খুঁজুন
                               
, ,
           

জামায়াত আমিরের চিঠি

নিজের উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
নিজের উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দিতে

নিজের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পদায়নের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান রহমান। গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলীয় নেতার দফতর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠিটি পাঠানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিরোধী দলীয় নেতার অনুরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামায়াত আমির মনে করেন, তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টাকে পদায়নের মাধ্যমে বিরোধী দলীয়দের ‘পররাষ্ট্রনীতিসমূহ’ সরকারের কাছে উপস্থাপন–পর্যালোচনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ‘ভারসাম্য’ রক্ষা করা যাবে।

যদিও সাবেক একাধিক পররাষ্ট্র সচিবসহ পেশাদার কূটনীতিকরা বলছেন, বাংলাদেশে এমন পদায়ন কখনো হয়নি। এ অঞ্চলের দেশগুলোতেও এমন পদায়ন হয়েছে বলে শোনা যায় না।

তারা আরও বলছেন, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা অনেক দেশে ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে বিরোধী দল ভূমিকা রাখে। প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশে বড় সংকট কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে সব দল একসঙ্গে কাজ করার নজির রয়েছে।

সাবেক ও বর্তমান কূটনীতিকদের মতে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে কাজের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা এবং সমন্বয়ের ব্যাপার থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ, সরকারের অগ্রাধিকার এবং ক্ষমতাসীন দলের আগ্রহ—এই তিন বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্ব পালন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এমন প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলের কাউকে মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হলে জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ বিষয়ে জামায়াত আমিরের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, চিঠির বিষয়ে মাহমুদুল হাসান জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে অবহিত করেছিলেন। আমির সেখানে মৌখিক সম্মতিও দিয়েছিলেন। তবে মন্ত্রির পদমর্যাদা অংশটুকুতে জামায়াত আমিরের সম্মতি ছিল না।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে শফিকুর রহমান এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে কথা বলেন। পরবর্তীতে মাহমুদুল হাসানকে বাদ দিয়ে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমকে জামায়াত আমিরের নতুন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। বিষয়টি পররাষ্ট্র সচিবকে জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মূলধারার রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে তার দক্ষতা ও পেশাদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অধ্যাপক হাসান জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে বাংলাদেশ তথা রাষ্ট্রের জন্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিচক্ষণতার সঙ্গে জোরদার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তার মতে, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে পদায়নের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয়দের ‘পররাষ্ট্রনীতিসমূহ’ বাংলাদেশ সরকারের কাছে উপস্থাপন–পর্যালোচনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য করা যাবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জামায়াত আমির আরও লিখেছেন, ‘ভূরাজনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতি একসঙ্গে পরিচালনার জন্য পদায়নটি সরকারের কাছে বিবেচনার জন্য সুপারিশ করছি।’

কালের আলো/এসএম/এএএন

বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ কাজে ব্যয় হবে ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকা।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রস্তাবনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) বাস্তবায়নাধীন জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের জোন-২এ এবং জোন-২বি এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির অর্থায়ন করা হচ্ছে সরকারি অর্থ (জিওবি) এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায়।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি দরপত্রকে কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী, রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, ঢাকা-কে ভ্যাট ও করসহ মোট ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকায় কাজটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

চুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশন, দুটি ২০/২৮ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন পাওয়ার ট্রান্সফরমার এবং ৯ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভি ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক কেবল লাইন স্থাপন করা হবে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন থেকে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

Oplus_131072

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা আবারও আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে হয়তো তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবে। কিন্তু, তার সেই তো অধিকার তো আছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।

শেখ হাসিনার কাছে পাসপোর্ট নেই, এ অবস্থায় তিনি এলে কীভাবে আসবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি তার প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।

এরপর মো. আসাদুজ্জামানকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের আইডিয়া পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশ্ন এসেছিল যে, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। তো ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর আমার নেক্সট অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে, গত অধিবেশন শেষ হওয়া থেকে আগামী অধিবেশন পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে আমার ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুইটা টাইম যেহেতু ম্যাচ করছে, আমি সে কারণে বলছি বিশেষ অধিবেশনের আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। যদি সরকার মনে করে, নিশ্চয়ই ডাকতে পারেন।

কালের আলো/এসএকে

নতুন সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে বাঁধন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
নতুন সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে বাঁধন

ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজোন্তি বিভাগে জায়গা পাওয়া ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর সুখবরের মধ্যেই নতুন সিনেমার ঘোষণা দিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি অভিনয় করতে যাচ্ছেন পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি-তে। ছবিতে একজন আইনজীবীর চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

বুধবার বাঁধন জানান, নির্মাতার সঙ্গে তার প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং গল্প পছন্দ হওয়ায় তিনি ছবিটিতে কাজ করতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। আগামী আগস্টের প্রথম সপ্তাহে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন সিনেমা প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, “আমাকে যেভাবে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেটি আমার খুব ভালো লেগেছে। পরিচালক বলেছেন, ‘ম্যাডাম, আপনিই আমাদের সিনেমার হিরো।’ একজন শিল্পীকে সম্মান ও যথাযথ মূল্যায়ন করার বিষয়টিই আমাকে কাজটি করতে আগ্রহী করেছে।”

পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল এর আগে ‘কিল হিম’, ‘ডেড বডি’ ও ‘রিভেঞ্জ’ নির্মাণ করেছেন। তার নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ আবর্তিত হয়েছে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার বাস্তবতাকে ঘিরে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন যৌনকর্মী, যিনি অন্যায়ভাবে ক্ষমতার শিকার হন। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নারীকেন্দ্রিক সিনেমা এবং এতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না।

ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন কলকাতার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। এছাড়া অভিনয় করবেন রোজিনা, আমিন খান, আশীষ খন্দকার এবং আজমেরী হক বাঁধন।

নতুন সিনেমা নিয়ে বাঁধন বলেন, “সব সময় ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ বা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর মতো গল্প পাওয়া সম্ভব নয়। অভিনয় আমার পেশা। তাই আমি বিভিন্ন ধরনের গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে চাই। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজের বহুমাত্রিক সক্ষমতাও তুলে ধরতে চাই।”

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ডিসেম্বর থেকে ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে।

কালের আলো/এসএ