খুঁজুন
                               
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
           

ঈদ যাত্রায় কথিত ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: বাস্তব নাকি ষড়যন্ত্র?

আহসান হাবিব বরুন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ঈদ যাত্রায় কথিত ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: বাস্তব নাকি ষড়যন্ত্র?

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে এলেই বাংলাদেশের সামাজিক জীবনে এক বিশেষ আবেগের সঞ্চার হয়। বছরের এই সময়টিতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ ছুটে যায় আপনজনের কাছে। এই বিশাল জনস্রোত সামাল দেওয়া যেমন একটি প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, তেমনি এটি দেশের পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতারও একটি বড় পরীক্ষা। প্রতি বছরই ঈদযাত্রাকে ঘিরে কিছু অভিযোগ, কিছু বাস্তব সমস্যা এবং কিছু অতিরঞ্জন সামনে আসে। তবে এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ দাবি—ঈদযাত্রায় নাকি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা, যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এই দাবিটি শুনতে যতটা নাটকীয়, বাস্তবতার সঙ্গে তার সংযোগ ততটাই দুর্বল বলে প্রতীয়মান হয়। কারণ, কোনো গুরুতর অভিযোগকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে তার পেছনে থাকতে হয় সুস্পষ্ট তথ্য, পরিসংখ্যান, গবেষণা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস। কিন্তু ‘বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি’ নামের সংগঠনটি যে অভিযোগ তুলেছে, তার পক্ষে তারা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। কোথায়, কখন, কোন রুটে, কোন পরিবহন কত অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েছে—এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর অনুপস্থিত। এমনকি ভুক্তভোগী যাত্রীর নাম-পরিচয় বা কোনো যাচাইযোগ্য ডাটাও তারা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—এই ১৪৮ কোটি টাকার হিসাব এল কোথা থেকে?

একজন সংবাদকর্মী ও পর্যবেক্ষক হিসেবে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, ঈদযাত্রায় কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ঘটনা ঘটেই থাকে। এটিকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে সেই বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে একটি জাতীয় বিপর্যয় হিসেবে উপস্থাপন করা, কিংবা এটিকে ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙার মতো পরিস্থিতি হিসেবে চিত্রিত করা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বরং এতে একটি ইচ্ছাকৃত অতিরঞ্জনের গন্ধ পাওয়া যায়।

বাস্তব চিত্রটি অনেক বেশি জটিল। এর কারণ হলো, সাধারণ সময়ে যে রুটে ভাড়া কম থাকে, ঈদের সময় সেখানে যাত্রী চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া নির্ধারিত পর্যায়ে ফিরে আসে। আবার অনেক যাত্রী দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নিজেরাই দূরবর্তী গন্তব্যের টিকিট কিনে মাঝপথে নেমে যায়। এতে ভাড়া বেশি মনে হলেও সেটি সবসময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের আওতায় পড়ে না। বরং এটি বাজার চাহিদা ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের একটি স্বাভাবিক প্রতিফলন। এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে একপাক্ষিক অভিযোগ তোলা শুধু বিভ্রান্তিকরই নয়, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বলেও মনে হতে পারে।

বর্তমান সরকারের আমলে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তা মাঠপর্যায়ে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। পরিবহন খাতেও এর প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালগুলোতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগ—সব মিলিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা স্পষ্ট।

এই বাস্তবতার মাঝেই যখন বলা হয় যে “২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়া আদায় হয়েছে”, তখন সেটি শুধু অতিরঞ্জনই নয়, বরং বাস্তবতাকে বিকৃত করার একটি প্রচেষ্টা বলেই মনে হয়। কারণ,পতিত স্বৈরাচার সরকার আমলের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, পরিবহন খাতে দীর্ঘদিন ধরে যে অনিয়ন্ত্রিত চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা ছিল, তা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে আদার চেষ্টা অব্যাহত আছে।  পুরোপুরি নির্মূল না হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

১৪৮ কোটি টাকার যে অঙ্কটি প্রচার করা হয়েছে, সেটিও গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এই ধরনের একটি অঙ্ক নির্ধারণ করতে হলে প্রয়োজন বিস্তৃত তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ, যা এখানে অনুপস্থিত। বরং এটি একটি আকর্ষণীয় সংখ্যা, যা সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। কিন্তু তথ্যবিহীন এই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ছাড়া আর কোনো গঠনমূলক ভূমিকা রাখে না।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অভিযোগকারী সংগঠনটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের কার্যক্রম, গবেষণার সক্ষমতা এবং তথ্য উপস্থাপনের পদ্ধতি—সবকিছুই অস্পষ্ট। একটি স্বাক্ষরবিহীন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শামিল। এতে মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, বিষয়টি কেবল একটি তথ্যগত ভুল নয়, বরং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

ঈদের মতো একটি সংবেদনশীল সময়ে এ ধরনের তথ্য প্রচার জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এটি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফলে বিষয়টি কেবল একটি পরিবহন ইস্যুতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ হতে পারে। তবে এটাও সত্য যে, সবকিছুই নিখুঁত নয়। কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে, কিছু যাত্রী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন—এগুলো বাস্তবতা। কিন্তু এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটিও সমানভাবে সত্য। তাই বাস্তব সমস্যাকে স্বীকার করে তার সমাধান খোঁজা যেমন জরুরি, তেমনি অতিরঞ্জিত ও ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে বিরত থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত। অভিযোগটি কতটা সত্য, এর পেছনে কী তথ্য রয়েছে, এবং কারা এর জন্য দায়ী—এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার। যদি অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তবে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যদি এটি মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত হয়, তবে যারা এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। কারণ বাংলাদেশের বাস্তবতায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রশ্নটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি না। কিন্তু ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে বলে যে প্রচার-এটা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে হচ্ছে।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা।

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার কথা জানানোর পরপরই পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এয়ার ফোর্স টু বিমানে করে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ভ্যান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বিমানটি উড্ডয়নের আগে তিনি সিঁড়ির উপর থেকে হাত নাড়েন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’ শুরু হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। এর পরেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান ত্যাগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, আমরা ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করেছি, এটাই ভালো খবর। তবে ‘খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এসেছিল’ উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় মনোভাব এবং ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই’ আলোচনায় এসেছিল, কিন্তু দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক।

সূত্র : বিবিসি, ডন

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সমঝোতা ছাড়াই ‘ভেস্তে গেল’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
সমঝোতা ছাড়াই ‘ভেস্তে গেল’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

শান্তি আলোচনায় ইরানের নেতৃত্ব দেন স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা কার্যত ভেস্তে গেছে। আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স জানান, আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল এখন পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। সূত্র: বিবিসি ও ডনের।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা শুরু করে ইরান। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেয় তেহরান। এতে প্রায় সারা বিশ্বে জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা শুরু হয়। এতে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এরপর ইরানও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর ধারাবাহিকতায় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করতে গতকাল ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে দুই পক্ষ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হোটেলে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি এ আলোচনা শুরু হয়।

আলোচনায় লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলা, হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি, ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় দেওয়ার প্রসঙ্গসহ নানা বিষয় উঠে আসে। দীর্ঘ প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, দুই পক্ষের দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে মার্কিন প্রতিনিধি দল এখন পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বন্ধ করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘সরল সত্য হলো, আমাদের এমন একটি স্পষ্ট অঙ্গীকার দেখতে হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো উপায়ও অনুসরণ করবে না, যার মাধ্যমে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা সম্ভব।’

এটিকে ট্রাম্পের ‘মূল লক্ষ্য’ হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘ধ্বংস করা হয়েছে’, তবে ভবিষ্যতে তারা যেন পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরি করে এ বিষয়ে ‘সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ প্রয়োজন। কিন্তু এ ধরনের অঙ্গীকার আমরা এখনো দেখিনি। তবে আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে দেখব।’

যুক্তরাষ্ট্র ‘সদিচ্ছা নিয়েই’ আলোচনায় এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় নমনীয়তা ও ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে অংশ নিয়েছিল। আমরা একটি খুবই স্পষ্ট প্রস্তাব নিয়ে এখানে এসেছিলাম, এটিই আমাদের চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব। এখন দেখা যাক, ইরান এটি গ্রহণ করে কি না।’

কালের আলো/এসাআর/এএএন 

ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর ট্রাঙ্ক রোডে হরতালের পক্ষে শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত ফেনীর যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারকে নতুন বাড়ি উপহার দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ এপ্রিল) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল নতুন বাড়ি নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। আমরা বিএনপি পরিবার সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

ফেনী সদর উপজেলার ১৩ নম্বর ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজারের যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর হরতালের পক্ষে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। তারেক রহমানের নির্দেশে হারুনুর রশিদকে নতুন বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এই বাড়ি নির্মাণের কাজটা তদারকি করবে। এই সংগঠন সারাদেশে বিএনপির বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষদের সহায়তা দিয়ে আসছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন দায়িত্ব পালন করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ