খুঁজুন
                               
, ,
           

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে পথে চরবাসী

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে পথে চরবাসী

বর্ষা-বন্যার মৌসুম শেষ হওয়ার পর কিছুটা স্বস্তিতে বছর পার করার স্বপ্ন দেখেছিলেন ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। কিন্তু অসময়ে আবারও ফুঁসে উঠেছে নদী। শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। একের পর এক বসতভিটা, ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নতুন ঠিকানার খোঁজে ছুটছেন চরবাসী।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় প্রায় এক ঘণ্টা দূরের কালির আলগা ও গোয়ালপুরী চরে চলছে ব্যাপক ভাঙন। ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা এসব চরকে তিন দিক থেকে গিলে খাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র।

ভাঙনের শিকার মাইদুল ইসলাম ঘরবাড়ির মালামাল নৌকায় তুলে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের দক্ষিণ কালির আলগা চরে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দুই মাসে প্রায় আধা কিলোমিটার জায়গা নদীতে বিলীন হয়েছে। থাকার মতো আশ্রয় না থাকায় বাধ্য হয়ে নতুন চরে যাচ্ছেন তিনি।

তবে নৌকা ভাড়া করে নতুন ঠিকানায় যাওয়ার সামর্থ্য নেই অনেক পরিবারের। গোয়ালপুরী চরে অন্তত ৫০টি পরিবার ঘর ভেঙে ফাঁকা জায়গায় রেখেছে। কেউ অস্থায়ীভাবে অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে থাকছেন, আবার কেউ অর্থ ও জমির অভাবে নতুন করে বসতি গড়তে পারছেন না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, গত দুই সপ্তাহে গোয়ালপুরী ও রলাকাটা চরে প্রায় দেড় শ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ দুটি চরে প্রায় ৩০০ পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। পাশাপাশি কালির আলগা চরে গৃহহীন হয়েছে প্রায় অর্ধশত পরিবার।

ভাঙনে গত দুই সপ্তাহে গোয়ালপুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোয়ালপুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঈদগাহ মাঠ ও একটি মাদরাসা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পরিবার সহায়তা পেলেও অনেকেই এখনো তেমন কোনো সহযোগিতা পাননি।

চরবাসী খায়রুন্নেসা বলেন, ঘর ভেঙে ফাঁকা জমিতে রেখেছেন। জমি বা টাকা কোনোটিই নেই। কোথায় যাবেন, সেটিও জানেন না। একইভাবে জেলেমন বেওয়ার দুটি ঘরের একটি অংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। ঘর দুটি ভেঙে পাশের জমিতে রেখেছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, নতুন চরে প্রতি বিঘা জমির দাম ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এই অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অনেকে টিনের চাল ও ঘরের মালামাল খোলা জায়গায় রেখে কোনোভাবে দিন কাটাচ্ছেন। কেউ মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিচ্ছেন, কেউ আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার করছেন।

কালির আলগা চরের বাসিন্দারা জানান, পুরোনো কালির আলগা থেকে প্রায় ৩০০ পরিবার দক্ষিণ কালির আলগায় চলে গেছে। তবে ঠিকানা না পাওয়ায় ২০ থেকে ২২টি পরিবার এখনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে কালির আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও।

যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, রলাকাটা, কালির আলগা ও গোয়ালপুরী ছাড়াও শিবেরপাচি, অষ্ট্রআশিসহ কয়েকটি চরে ভাঙন চলছে। অনেক পরিবার এখনো ঘর তুলতে পারেনি। ভাঙনের কারণে দিন দিন গৃহহীন মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে সাবমেরিন ক্যাবল লাইনের বিদ্যুতের খুঁটিও।

তিনি জানান, ভাঙনের শিকার কয়েকটি পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্না হক বলেন, চরাঞ্চলে নদীভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ ফেলার সুযোগ নেই। তবে ভাঙন রোধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অনেক সময় বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে কাজ করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ‘শুকরিয়া আদায়’ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আহত ও নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ রায়ে তারা শুকরিয়া আদায় করছেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আসামিদের কর্মকাণ্ডের কারণে সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ ছাত্র-জনতা নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে মামলার প্রেক্ষাপটে উল্লেখ করা হয়েছে।

পলাতক আসামিদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে অবস্থান শনাক্ত করা গেলে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

কয়েক বছর আগেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত ছিল শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট, ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। একপর্যায়ে ৫১ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয় দেশটি।

সেই সংকট কাটিয়ে এখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটি। আর এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বামপন্থি নেতা ও প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে।

দেউলিয়াত্বের পথে যেভাবে গিয়েছিল দেশটি

শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ, ২০১৯ সালের বড় ধরনের করছাড় এবং করোনা মহামারির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে মহামারির ধাক্কায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যাপকভাবে কমে যায়।

এর মধ্যে কৃষিতে হঠাৎ রাসায়নিক সার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শেষ হয়ে গেলে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ আমদানিতে দেখা দেয় তীব্র সংকট।

মূল্যস্ফীতি একপর্যায়ে ৭০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানির জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো মানুষের দুর্ভোগ দেশটির অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে।

গণআন্দোলনে বদলে যায় রাজনীতি

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক গণআন্দোলন, যা ‘আরাগলায়া’ নামে পরিচিত। বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

এরপর রনিল বিক্রমাসিংহে দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেন। তবে কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের মতো কঠোর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।

ফলে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি)।

ক্ষমতায় এসে বাস্তববাদী অর্থনীতি

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পান এনপিপির নেতা অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। পরে তার জোট পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও অর্জন করে।

বামপন্থি ও মার্কসবাদী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শুরুতে তার সরকার নিয়ে বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দিশানায়েকে আইএমএফের কর্মসূচি বাতিল না করে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। পাশাপাশি নিজের সরকারের সংস্কার কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু করেন।

কর প্রশাসন শক্তিশালী করা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার এবং দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে কিছু করছাড়ও দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে এখন বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আইএমএফের হিসাবে, ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের মার্চের শেষে দেশটির সরকারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

রাজস্ব আদায়েও রেকর্ড হয়েছে। ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কা ২ হাজার ৫৫৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন রুপি রাজস্ব সংগ্রহ করে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে বিদেশি ঋণ পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে সংকট পুরোপুরি কাটেনি

অর্থনীতির পুনরুদ্ধার হলেও শ্রীলঙ্কার সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আইএমএফের কর্মসূচির আওতায় রাজস্ব বাড়ানো ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে জনগণের ওপর কর এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ রয়েছে। দারিদ্র্য ও আয়বৈষম্যের সমস্যাও পুরোপুরি দূর হয়নি।

এ ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানির দাম, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পর্যটন খাতে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব দেশটির অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

তবু কয়েক বছর আগের দেউলিয়া অবস্থা থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড এবং ঋণ পুনর্গঠনের অগ্রগতি দেখাচ্ছে—শ্রীলঙ্কা ধীরে ধীরে সংকটের গভীর খাদ থেকে বেরিয়ে আসছে।

বামপন্থি রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও দিশানায়েকে যে বাস্তববাদী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করছেন, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহের বিষয়। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, রাজনৈতিক আদর্শের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক সংস্কারও একটি সংকটাপন্ন দেশকে পুনরুদ্ধারের পথে নিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে চীনা রাষ্ট্রদূত রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি