খুঁজুন
                               
, ,
           

ভবন আছে শয্যা আছে, চিকিৎসক নেই চার কেন্দ্রে

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
ভবন আছে শয্যা আছে, চিকিৎসক নেই চার কেন্দ্রে

ভবন আছে, শয্যা আছে, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও রয়েছে। চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য ডরমেটরি এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটরও স্থাপন করা হয়েছে। তবু চিকিৎসক সংকটে উদ্বোধনের আট বছর পরও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি ঝিনাইদহের চারটি ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। ফলে এসব কেন্দ্রে প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে প্রসূতি নারী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে ছুটতে হচ্ছে দূরের হাসপাতালে।

২০১৮ সালে উদ্বোধন, আট বছরেও পূর্ণাঙ্গ সেবা নেই
গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঝিনাইদহে চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কেন্দ্রগুলো ২০১৮ সালে উদ্বোধন করা হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় এখনো সেগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি।

কেন্দ্রগুলো রয়েছে শৈলকুপা উপজেলার দুধসর ও কাঁচেরকোল গ্রামে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকায় এবং কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায়। প্রতিটি কেন্দ্রে ১০টি শয্যা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে গর্ভবতী মায়েদের প্রসবকালীন সেবা, সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার এবং শিশুদের চিকিৎসা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও জনবলসংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবার সেই লক্ষ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

ভবন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত, মিলছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা
প্রতিটি কেন্দ্রের তিনতলা ভবনে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শয্যা ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি রয়েছে। চিকিৎসক ও কর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হলে ব্যবহারের জন্য রয়েছে জেনারেটর।

কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ না হওয়ায় এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো থেকে স্থানীয় জনগণ যে ধরনের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার কথা, তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে দূরের হাসপাতালে নেওয়ার ঝুঁকি ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় কাছাকাছি প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা না থাকায় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

হাসপাতাল আছে, কিন্তু ডাক্তার নেই
দুধসর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আওয়াল বলেন, এলাকার মা ও শিশুদের চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসক না থাকায় তাঁরা ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জরুরি প্রয়োজনে দূরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।

একই গ্রামের বাসিন্দা রাশিদা বেগম বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। ভবন ও শয্যা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রত্যাশিত সুবিধা পাচ্ছেন না। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে কেন্দ্রটিতে সেবার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। mকাঁচেরকোল গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে হাসপাতাল নির্মাণ করা হলেও মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছে না। দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে কেন্দ্রগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হলে এলাকার হাজারো মানুষ উপকৃত হবেন।

প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ
ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল করিম জানান, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু রাখার উদ্যোগ রয়েছে। তবে চিকিৎসক নিয়োগ না হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো সম্ভব হবে।

দ্রুত জনবল নিয়োগের দাবি স্থানীয়দের
মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চারটি কেন্দ্র পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণের চেয়ে বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করে সেবা নিশ্চিত করা এখন জরুরি। বিশেষ করে প্রসূতি নারীদের জরুরি চিকিৎসা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত করা গেলে দূরের হাসপাতালে যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত সক্ষমতা কাজে লাগাতে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ ও পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর কার্যকর উদ্যোগ চান তাঁরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

মেট্রোরেলে সংরক্ষিত আসনে বসা নিশ্চিত করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
মেট্রোরেলে সংরক্ষিত আসনে বসা নিশ্চিত করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

রাজধানীর মেট্রোরেলে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত আসনে তাদের বসা নিশ্চিত করতে তদারকি চালিয়েছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে আগারগাঁও ও শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় যাত্রীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএমটিসিএলের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে।

সংরক্ষিত আসনে বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত
অভিযানের অংশ হিসেবে মেট্রোরেলের কোচে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ‘অগ্রাধিকার আসন’ বা প্রায়োরিটি সিট তদারকি করা হয়। এসব আসনে নির্ধারিত যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেট্রোরেলের প্রতিটি কোচে শুরু থেকেই প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সুবিধার্থে অগ্রাধিকার আসন সংরক্ষিত রয়েছে। এ বিষয়ে যাত্রীদের সচেতন করতে প্রতিটি স্টেশনে নিয়মিত ঘোষণা প্রচার করা হয়।

আগারগাঁওয়ে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ
আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় ফুটপাত ও আশপাশের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা ভাসমান দোকানপাট এবং বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসব স্থাপনার কারণে যাত্রীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল বলে জানানো হয়েছে।

অভিযানের মাধ্যমে স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শাহবাগেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
এদিকে শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায়ও পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডিএমটিসিএলের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল কবিরের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে যাত্রীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা ভাসমান দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
মেট্রোরেল স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষিত আসন ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে ডিএমটিসিএলের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও,সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন মির্জা ফয়সল আমীন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা ফয়সল আমীন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেনের চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধানই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার চিত্র তুলে ধরেছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল গণনা করা হয়। পরে ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পাঁচ প্রার্থী
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন ছাড়াও নির্বাচনে ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। প্রার্থীদের প্রতীক ছিল যথাক্রমে বটগাছ, হাতপাখা ও ডাব। ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে এটি বেসরকারি ফলাফল; চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার ওপর নির্ভরশীল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গুরুত্ব

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খাদ্যশস্য দীর্ঘ সময় নিরাপদে সংরক্ষণের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেশি হয়, সেসব এলাকায় গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান পুরোনো গুদামগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বক্তব্য দেন। তাঁরা খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, গুদামের মান উন্নয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাসহ খাদ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুদামের আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি