খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিসেম্বরের রাজপথে কী অপেক্ষা করছে?

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
ডিসেম্বরের রাজপথে কী অপেক্ষা করছে?

রাজনীতির ক্যালেন্ডারে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়টিকে আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। কিন্তু আসল পরীক্ষা হতে পারে আগামী ডিসেম্বর। কারণ তিন মাসের ধারাবাহিক রাজপথের কর্মসূচি যখন সরকারের ওপর চাপ বাড়াবে, ঠিক তখনই সামনে আসবে ওসমান হাদি হত্যার বিচার এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের মতো স্পর্শকাতর ইস্যু। ফলে বছরের শেষ মাসটিই হয়ে উঠতে পারে রাজনীতির সবচেয়ে উত্তপ্ত অধ্যায়।

রাজপথে ১১ দল
আন্দোলনের গতি ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ১১ দল। ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ করেছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর এবং ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়া পর্যন্ত লংমার্চের কর্মসূচি রয়েছে। এরপর ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত হবে রেলযাত্রা।

সবশেষে ১৪ নভেম্বর রাজধানীতে বড় মহাসমাবেশের আয়োজন করা হবে। ওই সমাবেশে অন্তত ১০ লাখ মানুষের জমায়েতের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। শুধু রাজধানী নয়, জেলা-উপজেলা পর্যায়েও কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। জোটটির ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনস্বার্থের বিষয়।

জোটের নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, নভেম্বরের মহাসমাবেশকে তারা আন্দোলনের শেষ ধাপ হিসেবে দেখছেন না। বরং সেখান থেকে সরকারকে চূড়ান্ত বার্তা দিয়ে দাবি আদায়ে ডিসেম্বর থেকে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

হাদি হত্যার বিচারেও রাজপথে নামার প্রস্তুতি
এই আন্দোলনের বাইরে ডিসেম্বরেই আলাদা একটি ইস্যু রাজপথ উত্তপ্ত করতে পারে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ১৮ ডিসেম্বর শাহবাগে বড় সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের জানিয়েছেন, হাদির শাহাদাতবার্ষিকীতে লাখো মানুষের সমাবেশ করা হবে। ফলে ১১ দলের আন্দোলনের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি এ কর্মসূচিও রাজধানীর রাজনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

ডিসেম্বর ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
রাজনীতির সমীকরণ আরও জটিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘিরে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। পলাতক নেতাকর্মীদের নিয়ে ফেরার পাশাপাশি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের কথাও বলেছেন তিনি।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ডিসেম্বরকে সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল এবং সংগঠনের উপস্থিতি জানান দেওয়ার তৎপরতার কথাও জানা যাচ্ছে। সম্ভাব্য নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিও বাড়ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তিন স্রোত মিললে রাজপথ কতটা উত্তপ্ত হবে?
এখানেই ডিসেম্বরের রাজনীতির সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। একদিকে ১১ দলের ধারাবাহিক আন্দোলন, অন্যদিকে ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে কর্মসূচি; এর সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতা—তিনটি পৃথক রাজনৈতিক স্রোত একই সময়ে রাজপথে এলে পরিস্থিতির ওপর চাপ বাড়বে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ইতিমধ্যে বলেছেন, গণরায়ের বাস্তবায়নে সরকার বাধা দিলে রাজপথেই চূড়ান্ত মীমাংসা হবে। ১১ দলের মুখপাত্র হামিদুর রহমান আযাদের অভিযোগ, গণভোটে দেওয়া রায় সরকার বাস্তবায়ন করেনি।

কালের আলো/এম/এএইচ

৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ‘শুকরিয়া আদায়’ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আহত ও নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ রায়ে তারা শুকরিয়া আদায় করছেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আসামিদের কর্মকাণ্ডের কারণে সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ ছাত্র-জনতা নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে মামলার প্রেক্ষাপটে উল্লেখ করা হয়েছে।

পলাতক আসামিদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে অবস্থান শনাক্ত করা গেলে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

কয়েক বছর আগেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত ছিল শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট, ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। একপর্যায়ে ৫১ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয় দেশটি।

সেই সংকট কাটিয়ে এখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটি। আর এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বামপন্থি নেতা ও প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে।

দেউলিয়াত্বের পথে যেভাবে গিয়েছিল দেশটি

শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ, ২০১৯ সালের বড় ধরনের করছাড় এবং করোনা মহামারির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে মহামারির ধাক্কায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যাপকভাবে কমে যায়।

এর মধ্যে কৃষিতে হঠাৎ রাসায়নিক সার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শেষ হয়ে গেলে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ আমদানিতে দেখা দেয় তীব্র সংকট।

মূল্যস্ফীতি একপর্যায়ে ৭০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানির জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো মানুষের দুর্ভোগ দেশটির অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে।

গণআন্দোলনে বদলে যায় রাজনীতি

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক গণআন্দোলন, যা ‘আরাগলায়া’ নামে পরিচিত। বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

এরপর রনিল বিক্রমাসিংহে দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেন। তবে কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের মতো কঠোর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।

ফলে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি)।

ক্ষমতায় এসে বাস্তববাদী অর্থনীতি

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পান এনপিপির নেতা অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। পরে তার জোট পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও অর্জন করে।

বামপন্থি ও মার্কসবাদী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শুরুতে তার সরকার নিয়ে বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দিশানায়েকে আইএমএফের কর্মসূচি বাতিল না করে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। পাশাপাশি নিজের সরকারের সংস্কার কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু করেন।

কর প্রশাসন শক্তিশালী করা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার এবং দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে কিছু করছাড়ও দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে এখন বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আইএমএফের হিসাবে, ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের মার্চের শেষে দেশটির সরকারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

রাজস্ব আদায়েও রেকর্ড হয়েছে। ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কা ২ হাজার ৫৫৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন রুপি রাজস্ব সংগ্রহ করে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে বিদেশি ঋণ পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে সংকট পুরোপুরি কাটেনি

অর্থনীতির পুনরুদ্ধার হলেও শ্রীলঙ্কার সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আইএমএফের কর্মসূচির আওতায় রাজস্ব বাড়ানো ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে জনগণের ওপর কর এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ রয়েছে। দারিদ্র্য ও আয়বৈষম্যের সমস্যাও পুরোপুরি দূর হয়নি।

এ ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানির দাম, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পর্যটন খাতে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব দেশটির অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

তবু কয়েক বছর আগের দেউলিয়া অবস্থা থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড এবং ঋণ পুনর্গঠনের অগ্রগতি দেখাচ্ছে—শ্রীলঙ্কা ধীরে ধীরে সংকটের গভীর খাদ থেকে বেরিয়ে আসছে।

বামপন্থি রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও দিশানায়েকে যে বাস্তববাদী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করছেন, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহের বিষয়। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, রাজনৈতিক আদর্শের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক সংস্কারও একটি সংকটাপন্ন দেশকে পুনরুদ্ধারের পথে নিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে চীনা রাষ্ট্রদূত রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি