খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জেলেসহ সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে: মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জেলেসহ সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে: মন্ত্রী

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, সারাদেশে যে পরিমাণ ইলিশ উৎপাদন হয়, তার অধিকাংশ হয় চাঁদপুরে। ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এখানকার জেলেসহ সবাইকেই ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি জানান, ১৯৮০ সালের আগে দেশে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন হয়েছিল তার ২০ শতাংশই ছিল ইলিশ। মাঝের সময়ে ইলিশের উৎপাদন কমেছে।

তবে এখন পাঁচ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে ইলিশ উৎপাদন হচ্ছে। জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ২০০৩-০৪ সাল থেকে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন তিন নদীর মোহনায় জাতীয় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

৭ এপ্রিল থেকে আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।

এবারের জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে `জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী`। এ প্রতিপাদ্যের আলোকে নদীভিত্তিক এই অঞ্চলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন সুরক্ষা এবং জাটকা নিধন রোধে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

জাটকা নিধনে কারেন্ট জালের প্রভাব গত ১০-১৫ বছরে খুব দ্রুত উত্থান হয়েছে বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, জাল তৈরির ফ্যাক্টরিগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র জাল তৈরি করার জন্য। এর মধ্যে কিছু দুষ্টু লোক চুরি করে কারেন্ট জাল তৈরি করছে। কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে ইলিশের জন্য বাংলাদেশের বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। তাই সরকার চায় বাংলাদেশে প্রতিবছর ২০ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন করবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নদী দূষণ এই দেশে অনেক ক্ষতি করছে। যেকোনো অবস্থাতে নদীর দূষণ প্রতিরোধে সরকার বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষিখাত শক্তিশালী হলেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের কৃষিখাত মজবুত না হবে, ততদিন দেশের অর্থনীতিকে টেকসইভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এই সরকার ভোটের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আসন্ন পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড চালু করা হবে, উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। স্বাগত বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

এছাড়াও চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ীরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে মন্ত্রী চাঁদপুর শহরের তিন নদীর মোহনা পরিদর্শন করেন এবং চমৎকার এই প্রাক পরিবেশের প্রশংসা করেন।

কালের আলো/এসএকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ