খুঁজুন
                               
, ,
           

সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী

শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় সংসদই রাজনৈতিক বিতর্ক, মতবিনিময় ও সমস্যার সমাধানের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। সংসদের পরিবর্তে রাজপথকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয়।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে।

শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন।

তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি।

প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।

তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল শিক্ষা হলো জনগণের ঐক্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হবে।

একই সঙ্গে মব কালচার, সাম্প্রদায়িক হামলা ও সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে তিনি এসব প্রতিরোধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক-সংস্কৃতিকর্মীদের মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসীন বলেন, ফটোসাংবাদিকরা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন। অথচ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন অনেক সময় করা হয় না, যা দুঃখজনক। ফটোসাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তাদের মূল্যায়ন করা উচিত।

এ সময় আমরা বিএনপি পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিএনপির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আহত ফটোসাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, বিপিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহ-সভাপতি মশিউর রহমান সুমনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প: সিএনএন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প: সিএনএন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নানামুখী চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন।

ট্রাম্প এমন এক সময়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের পথ খুঁজছেন, যখন তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্রদের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী বার্তা পাচ্ছেন।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখা এবং আরও সামরিক বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছেন। অন্যদিকে সৌদি আরব উত্তেজনা হ্রাস এবং সংঘাত অবসানের ওপর জোর দিচ্ছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের এক অঘোষিত ওয়াশিংটন সফরে তিনি দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বার্তা ট্রাম্প ও জে.ডি. ভ্যান্সের কাছে পৌঁছে দেন।

ওই বার্তায় রিয়াদ জানায়, তারা ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমাতে চায় এবং সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করে।

এই বৈঠকটি ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের একদিন পর অনুষ্ঠিত হয়।

ওই বৈঠকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং তেহরানের বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

সিএনএনের মতে, এই ধারাবাহিক বৈঠকগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট করেছে এবং ট্রাম্পকে এমন এক পরিস্থিতিতে ফেলেছে, যেখানে তিনি সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন।

এদিকে ট্রাম্প এখনও একটি সম্ভাব্য সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করে চলেছেন।

তবে নেতানিয়াহু এবং সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প বর্তমানে দুটি ভিন্ন পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠিন সংকটের মুখোমুখি- একদিকে সামরিক চাপ আরও বাড়ানো, অন্যদিকে উত্তেজনা কমানোর পথে অগ্রসর হওয়া।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিশ্লেষকের মন্তব্য

হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব নয় যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব নয় যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালী ও উত্তর আরব সাগরে নৌযানের ওপর ইরানের হুমকি পুরোপুরি দূর করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক উলফগ্যাং পুস্তাই।

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী এবং উত্তর আরব সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের হুমকি সম্পূর্ণভাবে শেষ করে দেওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

তবে তিনি বলেন, ইরান যেসব সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালায়, সেগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের সংখ্যা সীমিত করতে পারে।

উলফগ্যাং পুস্তাইয়ের মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ‘চাপ ও পাল্টা জবাব’ কৌশল অনুসরণ করছে।

তার ভাষায়, ‘যখনই ইরান এ অঞ্চলের জাহাজে হামলা চালায়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী পাল্টা হামলা চালায়।’

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান ডিএমপির

দুই মেট্রো স্টেশনে বোমা আতঙ্ক, বস্তায় পাওয়া গেল জর্দার কৌটা-পান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
দুই মেট্রো স্টেশনে বোমা আতঙ্ক, বস্তায় পাওয়া গেল জর্দার কৌটা-পান

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে বোমাসদৃশ দুটি পরিত্যক্ত বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, দুটি বস্তুতেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক উপাদান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপি জানায়, খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি সন্দেহজনক ব্যাগে বোমা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষায় ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে ব্যাগটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এরপর পরীক্ষা করে দেখা যায়, ব্যাগের ভেতরে ছিল জর্দার একটি কৌটা ও পান। সেখানে কোনো বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।

এদিকে ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে ঘিরেও বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।

ডিএমপি জানিয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করে সন্দেহজনক কোনো বস্তু দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি