাদাখের পাশাপাশি এবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল-বিশেষ করে অরুণাচল প্রদেশ।

অমীমাংসিত পূর্ব সীমান্ত
২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চীন সম্পর্কের প্রধান সংকট হিসেবে পূর্ব লাদাখই আলোচনায় ছিল। কিন্তু সীমান্তের পূর্ব প্রান্তে বিরোধের চরিত্র আরও জটিল। চীন অরুণাচল প্রদেশের প্রায় পুরো ভূখণ্ডের ওপর দাবি করে অঞ্চলটিকে ‘জাংনান’ নামে অভিহিত করে আসছে। বিভিন্ন সময় অরুণাচলের বিভিন্ন স্থানের জন্য চীনা নামও ঘোষণা করেছে বেইজিং।

নয়াদিল্লি এসব দাবি বরাবরই প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারতের অবস্থান, অরুণাচল প্রদেশ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ যতই এগোক, অরুণাচল প্রশ্নটি দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের বড় অমীমাংসিত ইস্যু হয়ে থাকছে।

উত্তর-পূর্বে একসঙ্গে বহু স্বার্থ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্ব শুধু সীমান্ত নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ নয়। তিব্বত, আন্তঃসীমান্ত নদী, জলবায়ু পরিবর্তন, সীমান্ত অবকাঠামো এবং মিয়ানমার হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ-সবগুলো বিষয় এ অঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিশেষ করে তিব্বত মালভূমিতে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ এবং আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিপ্রবাহ নিয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে। একই সঙ্গে অরুণাচল সীমান্তে সড়ক, সেতু ও সামরিক স্থাপনা উন্নয়নের প্রতিযোগিতা দুই দেশের নিরাপত্তা হিসাবকে আরও কঠিন করে তুলছে।

সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত
শি-মোদি বৈঠকের আগে অবশ্য সম্পর্কের বরফ গলার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত ২৫ আগস্ট বেইজিংয়ে ভারত-চীন সীমান্ত ইস্যু নিয়ে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশ আট দফা ঐকমত্যে পৌঁছায়। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর বৈঠকের পর দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। অরুণাচল প্রদেশের তাকসিংকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পটভূমিতে এই যোগাযোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা এবং সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগ-দুই পথেই উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলছে।

দিল্লির সামনে কঠিন ভারসাম্য
ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তায় দৃঢ় অবস্থান ধরে রাখা। মোদির বক্তব্যে সেই দ্বৈত নীতিই স্পষ্ট হয়েছে। সম্পর্ক উন্নয়নের দরজা খোলা, কিন্তু তার চাবি সীমান্তে শান্তি। এই অবস্থায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতের সীমান্ত অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করা, দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে রাষ্ট্রের যোগাযোগ বাড়ানো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অরুণাচলেই আসল পরীক্ষা
শি জিনপিংয়ের নয়াদিল্লি সফর ভারত-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে কি না, তার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হবে সীমান্তে। আর সেই পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অরুণাচল প্রদেশ। কারণ লাদাখে উত্তেজনা কমানোর পাশাপাশি পূর্ব সীমান্তের ভূখণ্ডগত দাবি, আন্তঃসীমান্ত নদী, অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের প্রশ্নও সমাধানের পথে এগোতে হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ড্রোনে সীমান্ত পেরিয়ে মাদক আসছে, হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
ড্রোনে সীমান্ত পেরিয়ে মাদক আসছে, হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে: আইনমন্ত্রী

সীমান্তের ওপার থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক দেশে আসছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, মাদক সিন্ডিকেটের হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, মাদক কোনো ব্যবসার অংশ হতে পারে না। মাদক এখন সামাজিক ব্যাধিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কোনো নেতার পেছনে থেকে কেউ মাদক ব্যবসা করলে তাকেও সতর্ক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় গুম ও ক্রসফায়ারের মতো ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকার গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছে। গত ১৭ বছরে বিএনপি-জামায়াতকে টার্গেট করে মানুষকে ধরে নিয়ে বিনা বিচারে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক গায়েবি মামলা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব ও সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মিরাজ শেখের পরিবার যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়।

তিনি বলেন, সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনায় মিরাজ শেখের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার হয়েছিল। আইন মন্ত্রণালয়ের লিগ্যাল এইড ইউনিটের মাধ্যমে ওই পরিবারকে সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে এবং জামিনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে মামলা তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

মব জাস্টিসের বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, কাউকে জামিন দেওয়া বা না দেওয়া আদালতের বিষয়। তবে মব জাস্টিস করে জামিন ঠেকানো বা আদালতের প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগেরহাটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জেলায় কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। অভিযোগ যার বিরুদ্ধেই থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক, তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা পরিষদের প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আইনমন্ত্রী। পরে বিকেলে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জেলা-উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি