খুঁজুন
                               
, ,
           

খাল খননে সুফলভোগী হবে হতদরিদ্ররা: ত্রাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
খাল খননে সুফলভোগী হবে হতদরিদ্ররা: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলতি বছর ১৫শত কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। ৫ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খালগুলো খনন হলে যে বনায়ন করা হবে যার সুফলভোগী হবেন স্থানীয় হতদরিদ্ররা। তারা পানির মাছ ও বনায়নের লভ্যাংশ ভোগ করবেন। খালের উপরিভাগের পানিতে হবে কৃষি কাজ, মাছ চাষ ও পাড়ে বনায়ন করে দৃষ্টিনন্দন করা হবে।

বুধবার (১৮) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের বড়ুয়া খাল খননের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতাহার ছিল, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। সেই ইশতাহার বাস্তবায়নে সরকার ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে খাল কাটা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। তার উদ্বোধনের মাধ্যমে সারা দেশে খাল খনন শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে এ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি নিজে সারা দেশে ঘুরে খাল খনন করেন। এটি মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রকল্প। এসময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/ এএএন 

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, সর্বত্র উৎসবের আমেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, সর্বত্র উৎসবের আমেজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী সফরে কক্সবাজারের মহেশখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে প্রথমে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে যাবেন সরকারপ্রধান। সাড়ে ১০টার দিকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।

সেখান থেকে দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন স্থানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ত্রাণ বিতরণ ও ১০০ গৃহহারা পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেবেন।

সেখান থেকে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন। সেখানে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। পরে মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান।

বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিরতি নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলের অডিটরিয়ামে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশে চট্টগ্রাম ত্যাগ করবেন তারেক রহমান।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চট্টগ্রাম বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তাকে বরণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কক্সবাজারেও অন্যরকম আমেজ কাজ করছে। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।

বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘রোববার চট্টগ্রামে দলীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির। যেটি আবার দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চট্টগ্রামে তারেক রহমানের প্রথম সাংগঠনিক সভা।

তাই দলের নেতাকর্মীদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ এই সফর ও সভাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা গেছে উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ। আমার মনে হয় দু‘দিন ধরে তারা ঘুমোচ্ছে না। একটা সাজ সাজ রব পড়ে গেছে পুরা চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ, মহানগর সব জায়গায়।’

তৃণমূলের সংগঠকদের মূল্যায়ন করার এই উদ্যোগ পুরো দলকে পুনরুজ্জীবিত ও নতুন গতিতে চাঙ্গা করে তুলবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাও।

তাদের মতে, সাংগঠনিক সভায় তিন সাংগঠনিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী ১১টি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। অবশ্য উত্তর জেলায় সাংগঠনিক কমিটি নেই। উত্তরের আওতাধীন উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।

দলীয় সূত্র জানায়, গত ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ২৪ জানুয়ারি তিনি চট্টগ্রাম আসেন। পরদিন পলোগ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য দেন। এর আগে ২০০৫ সালে দুইবার চট্টগ্রাম এসেছেন তারেক রহমান। ওই বছরের ৬ মে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের জন্য ভোট চেয়ে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এর প্রায় তিন মাস পর একই বছরের ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির বিশেষ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। তবে তখন তিনি ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, ‘দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর গত জানুয়ারিতে পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রথম জনসভায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। রোববার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম আসবেন তিনি। গতবার সাংগঠনিক সভা করেননি, এবার করবেন।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় সাংগঠনিক সভাটি দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সভা হবে, যেখানে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেবেন। সাধারণত চেয়ারপার্সন ঢাকায় সেসব সাংগঠনিক সভা করেন সেখানে সভাপতি–সাধারণ সম্পাদকসহ সুপার ফাইভ অংশ নেয়ার সুযোগ পান।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বড় ধরনের সাংগঠনিক সভাগুলোর ভেন্যু থাকে রাজধানী ঢাকা। এসব সভায় জেলা বা মহানগরের সুপার ফাইভ-সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি,

সাধারণ সমাপদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। তবে এবার সেই চর্চায় ব্যতিক্রম ঘটিয়ে দেশের রাজনীতিতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে। এই সাংগঠনিক সভা দলকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হরমুজ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা, চুক্তি হলেও এখনই নৌপথটি খুলছে না ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা, চুক্তি হলেও এখনই নৌপথটি খুলছে না ইরান

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও স্বাভাবিক রাখতে ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ওমান। তবে সমঝোতা হলেও গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি তাৎক্ষণিকভাবে খুলে দেওয়ার নিশ্চয়তা নেই বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি আরও কয়েকটি শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করছে।

আলোচনা এগিয়ে চলছে বলে দুই পক্ষ জানালেও চুক্তি চূড়ান্ত হতে কত সময় লাগবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে-এমন হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে কি না, তা অন্যান্য শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করছে।’

বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত যে জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়, সেই হরমুজ প্রণালি ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যত অবরোধ করে রেখেছে ইরান। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য একটি নতুন পথ তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই পথের নিরাপত্তার দায়িত্ব দুই দেশ যৌথভাবে পালন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করার বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ পুরোপুরি খুলে দেওয়া অন্যান্য কিছু শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করছে। তিনি এসব শর্তের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

তিনি বলেন, এসব শর্তের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইরানের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুদ্ধ বন্ধ এবং যুদ্ধের অবসানে আলোচনা এগিয়ে নিতে গত জুনে দুই দেশ যে চুক্তি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র সেটি লঙ্ঘন করেছে।

‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ বা সমঝোতা স্মারক নামে পরিচিত ওই চুক্তিটি দ্রুত ভেস্তে যায়। কূটনৈতিক আলোচনাও ব্যর্থ হয় এবং চুক্তি সইয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলা আবার শুরু হয়।

এদিকে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলকদর আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার আচরণ ‘সংশোধন’ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ছয়টি দাবি পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বন্ধ করা, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি ‘শিগগিরই’ হতে পারে। তবে শনিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ বিষয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, অগ্রগতি হলেও এখনো অনেক কাজ বাকি।

ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখনো খেলার মাঝামাঝি অবস্থায় আছি। বিষয়টি এখনো শেষ হয়নি।’

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মার্কিন জনগণের জন্য সর্বোত্তম ফল নিশ্চিত করতে আমরা কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক-সব ধরনের উপায় কাজে লাগাচ্ছি।’

ভ্যান্স আরও দাবি করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সামরিক অভিযান শুরুর আগের মতোই উপসাগর থেকে ‘একই পরিমাণ তেল’ সরবরাহ হবে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন মূলত এমন একটি ট্রাফিক ব্যবস্থা কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে কাজ করছি, যাতে জাহাজগুলো নিরাপদে প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারে।’ সূত্র: বিবিসি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পাঁচ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান

পাঁচ দিনের দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

শনিবার (৮ আগস্ট) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদান ও আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েনরত বাংলাদেশি কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন করবেন।

এছাড়া উভয় স্থানের রাষ্ট্রীয় এবং মিশনসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন সেনাপ্রধান।

কালের আলো/এম/এএইচ