খুঁজুন
                               
, ,
           

সর্দি-কাশির ঘরোয়া যত্ন থেকে চিকিৎসা, জেনে নিন করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
সর্দি-কাশির ঘরোয়া যত্ন থেকে চিকিৎসা, জেনে নিন করণীয়

সর্দি-কাশি খুবই সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাইনোভাইরাসসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণে এ সমস্যা দেখা দেয়। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে।

অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী, ইএনটি, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা—সর্দি-কাশির লক্ষণ, করণীয় ও প্রতিরোধ সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন।

যেভাবে ছড়ায়

সর্দি-কাশির ভাইরাস সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়াতে পারে। এ ছাড়া ভাইরাসযুক্ত কোনো বস্তু স্পর্শ করার পর অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করলেও সংক্রমণ হতে পারে।

হাত মেলানো বা আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। ঠান্ডা বা ধুলাবালুযুক্ত পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। শীত ও বর্ষাকালে এ ধরনের সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

সাধারণ লক্ষণ

সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে—

  • নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হওয়া
  • হাঁচি, বিশেষ করে সকালে
  • গলাব্যথা বা গলা শুকিয়ে যাওয়া
  • শুকনো কিংবা কফযুক্ত কাশি
  • শরীর বা মাথাব্যথা
  • মৃদু থেকে মাঝারি জ্বর
  • চোখ লাল হওয়া বা পানি পড়া
  • ক্লান্তি ও দুর্বলতা

কখনো ভাইরাসজনিত সংক্রমণের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও যুক্ত হতে পারে।

ঘরোয়া যত্নে যা করতে পারেন

সাধারণ সর্দি-কাশি অনেক ক্ষেত্রেই ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায়। উপসর্গের সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পানি পান করা জরুরি।

গরম পানি ও লবণ দিয়ে গার্গল করলে গলাব্যথায় সাময়িক আরাম মিলতে পারে। গরম পানির ভাপ নাক বন্ধভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। মধু বা আদা কিছু মানুষের কাশিতে আরাম দিতে পারে।

তবে যেকোনো ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যক্তির বয়স, অ্যালার্জি ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ওষুধের ক্ষেত্রে সতর্কতা

জ্বর বা শরীরব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। নাক বন্ধ বা সর্দির উপসর্গের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে ওষুধ নেওয়া উচিত।

কাশি শুকনো নাকি কফযুক্ত—তার ওপর চিকিৎসার ধরনও ভিন্ন হতে পারে। তাই নিজের ইচ্ছায় একাধিক কাশির ওষুধ না খাওয়াই ভালো।

সাধারণ ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

সর্দি-কাশির সঙ্গে নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি—

  • ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি জ্বর এবং তা তিন দিনের বেশি থাকা
  • শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা
  • ঘন হলুদ বা সবুজ কফ
  • প্রচণ্ড দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • দীর্ঘদিন ধরে কাশি থাকা

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপসর্গ গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রতিরোধে যা করবেন

সর্দি-কাশির সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়া বা চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা দরকার।

আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় রুমাল বা কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ শরীর সুস্থ রাখতে সহায়ক।

কালের আলো/এসএ

প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা, ১০ দিনে এলো প্রায় ৯৯ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা, ১০ দিনে এলো প্রায় ৯৯ কোটি ডলার

দেশের প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১০ দিনে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে ৯৮ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ১৮১ কোটি টাকা।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ১০ পয়সা হিসাবে রেমিট্যান্সের এ পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে দেশে ৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। সে হিসাবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৯৫৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৫৩ কোটি ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১২ দশমিক ৩ শতাংশ।

রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকারদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার এবং বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠাতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

প্রবাসী আয়ের এ প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় প্রবাসী আয় নিয়ে ইতিবাচক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দিল্লির বিক্ষোভ নিয়ে কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য, তুললেন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
দিল্লির বিক্ষোভ নিয়ে কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য, তুললেন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে চলমান আন্দোলনের একাংশকে ‘দেশবিরোধী শক্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার ষড়যন্ত্রের অংশ এই বিক্ষোভ।

তবে আন্দোলনকারীদের মূল দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত এবং এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, দেশের সাধারণ মানুষও এখন তথাকথিত দেশবিরোধী শক্তিগুলোকে চিনতে শুরু করেছেন। তার ভাষ্য, মানুষ বুঝতে পারছেন কারা দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

কঙ্গনা বলেন, ‘দেখুন, কীভাবে মানুষ এখন এই দেশবিরোধী শক্তিগুলিকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসছেন। পুলিশকে বাদ দিলেও সাধারণ মানুষ এবার তাদের ধরে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবেন। কারণ, কারা দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে, তা মানুষ বুঝতে পারছেন।’

বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযান, আটক নিয়ে বিতর্ক

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কঙ্গনার এই মন্তব্য সামনে আসে। আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনায় বিরোধী শিবিরের কয়েকজন নেতাও পুলিশের পদক্ষেপের মুখে পড়েন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে যায়। তবে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ও পুলিশের অভিযানের বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বিক্ষোভকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করলেও নাগরিকদের দুর্ভোগ কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন কঙ্গনা। দিল্লিগামী ট্রেন বাতিল, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং যন্তর মন্তরের আশপাশে যান চলাচলে বাধার মতো পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

আগেও আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

সিজেপির আন্দোলন ঘিরে এবারই প্রথম বিতর্কিত মন্তব্য করলেন না কঙ্গনা। এর আগে জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় আন্দোলনকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।

সে সময় আন্দোলনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, ভাষা, পোশাক ও আচরণ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও এ নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।

সৌরভ দাসের সঙ্গে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ

সিজেপি নেতা সৌরভ দাসের সঙ্গেও প্রকাশ্য বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন কঙ্গনা। সৌরভের দাবি ছিল, বিজেপিসহ কোনো রাজনৈতিক দলই কঙ্গনাকে গুরুত্ব দেয় না। তার মতে, গণতন্ত্রকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা কঙ্গনার সংসদ সদস্য হিসেবে কাজের চেয়ে বেশি।

এর জবাবে সৌরভকে ‘অকর্মণ্য’ বলে আক্রমণ করেন কঙ্গনা। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী হিসেবে তাকে কী করতে হবে, সে বিষয়ে সৌরভের উপদেশ দেওয়ার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে কঙ্গনার মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। একদিকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছেন বিজেপি সাংসদ, অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত ও জবাবদিহি দাবি করছেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

কালের আলো/জেএন

পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়কে জেতানোর সুযোগ, চালু ‘ফ্যান কাপ ভোটিং’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়কে জেতানোর সুযোগ, চালু ‘ফ্যান কাপ ভোটিং’

মাঠে খেলা শুরুর আগেই শুরু হয়েছে সমর্থকদের লড়াই। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে রাখতে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিয়ে চালু হয়েছে ‘ফ্যান কাপ ভোটিং’। প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ঘিরে দর্শক ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এই উদ্যোগ নিয়েছে আয়োজকেরা।

রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে আলোচনায় আসা এই ভোটিং কার্যক্রমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়কে ভোট দিতে পারবেন সমর্থকেরা। ভোটগ্রহণ চলবে আগামী ১৩ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ভোট দিতে ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে। একটি ই-মেইল ঠিকানা থেকে দেওয়া যাবে মাত্র একটি ভোট। এ ক্ষেত্রে ই-মেইল যাচাই কিংবা পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ভোটের সর্বশেষ অবস্থান জানতে ওয়েবসাইটের ‘ফ্যান কাপ লিডারবোর্ড’ দেখার সুযোগও থাকছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক মোট ভোট, শতকরা হার এবং প্রতিদিনের ভোটের হিসাব দেখা যাবে।

২৫ অক্টোবর শুরু মাঠের লড়াই

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’। আগামী ২৫ অক্টোবর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এবিজি বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে শুরু হবে ক্রিকেট ও ফুটবলের এই প্রতিযোগিতা। ফ্লাডলাইটের আলোয় রাতে অনুষ্ঠিত হবে দুই খেলার ম্যাচগুলো।

টুর্নামেন্টে অংশ নেবে দেশের ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ), ফেয়ারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

চ্যাম্পিয়নদের জন্য ১০ লাখ টাকা

ক্রিকেট ও ফুটবলে পৃথক প্রতিযোগিতায় শিরোপার জন্য লড়বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দল। প্রতিটি খেলায় চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্সআপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন আয়োজকেরা।

পুরস্কারের পাশাপাশি পেশাদার পরিবেশে নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আয়োজকদের লক্ষ্য, তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

অধিনায়কদের নিয়ে ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’

টুর্নামেন্ট সামনে রেখে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক ইমরুল হাসান, উপদেষ্টা বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, টি স্পোর্টসের নির্বাহী পরিচালক তাসভির উল ইসলাম, অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান এবং ইকরাম হোসেন রাফি। এ ছাড়া ক্রিকেট ও ফুটবলে অংশ নিতে যাওয়া ২০টি দলের অধিনায়ক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অংশগ্রহণকারী অধিনায়কেরা জানান, পেশাদার পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের এমন সুযোগ তাঁদের জন্য গর্বের। তাঁদের মতে, এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশেও ভূমিকা রাখবে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ক্রীড়া পরিবেশ তৈরির ধারাবাহিকতায় এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি ‘ফ্যান কাপ ভোটিং’ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী ও সমর্থকদের মধ্যেও তৈরি করবে বাড়তি উন্মাদনা।

কালের আলো/জেএন