খুঁজুন
                               
, ,
           

সাবিলা নূরকে ‘বাংলার উরফি জাভেদ’ বলছেন নেটিজেনরা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
সাবিলা নূরকে ‘বাংলার উরফি জাভেদ’ বলছেন নেটিজেনরা

ছোটপর্দায় সাফল্যের পর বড়পর্দায় তরী ভিড়িয়েছেন সাবিলা নূর। প্রথম দুই ছবি দিয়ে ক্যারিয়ারের ভিত মজবুত করেছেন। ব্যস্ত আছেন শাকিব খানের ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজে।

সব মিলিয়ে এ অভিনেত্রীর চলার পথে প্রশংসা ফুলের মতো বিছিয়ে থাকলেও এবার হচ্ছেন ট্রলের শিকার। নেটিজেনদের অনেকে তাকে ‘বাংলার উরফি জাভেদ’ বলে কটাক্ষ করছেন।

সম্প্রতি এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যান সাবিলা। সেখানকার কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছেও সামাজিক মাধ্যমে। যেখানে সাবিলার পোশাককে ভারতীয় বিতর্কিত ইনফ্লুয়েন্সার ও অভিনেত্রী উরফি জাভেদের মতো উদ্ভট বলে দাবি করছেন নেটিজেনদের অনেকে।

ফেসবুকে নাটক বিষয়ক এক গ্রুপে সাবিলার ছবি পোস্ট করে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে বাংলার উরফি জাবেদ।’ মন্তব্যের ঘরে অনেক সহমত প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আমার কাছেও তাই মনে হচ্ছে।’ তবে অনেকে আবার ভিন্নমতও পোষণ করেছেন।

এবার ঈদে মুক্তি পেয়েছে সাবিলা অভিনীত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। তানিম নূর পরিচালিত এ ছবিতে চিত্রা চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। সিনেমা হলে দর্শকরা ছবিটি দেখতে এখনও লাইন ধরছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, রাজনৈতিক চাপে কাজের অভিযোগ জামায়াতের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, রাজনৈতিক চাপে কাজের অভিযোগ জামায়াতের

স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা, নিরপেক্ষতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ে বিতর্কিত পদায়ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অযোগ্য ঘোষণার নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধিনিষেধ তৈরিতে কমিশনের রাজনৈতিক চাপ ও নির্দেশনার সামনে নতিস্বীকারের অভিযোগ এনে সংস্থাটিকে কড়া বার্তা দিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মোট ৯টি প্রস্তাব সম্বলিত একটি চিঠি হস্তান্তর করে এবং ইসির স্বাধীন সত্তা ধরে রেখে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধান প্রদত্ত বিপুল ক্ষমতার মালিক হলেও তারা সেই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার সঠিকভাবে এক্সারসাইজ বা প্রয়োগ করতে পারছে না।

ইসির সাম্প্রতিক বেশকিছু পদক্ষেপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কমিশনের অঙ্গভঙ্গি ও কাজের ধারায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তারা মারাত্মক রাজনৈতিক চাপে রয়েছে এবং চাপের মুখে পড়েই স্বাধীন সিদ্ধান্তের বদলে আজ্ঞাবহ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রসঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সরোয়ার আলমের গেজেট ও শপথের দ্রুততার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আদালতের আদেশের কপি বা বিচারপতির সিগনেচার করা নির্দেশ হাতে আসার আগেই রাজনৈতিক প্রভাবে মাত্র দুই-চার ঘণ্টার মধ্যে তড়িঘড়ি করে গেজেট জারি ও শপথের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা কমিশনের চরম অস্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক চাপের মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রমাণ দেয়।

জামায়াত নেতার বক্তব্যে কমিশনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ও আজ্ঞাবহতার প্রমাণ হিসেবে উঠে আসে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলমের প্রসঙ্গ। একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সাবেক সিনিয়র নেতা এবং বিগত নির্বাচনে সরাসরি আসন পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত কমিটির সদস্যকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর কঠোর সমালোচনা করে তিনি জানান, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পদে থাকা এমন ব্যক্তিকে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া আগামী যেকোনো নির্বাচনকে একপেশে ও পক্ষপাতমূলক করার সুনির্দিষ্ট চক্রান্ত।

জামায়াত নেতাদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের আলোচনায় ইসি কর্মকর্তারা রাজনৈতিক পরিচয় আগে না জানার অক্ষমতা প্রকাশ করলেও জামায়াত প্রতিনিধি দল সাফ জানিয়ে দেয় যে, একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কমিশন ইচ্ছা করলেই এই বিতর্কিত রাজনৈতিক নিয়োগ গ্রহণে অসম্মতি জানাতে বা বাতিল করতে পারত।

ইসির নিরপেক্ষতা ও জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অপর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি হলো এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা সংক্রান্ত সুপারিশ। জামায়াত নেতারা এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে চরম বৈষম্যমূলক ও সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা শিক্ষকরা যদি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য না হন তবে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে তারা কেন প্রার্থী হতে পারবেন না। দীর্ঘদিনের সুসংগঠিত লোকাল গভর্নমেন্ট নির্বাচনের সংস্কৃতি ভেঙে কোনো স্টেকহোল্ডার বা রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপ ছাড়াই কেন ইসি এমন শিক্ষকবিরোধী নীতি তৈরি করে সরকারের বিচার-বিবেচনার জন্য পাঠাল, তা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। কমিশন অবশ্য বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ইসি বৈঠকে এটি পুনর্মূল্যায়ন ও পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের সূচি ও তারিখ ঘোষণা নিয়ে কমিশনের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে দলটি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত, সময়সূচি বা দিনক্ষণ নির্ধারণের একমাত্র আইনগত এখতিয়ার যে নির্বাচন কমিশনের, তা মনে করিয়ে দিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, কমিশন নিজের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন না করায় প্রতিদিন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীরা একেক রকম তারিখ বা মাস ঘোষণা করছেন। সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের এই বেআইনি হস্তক্ষেপ বন্ধ করে ইসির নিজস্ব ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করার তাগিদ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ হওয়া কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা পদ-পদবিধারীদের ব্যক্তি পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বন্ধ করা, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় সুবিধাজনক রাজনৈতিক পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের প্রার্থিতার অযোগ্য ঘোষণা করা। নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীদের সরাসরি প্রভাব বিস্তার বন্ধে কঠোর বিধিনিষেধ জারির আনুষ্ঠানিক দাবি জানান জামায়াত প্রতিনিধিরা।

রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যান্য সাম্প্রতিক বিষয়ের অবতারণা করে জামায়াত সেক্রেটারি সম্প্রতি দল থেকে বহিষ্কৃত এক সংসদ সদস্যের পদ থাকা না থাকার ইস্যুটিকে পুরোপুরি সাংবিধানিক জটিলতা বলে উল্লেখ করেন এবং এ সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দেন। তিনি জানান, ব্যক্তির কোনো অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে, যা চূড়ান্ত।

একই সঙ্গে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের পারিবারিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বাড়িতে হামলা ও পরিবারকে হেনস্তা করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাল্পনিক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে গণমাধ্যমকে প্রকৃত সত্য উন্মোচনের আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

কালের আলো/এসএকে

আসামের বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে এলেন সালমান খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
আসামের বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে এলেন সালমান খান

আসামের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড তারকা সালমান খান। মুম্বাইতে নতুন সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেও আসামের স্থানীয় ফ্যান ক্লাবের মাধ্যমে বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্যদ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন এই অভিনেতা।

ভারতীয় গণমাধ্যম মিড-ডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সালমান খান তার দাতব্য সংস্থা ‘বীইং হিউম্যান’-এর মাধ্যমে ‘সালমান খান ফ্যান ক্লাব আসাম’-এর সাথে সমন্বয় করে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার জন্য তিন পর্বের একটি বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে তাঁর সংস্থা।

অন্যদিকে, আসামের সাম্প্রতিক এই চরম বিপদে সাধারণ মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পাপন। গত ২৫ জুলাই তিনি একটি বিশেষ লাইভ ইনস্টাগ্রাম চ্যারিটি কনসার্টের আয়োজন করেন। এই কনসার্টে পাপনের সাথে যোগ দেন জনপ্রিয় সুরকার ও গায়ক বিশাল দাদলানি, দিব্যা কুমার এবং নীলতপল বোরা। কনসার্টটি থেকে সংগৃহীত অর্থ ও সহায়তার মাধ্যমে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তারা।

কালের আলো/এসএ

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৩, উদ্ধার মাদক-স্বর্ণালংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৩, উদ্ধার মাদক-স্বর্ণালংকার

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাই মালামাল। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ বিভাগ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে মিরপুর বিভাগ কর্তৃক সর্বোচ্চ ১২২ জন এবং মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৭৪ জন, উত্তরা বিভাগে ৬৯ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪১ জন, গুলশান বিভাগে ৩৮ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৫ জন, রমনা বিভাগে ৩৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে ১০৭ কেজি গাঁজা, ২৫ পিস ইয়াবা, ৮ ভরি ১৩ আনা ৫ রতি ওজনের বিভিন্ন স্বর্ণালংকার, ৯টি মোবাইল ফোন এবং ২টি পুরাতন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অভিযানকালে অপহৃত একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসএকে