খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ প্রকৌশলীর বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ প্রকৌশলীর বদলি

উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা আনতে বদলী ও পদায়নে লটারি পদ্ধতি।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে।

এ লটারিভিত্তিক বদলি কার্যক্রমের মাধ্যমে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থায় বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচার পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে দেশের আটটি বিভাগের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)-এর পদায়নের স্থান ও শাখা লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। পুরো লটারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম।

লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ৩১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, সিলেট বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।

এসব উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের বিভিন্ন শাখায় পদায়ন করা হয়েছে।

লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম বলেন, লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার ফলে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর, আধুনিক ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতির সূচনা হলো।

লটারিভিত্তিক বদলি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসান বলেন, প্রথমবারের মতো এ ধরনের লটারিভিত্তিক বদলি কার্যক্রম প্রকৌশলীদের মধ্যে আস্থা, সমতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, যুগ্মসচিব ফৌজিয়া খান, উপসচিব খান মো. নাজমুস শোয়েব, উপসচিব মো. আবু নাছের, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের, আশরাফুল হক, মো. আলমগীর খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যান্য প্রকৌশলী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী সপ্তাহে একই পদ্ধতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের বদলি কার্যক্রমও লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

৪২ বছর বয়সে মা হলেন কারিশমা তান্না

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
৪২ বছর বয়সে মা হলেন কারিশমা তান্না

বলিউড ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা তান্না ও তার স্বামী ব্যবসায়ী বরুণ বঙ্গেরার সংসারে এসেছে নতুন অতিথি। বুধবার (২৯ জুলাই) পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন কারিশমা। ৪২ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌথ পোস্টের মাধ্যমে সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন কারিশমা ও বরুণ। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, “গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে আমাদের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ এসেছে। ২৯ জুলাই ২০২৬। ছোট্ট সোনা, তোমাকে আমাদের পৃথিবীতে স্বাগতম।”

পোস্টের সঙ্গে নবজাতকের আগমন উপলক্ষে একটি বিশেষ কার্ডও শেয়ার করেছেন এই দম্পতি। খবর প্রকাশের পরপরই ভক্ত, সহকর্মী ও বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি, মালাইকা অরোরা, দিয়া মির্জা, বিক্রান্ত ম্যাসি, সোনু সুদ, রাহুল বৈদ্য ও ভারতী সিংসহ অনেকেই কারিশমা ও বরুণকে অভিনন্দন জানিয়ে নবজাতকের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে পারিবারিক আয়োজনে ব্যবসায়ী বরুণ বঙ্গেরাকে বিয়ে করেন কারিশমা তান্না। বিয়ের প্রায় চার বছর পর তাদের পরিবারে প্রথম সন্তানের আগমন হলো। চলতি বছরের শুরুতে নিজের মাতৃত্বের খবর প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী। এরপর গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন তিনি।

টেলিভিশনের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিতি পাওয়া কারিশমা তান্না অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কিঁউকি সাস ভি কভি বহু থি’, ‘নাগিন ৩’ ও ‘কায়ামত কি রাত’-এ। পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের ‘হাশ হাশ’ এবং হংসাল মেহতার ওয়েব সিরিজ ‘স্কুপ’-এ তার অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

এছাড়া রিয়েলিটি শো ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১০’-এর বিজয়ীও ছিলেন কারিশমা তান্না।

কালের আলো/এসএ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশি

কর্মসংস্থানের আশায় প্রায় এক যুগ আগে দেশ ছাড়লেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরতে হয়েছে। বিশেষ ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

দেশে ফেরার পর প্রত্যেককে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক।

বৃহস্পতিবার ওমনি এয়ারের বিশেষ ফ্লাইট (ওএই-২৩২৩) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ওই ফ্লাইটেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো ২৩ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে উন্নত কর্মসংস্থানের আশায় তারা ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বাংলাদেশ ছাড়েন।

পরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও পেরুসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে একপর্যায়ে সীমান্ত অতিক্রম করে অনিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে না পারায় তারা দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরে আসেন।

পরে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ ফ্লাইটে তারা বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছান।

বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর ব্র্যাকের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া তাদের জন্য হালকা খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়।

সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর সাড়ে ১টার দিকে তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং গন্তব্য দেশের অভিবাসন আইন ও শর্ত মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের পরও আইনগত জটিলতায় দেশে ফিরতে হতে পারে।

তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর ঘটনা বেড়েছে। তাই অনিয়মিত পথে বিদেশে যাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সম্ভাব্য অভিবাসীদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ট্রাম্পের বিশেষ বার্তা নিয়ে ঢাকায় সার্জিও গোর, আলোচনায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভূরাজনীতি ও বাণিজ্য

কূটনৈতিক প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের বিশেষ বার্তা নিয়ে ঢাকায় সার্জিও গোর, আলোচনায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভূরাজনীতি ও বাণিজ্য

তিনদিনের সফরে এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর। বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই দুপুরে তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছান। বেলা ২টা ৪১ মিনিটে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। পোস্টে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমার বন্ধু, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। তাঁর এই সফর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সার্জিও গোরের এই সফর কী শুধুমাত্র একটি রুটিন কূটনৈতিক সফর? বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিষয়টি এভাবে দেখার সুযোগ নেই মোটেও। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কোন কাঠামোয় এগোবে, বাংলাদেশ কীভাবে তার পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য বজায় রাখবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ঢাকার ভূমিকা কী হবে, এসব বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটন সরাসরি ধারণা নিতে চায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের সফরের প্রধান লক্ষ্যই থাকবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সম্পর্কে একটি পরিস্কার ধারণা নেওয়া।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী সফর। বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে দেশটির অবস্থান ও ভাবনা যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে চাইবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত হতে চাইবেন সার্জিও গোর। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও তাদের ‘কনসার্ন’ জানাতে পারেন। সব মিলিয়ে দুই দেশের জন্যই ভূরাজনীতি এবং বাণিজ্য-এই দুই খাত গুরুত্ব পাবে সার্জিও গোরের এবারের ঢাকা সফরে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ওবায়দুল হক মনে করেন, সার্জিও গোরের এই সফর প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশকে বোঝার জন্য। উনি দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার দায়িত্বে আছেন। তাকেতো সব দেশকেই বুঝতে হবে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদও বলছেন, সার্জিও গোর এই দায়িত্বে নতুন। তাই তাকে পুরো অঞ্চলের সমীকরণ বুঝতে হলে বাংলাদেশকেও বুঝতে হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চীন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে যুক্ত করে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে বেইজিংয়ের কৌশলগত উপস্থিতিও বাড়ছে। এগুলো নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের গভীর পর্যবেক্ষণ রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরাসরি ‌‘চীনবিরোধী অবস্থান’ চাপিয়ে দিতে চায় না। বরং তাদের আগ্রহ-বাংলাদেশের কৌশলগত অগ্রাধিকার কী? অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে চীনের ভূমিকা কতটা? বাংলাদেশ কীভাবে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রাখছে?

গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সার্জিও গোর হচ্ছেন ওয়াশিংটন থেকে ঢাকা সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এর আগে মার্চে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এবং মে মাসে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশ সফর করেন।

বিশ্লেষকরা কেউ কেউ বলছেন, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর, একই মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মস্কো সফর এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের মূল্যায়নও সার্জিও গোরের এই সফরে প্রতিফলিত হতে পারে। প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তাও তিনি বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরতে পারেন। এসব সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না একেবারেই।

কালের আলো/এম/এএইচ