খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঈদ যাত্রায় কথিত ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: বাস্তব নাকি ষড়যন্ত্র?

আহসান হাবিব বরুন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ঈদ যাত্রায় কথিত ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: বাস্তব নাকি ষড়যন্ত্র?

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে এলেই বাংলাদেশের সামাজিক জীবনে এক বিশেষ আবেগের সঞ্চার হয়। বছরের এই সময়টিতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ ছুটে যায় আপনজনের কাছে। এই বিশাল জনস্রোত সামাল দেওয়া যেমন একটি প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, তেমনি এটি দেশের পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতারও একটি বড় পরীক্ষা। প্রতি বছরই ঈদযাত্রাকে ঘিরে কিছু অভিযোগ, কিছু বাস্তব সমস্যা এবং কিছু অতিরঞ্জন সামনে আসে। তবে এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ দাবি—ঈদযাত্রায় নাকি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা, যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এই দাবিটি শুনতে যতটা নাটকীয়, বাস্তবতার সঙ্গে তার সংযোগ ততটাই দুর্বল বলে প্রতীয়মান হয়। কারণ, কোনো গুরুতর অভিযোগকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে তার পেছনে থাকতে হয় সুস্পষ্ট তথ্য, পরিসংখ্যান, গবেষণা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস। কিন্তু ‘বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি’ নামের সংগঠনটি যে অভিযোগ তুলেছে, তার পক্ষে তারা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। কোথায়, কখন, কোন রুটে, কোন পরিবহন কত অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েছে—এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর অনুপস্থিত। এমনকি ভুক্তভোগী যাত্রীর নাম-পরিচয় বা কোনো যাচাইযোগ্য ডাটাও তারা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—এই ১৪৮ কোটি টাকার হিসাব এল কোথা থেকে?

একজন সংবাদকর্মী ও পর্যবেক্ষক হিসেবে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, ঈদযাত্রায় কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ঘটনা ঘটেই থাকে। এটিকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে সেই বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে একটি জাতীয় বিপর্যয় হিসেবে উপস্থাপন করা, কিংবা এটিকে ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙার মতো পরিস্থিতি হিসেবে চিত্রিত করা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বরং এতে একটি ইচ্ছাকৃত অতিরঞ্জনের গন্ধ পাওয়া যায়।

বাস্তব চিত্রটি অনেক বেশি জটিল। এর কারণ হলো, সাধারণ সময়ে যে রুটে ভাড়া কম থাকে, ঈদের সময় সেখানে যাত্রী চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া নির্ধারিত পর্যায়ে ফিরে আসে। আবার অনেক যাত্রী দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নিজেরাই দূরবর্তী গন্তব্যের টিকিট কিনে মাঝপথে নেমে যায়। এতে ভাড়া বেশি মনে হলেও সেটি সবসময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের আওতায় পড়ে না। বরং এটি বাজার চাহিদা ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের একটি স্বাভাবিক প্রতিফলন। এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে একপাক্ষিক অভিযোগ তোলা শুধু বিভ্রান্তিকরই নয়, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বলেও মনে হতে পারে।

বর্তমান সরকারের আমলে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তা মাঠপর্যায়ে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। পরিবহন খাতেও এর প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালগুলোতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগ—সব মিলিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা স্পষ্ট।

এই বাস্তবতার মাঝেই যখন বলা হয় যে “২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়া আদায় হয়েছে”, তখন সেটি শুধু অতিরঞ্জনই নয়, বরং বাস্তবতাকে বিকৃত করার একটি প্রচেষ্টা বলেই মনে হয়। কারণ,পতিত স্বৈরাচার সরকার আমলের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, পরিবহন খাতে দীর্ঘদিন ধরে যে অনিয়ন্ত্রিত চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা ছিল, তা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে আদার চেষ্টা অব্যাহত আছে।  পুরোপুরি নির্মূল না হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

১৪৮ কোটি টাকার যে অঙ্কটি প্রচার করা হয়েছে, সেটিও গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এই ধরনের একটি অঙ্ক নির্ধারণ করতে হলে প্রয়োজন বিস্তৃত তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ, যা এখানে অনুপস্থিত। বরং এটি একটি আকর্ষণীয় সংখ্যা, যা সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। কিন্তু তথ্যবিহীন এই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ছাড়া আর কোনো গঠনমূলক ভূমিকা রাখে না।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অভিযোগকারী সংগঠনটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের কার্যক্রম, গবেষণার সক্ষমতা এবং তথ্য উপস্থাপনের পদ্ধতি—সবকিছুই অস্পষ্ট। একটি স্বাক্ষরবিহীন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শামিল। এতে মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, বিষয়টি কেবল একটি তথ্যগত ভুল নয়, বরং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

ঈদের মতো একটি সংবেদনশীল সময়ে এ ধরনের তথ্য প্রচার জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এটি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফলে বিষয়টি কেবল একটি পরিবহন ইস্যুতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ হতে পারে। তবে এটাও সত্য যে, সবকিছুই নিখুঁত নয়। কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে, কিছু যাত্রী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন—এগুলো বাস্তবতা। কিন্তু এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটিও সমানভাবে সত্য। তাই বাস্তব সমস্যাকে স্বীকার করে তার সমাধান খোঁজা যেমন জরুরি, তেমনি অতিরঞ্জিত ও ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে বিরত থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত। অভিযোগটি কতটা সত্য, এর পেছনে কী তথ্য রয়েছে, এবং কারা এর জন্য দায়ী—এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার। যদি অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তবে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যদি এটি মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত হয়, তবে যারা এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। কারণ বাংলাদেশের বাস্তবতায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রশ্নটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি না। কিন্তু ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে বলে যে প্রচার-এটা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে হচ্ছে।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা।

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ