খুঁজুন
                               
, ,
           

জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি ‘অযৌক্তিক’, পুনর্বিবেচনার দাবি এওএবি’র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি ‘অযৌক্তিক’, পুনর্বিবেচনার দাবি এওএবি’র

জেট ফুয়েলের (বিমানের জ্বালানি) দাম এক ধাক্কায় ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)। এই সিদ্ধান্ত দেশের বিমান চলাচল খাতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বয়ে আনবে বলে জানিয়েছে এওএবি। তাই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবিও করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জেট এ-১ জ্বালানির মূল্য হঠাৎ করে বড় পরিসরে বাড়িয়েছে, যা ‘বর্তমান বাজার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’।

এওএবি জানায়, বিইআরসি ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত সভায় ৫ মার্চ থেকে ২২ মার্চ সময়ের প্ল্যাটস রেটের গড়, জানুয়ারি-জুন সময়ের পরিবর্তিত প্রিমিয়াম, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং ডিজেলের মূল্য অপরিবর্তিত ধরে জেট ফুয়েলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। এরফলে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বেড়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা হয়েছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার মূল্য ০.৭৩৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এওএবি’র সেক্রেটারি জেনারেল মফিজুর রহমান বলেন, ‘দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে জানিয়েছে। গত ২২ দিনে প্রায় ২৫টি তেলবাহী জাহাজ দেশে এসেছে এবং এসব তেল আগের নির্ধারিত দামেই কেনা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম কমতির দিকে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাকে ভিত্তি করে এত বড় বৃদ্ধি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এই মূল্যবৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেশি। যেখানে ভারত ও নেপাল জেট ফুয়েলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে, সেখানে পাকিস্তান-এ ২৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মালদ্বীপ-এ ১৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তুলনায় বাংলাদেশে প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি অত্যন্ত উচ্চ।’

এওএবি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, নতুন এই মূল্য কার্যকর হলে দেশের এয়ারলাইন্সগুলো মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়বে। এর প্রভাব সরাসরি পড়বে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের ওপর, বাড়বে বিমান ভাড়া।

একই সঙ্গে জেট ফুয়েলের ওপর কর বৃদ্ধির কারণে পরিচালন ব্যয় আরও বেড়ে যাবে, যা পুরো এভিয়েশন খাতের টেকসই উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সংগঠনটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ‘অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হওয়ার’ মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এ অবস্থায় সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে এওএবি।

সংগঠনটি বলেছে, ‘বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন খাতের স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা জরুরি।’

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারণা শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। প্রচারণার শুরুতেই তিনি রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক পরিচয়, ঐতিহ্য ও নগরীর স্বকীয়তা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, অনেকেই ঢাকাকে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক বা লন্ডনের আদলে গড়ে তোলার কথা বলেন। কিন্তু ঢাকা নিজেই বিশ্বের বহু ঐতিহাসিক নগরীর চেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের শহর।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে না পারা দেশের নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা। তাঁর ভাষ্য, একসময় ঢাকা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এবং উর্বর বদ্বীপভূমির একটি সমৃদ্ধ নগর।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাজধানীকে আরও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে ঢাকাকে পূর্ণ মর্যাদায় উপস্থাপন করতে চান তিনি।

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষ থেকে নগর ব্যবস্থাপনা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি রাজধানীর পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন নতুন রাজনৈতিক বার্তা সামনে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের বিষয়টিকে প্রচারণার সূচনাতেই গুরুত্ব দিলেন আসিফ মাহমুদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের কঠোর হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ জুলাই) মিশিগানে যাওয়ার পথে এই হুমকি দেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরানের সঙ্গে ভালো ও গভীর আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরান পাল্টা দাবি করেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চললেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে নতুন করে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর জুনে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হলেও, হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাংকার হামলা ও সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে গত জুলাইয়ের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ১৩ জুলাই থেকে মার্কিন বাহিনী আবারও নতুন করে বিমান হামলা ও সামরিক পদক্ষেপ শুরু করে।

টানা ১৩ রাত হামলার পর গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান স্থগিত করে। টানা চার দিনের মতো সোমবারও (২৭ জুলাই) মার্কিন হামলা স্থগিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি হামলা স্থগিত করেছেন।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৭ সোমবার) হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোলাবারুদের মজুত ও অন্যান্য সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে তার উদ্বেগ তুলে ধরেন। এ বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উপস্থিতি ছিলেন। তারা দুজনই নতুন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইরানে হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ হওয়ায় ইরানও পাল্টা হামলা স্থগিত রেখেছে। তেহরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতে রয়েছে। ওমানের সঙ্গে মিলে নৌযান চলাচলের নতুন ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে, যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় দেশের ৯টি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকাল রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসেও আজ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি