খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি বলেন, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি করপোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। মশার লার্ভা যেখানে জন্ম নেয়, সেসব স্থান চিহ্নিত করে পানি জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্প্রে এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভায় স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ১৩টি সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ১১টি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারাও ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।

কালের আলো/এমএসআইপি

৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ‘শুকরিয়া আদায়’ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আহত ও নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ রায়ে তারা শুকরিয়া আদায় করছেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আসামিদের কর্মকাণ্ডের কারণে সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ ছাত্র-জনতা নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে মামলার প্রেক্ষাপটে উল্লেখ করা হয়েছে।

পলাতক আসামিদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে অবস্থান শনাক্ত করা গেলে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

কয়েক বছর আগেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত ছিল শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট, ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। একপর্যায়ে ৫১ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয় দেশটি।

সেই সংকট কাটিয়ে এখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটি। আর এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বামপন্থি নেতা ও প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে।

দেউলিয়াত্বের পথে যেভাবে গিয়েছিল দেশটি

শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ, ২০১৯ সালের বড় ধরনের করছাড় এবং করোনা মহামারির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে মহামারির ধাক্কায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যাপকভাবে কমে যায়।

এর মধ্যে কৃষিতে হঠাৎ রাসায়নিক সার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শেষ হয়ে গেলে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ আমদানিতে দেখা দেয় তীব্র সংকট।

মূল্যস্ফীতি একপর্যায়ে ৭০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানির জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো মানুষের দুর্ভোগ দেশটির অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে।

গণআন্দোলনে বদলে যায় রাজনীতি

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক গণআন্দোলন, যা ‘আরাগলায়া’ নামে পরিচিত। বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

এরপর রনিল বিক্রমাসিংহে দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেন। তবে কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের মতো কঠোর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।

ফলে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি)।

ক্ষমতায় এসে বাস্তববাদী অর্থনীতি

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পান এনপিপির নেতা অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। পরে তার জোট পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও অর্জন করে।

বামপন্থি ও মার্কসবাদী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শুরুতে তার সরকার নিয়ে বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দিশানায়েকে আইএমএফের কর্মসূচি বাতিল না করে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। পাশাপাশি নিজের সরকারের সংস্কার কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু করেন।

কর প্রশাসন শক্তিশালী করা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার এবং দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে কিছু করছাড়ও দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে এখন বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আইএমএফের হিসাবে, ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের মার্চের শেষে দেশটির সরকারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

রাজস্ব আদায়েও রেকর্ড হয়েছে। ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কা ২ হাজার ৫৫৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন রুপি রাজস্ব সংগ্রহ করে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে বিদেশি ঋণ পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে সংকট পুরোপুরি কাটেনি

অর্থনীতির পুনরুদ্ধার হলেও শ্রীলঙ্কার সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আইএমএফের কর্মসূচির আওতায় রাজস্ব বাড়ানো ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে জনগণের ওপর কর এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ রয়েছে। দারিদ্র্য ও আয়বৈষম্যের সমস্যাও পুরোপুরি দূর হয়নি।

এ ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানির দাম, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পর্যটন খাতে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব দেশটির অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

তবু কয়েক বছর আগের দেউলিয়া অবস্থা থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড এবং ঋণ পুনর্গঠনের অগ্রগতি দেখাচ্ছে—শ্রীলঙ্কা ধীরে ধীরে সংকটের গভীর খাদ থেকে বেরিয়ে আসছে।

বামপন্থি রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও দিশানায়েকে যে বাস্তববাদী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করছেন, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহের বিষয়। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, রাজনৈতিক আদর্শের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক সংস্কারও একটি সংকটাপন্ন দেশকে পুনরুদ্ধারের পথে নিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে চীনা রাষ্ট্রদূত রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি