খুঁজুন
                               
, ,
           

বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

বাজেট আসে বাজেট যায়, কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন,  দীর্ঘ সময় ধরে বাজেট পর্যবেক্ষণ করলেও এর কাঠামোয় কোনো মৌলিক পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজেটের কার্যকারিতা নির্ভর করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নৈতিক ভিত্তির ওপর। তার মতে, নৈতিকতা ছাড়া জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ অর্জন সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ‘শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি, দেওয়ান সালাহ উদ্দিন বাবু এমপি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসির, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন এমপি, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং একটি সমন্বিত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বাজেট এলেই জনগণের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। দেশের জন্য এখন প্রয়োজন শুধু সংখ্যাগত শিক্ষা নয়, বরং মানসম্মত শিক্ষা। শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তি জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক মানুষের মৌলিক জ্ঞান থাকা জরুরি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বলা হলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের অতিরিক্ত খরচ থাকে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবই ও ফি-নির্ভর না করে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী হওয়া উচিত। বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও মূলধারার শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। এই দুই ধারাকে একীভূত করে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।

অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। তিনি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে অন্তত ২০ শতাংশ করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি দেশে ধরে রাখতে হলে শিক্ষক, গবেষক ও পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাখাতে দলীয় প্রভাব ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্বলতা পুরো ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটি সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখনও ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণার প্রভাব থেকে বের হতে পারেনি। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নৈতিক মানুষ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং দক্ষ জনশক্তিও যথাযথভাবে তৈরি করতে পারছে না, যার ফলে বেকারত্ব ও সামাজিক সমস্যা বাড়ছে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম, যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া সমাজে স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যাতে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন করা যায়।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষা মানুষের সক্ষমতা বাড়ায়, তবে এর সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও মত দেন এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সামগ্রিকভাবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং একটি কার্যকর জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো তারা গল্প করছেন, কখনো রেস্টুরেন্টে নিজের হাতে তরুণকে খাবার খাইয়ে দিতে দেখা গেছে।

টিকটক থেকে এ ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তখন ভিডিওর যুবকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়েও নানা চর্চা হওয়া এবং চারদিকে গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।

সেই ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও ঘটনার এক সপ্তাহ পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কেয়া পায়েলের।

এদিকে এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী; যা নিয়ে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নিজের নতুন একটি ছবি পোস্ট করে একটি রহস্যময় ক্যাপশন দিয়েছেন। কেয়া পায়েল লিখেছেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে এ ক্যাপশন দেন কেয়া পায়েল। নিজের লাস্যময়ী ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশন মুহূর্তেই নজর কাড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের। তারা সঙ্গে সঙ্গে নানা মন্তব্য শুরু করেন।

তবে নেটিজেনদের অধিকাংশের মন্তব্যই একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে―কদিন আগের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা যুবকই কি তাহলে কেয়া পায়েলের প্রথম ভালোবাসা, নাকি অন্য কেউ? কারও কারও মতে, অভিনেত্রীর সেই প্রথম ভালোবাসার মানুষটিই বা কে। তবে নানা মন্তব্য থাকলেও কোনো পাল্টা জবাব বা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি ছোটপর্দার এই তারকাকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলে কানাডা ও বাংলাদেশের সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার কানাডা হাইকমিশন এক বার্তায় এসব তথ্য জানায়।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনীর বিমান চলাচল, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তার জন্য সেনাপ্রধানকে ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরা হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহায়তায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ (৭ জুলাই) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে মিশরের মোহাম্মদ সালাহর দল।

এই মহারণকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন মহা তুঙ্গে। কে জিতবে এই তর্কে উত্তপ্ত মাঠের লড়াই শুরুর আগেই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের সম্ভাব্য একটি পূর্বাভাস দিয়েছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিখ্যাত সংস্থা অপ্টা।

অপ্টার সুপারকম্পিউটার ম্যাচটি নিয়ে প্রায় ২৫ হাজারবার কৃত্রিম বিশ্লেষণ (সিমুলেশন) চালিয়ে জানিয়েছে, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টাইনদের জয়ের সম্ভাবনা ৬৮.১ শতাংশ। বিপরীতে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে। শেষ ষোলোতে আসা মিশরের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.৩ শতাংশ। আর ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ১৮.৫ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখলেও নকআউটের মঞ্চে যেকোনো অঘটন ঘটাতে প্রস্তুত সালাহ-বাহিনী। তা ছাড়া দুই দলই আগের রাউন্ডে চরম পরীক্ষা দিয়ে এসেছে।

আর্জেন্টিনা যেখানে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পায়, সেখানে মিশর ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি