খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিসিবিতে মাথাচাড়া দিচ্ছে ‘নব্য ফ্যাসিস্টরা’, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র দেখছেন ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে মাথাচাড়া দিচ্ছে ‘নব্য ফ্যাসিস্টরা’, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র দেখছেন ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হতে আরও দেড় মাস সময় বাকী। এর মধ্যেই নয় মাসে দুইবার সভাপতি পদে পরিবর্তন এসেছে। এখন দায়িত্বে আছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি নিজেও ঘোষণা দিয়েছেন, মেয়াদ শেষে নির্বাচন আয়োজন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। তবে বিসিবি নির্বাচনের পরিবর্তে অ্যাডহক কমিটি গঠনের গুঞ্জনে উদ্বিগ্ন ঢাকার ক্লাব সংগঠকেরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর বিসিবির মিডিয়া সেন্টারে ‘ঢাকা ক্রিকেট ক্লাব অর্গানাইজেশন অ্যাসোসিয়েশন’ ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে ৭৬ ক্লাবের সংগঠকেরা দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান। নতুন এই ক্লাব সংগঠনের আহ্বায়ক ও বিসিবির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন- ‘কোনো অ্যাডহক কমিটি মেনে নেওয়া হবে না। অক্টোবরের শুরুতেই গঠনতন্ত্র মেনে নির্বাচন দিতে হবে। প্রয়োজনে নতুন পরিচালনা কমিটি পরে সংশোধনী আনবে।’

সংগঠনের সভাপতি ও বিসিবির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘অক্টোবরের প্রথম দিকে বিসিবি নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’ ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা বলেন, ‘সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় দেশের ক্রিকেট সংগঠকদের সম্মানহানি করা হয়েছে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হোসেন বলেন, বিসিবিতে ‘নব্য ফ্যাসিস্ট’রা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিসিবির আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে চক্রান্ত হচ্ছে। সংগঠকদের নানাভাবে অসম্মান করা হচ্ছে।’ পরে এক প্রশ্নের জবাবে সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, বিসিবির নির্বাচন ঘিরে ক্রিকেটকে কলুষিত করার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, ‘সাম্প্রতিককালে আমরা জানতে পেরেছি যে অ্যাডহক কমিটি করে বোর্ড পরিচালনার একটি পরিকল্পনা চলছে। এখানে আমি বলব যে, আইসিসির নিয়মে কিংবা বিসিবির যে গঠনতন্ত্র আছে সেখানে কি পরিস্থিতিতে অ্যাডহক কমিটি, সেটা উল্লেখ করা আছে। এ ধরনের কোনো সুযোগ আছে কি না আমার জানা নেই। অ্যাডহক কমিটি করতে কোনো ধরনের পরিবেশ, পরিস্থিতি তৈরি হলে করা যেতে পারে। এখন কি সেই পরিবেশ আছে? অবশ্যই নেই। এখন একটি সুন্দর নির্বাচন দরকার। যারা অ্যাডহক কমিটির পরিকল্পনা করছে তারাই ষড়যন্ত্র করছে, ক্রিকেটকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে।’

ক্রিকেট সংগঠকদের কে কীভাবে অসম্মান করল, সে প্রশ্নে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি নাম বলতে চাই না, তবে আপনারা দেখেছেন, একজন সংগঠকের ব্যক্তিগত কিছু বিষয় সামনে এনে তাঁকে অসম্মানিত করা হচ্ছে। তাঁর ক্রিকেট সংগঠক পরিচয়ের সঙ্গে এগুলো মেলানো উচিত নয়। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা ক্রিকেটের ভালো চায় না।’

তিনি কারও নাম উল্লেখ না করলেও এটা স্পষ্ট সম্প্রতি দেশের ক্রিকেটের ঝানু সংগঠক, ক্রিকেট বোর্ডের গ্রাউন্ডস কমিটি এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাহবুব আনামকে জড়িয়ে স্বার্থান্বেষী একটি পক্ষ তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়াদি সামনে নিয়ে নোংরামি শুরু করেছে। টানা দুই যুগ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই জ্যেষ্ঠ পরিচালক আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কখনও কোন ইঙ্গিত না দিলেও তাকেই প্রধান প্রতিপক্ষ ধরে সুযোগ-সন্ধানী ওই বিশেষ মহলটি মাহবুব আনাম ও তার স্ত্রীর ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে বাড়ি কেনার ঘটনাকে পরিকল্পিতভাবে সামনে এনে অপপ্রচার চালায়। অথচ ২০১৬ সালেই তিনি এই ঘটনাটি বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিক্লেয়ার করেন। ক্রিকেটে তাঁর অবদান ও ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের মধ্যে তার সুবিশাল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়তে শুরু করে সেই চেনা পক্ষটি। এতে ক্ষুব্ধ হয়েই আসন্ন বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেন মাহবুব আনাম।

‘ঢাকা ক্রিকেট ক্লাব অর্গানাইজেশন অ্যাসোসিয়েশন’ এর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দক্ষ ক্রিকেট সংগঠক মাহবুব আনামের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হোসেন এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমার মনে হয় না, কারোরই ওনার (মাহবুব আনাম) সঙ্গে কাজ করতে কোনো অস্বস্তি আছে। ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে ওনার তুলনা হয় না।’

বিসিবির আগামী নির্বাচন বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুসারে হতে হবে বলে দাবি ক্লাব সংগঠকদের। তাঁরা বলেন, গঠনতন্ত্রে যদি কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়, সেটি পরে বার্ষিক সভা বা বিশেষ সভা ডেকে করতে হবে। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি নিয়ে সংগঠনের সভাপতি রফিকুলের মন্তব্য, ‘অ্যাডহক কমিটিগুলো থেকে যোগ্য অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিবির কাউন্সিলর অ্যাডহক কমিটি থেকেই আসতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। আশা করি, যোগ্যরাই বিসিবির কাউন্সিলর হবেন।’

কালের আলো/আরআই/এমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি