খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০০

নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ আপডেটের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।

৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।

ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র: এএফপি
কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জনপ্রশাসনে কামরুজ্জামান, পরিকল্পনা কমিশনে এহছানুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
জনপ্রশাসনে কামরুজ্জামান, পরিকল্পনা কমিশনে এহছানুল হক

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হককে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। দুই কর্মকর্তাকেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. কামরুজ্জামান বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের ৩ মার্চ তিনি এক বছরের চুক্তিতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান।

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হককে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ এই দুই কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে জনপ্রশাসন ও পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্ব বণ্টনে পরিবর্তন আসছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দুই দেশের সব পর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এ সময় দুই দেশের সংসদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

তিনি জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করতে পারে, তা নিয়ে বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যও এখানেই নিহিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতারও প্রশংসা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। তিনি জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, আগে দুই দেশের সম্পর্ক অনেকটা সরকারকেন্দ্রিক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

স্পিকার আরও বলেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আবারও গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্পিকারের বক্তব্যের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারত সরকারও দুই দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

৩০ লাখের হাতে বাড়তি টাকা, নজর এখন বাজারে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
৩০ লাখের হাতে বাড়তি টাকা, নজর এখন বাজারে

একদিকে বেতন বাড়ার স্বস্তি, অন্যদিকে বাজারে দাম বাড়ার শঙ্কা—নতুন পে-স্কেল ঘিরে তৈরি হয়েছে এমনই দ্বিমুখী বাস্তবতা। সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কিন্তু তাদের হাতে বাড়তি অর্থ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। আর সেই চাপ শেষ পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকেই বহন করতে হতে পারে।

গত সোমবার (৩০ আগস্ট) মন্ত্রিসভায় নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর বিপরীতে বেসরকারি খাতের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কর্মজীবীর বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়লেও বেসরকারি খাতের আয় একই হারে না বাড়লে দুই খাতের মধ্যে আয়বৈষম্য আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বাড়তি টাকার প্রথম ধাক্কা বাজারে
অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কার মূল জায়গাটি হলো—৩০ লাখ মানুষের হাতে একসঙ্গে বাড়তি অর্থ পৌঁছালে ভোগের চাহিদা বাড়বে। সাধারণত অতিরিক্ত আয় পাওয়ার পর মানুষের প্রথম দিকের ব্যয় যায় খাদ্য, পোশাক, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতে। কিন্তু সরবরাহ যদি একই গতিতে না বাড়ে, তাহলে চাহিদার এই বাড়তি চাপ সরাসরি পণ্যের দামে প্রতিফলিত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হানের মতে, পে-স্কেল দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বাংলাদেশের দুর্বল সরবরাহব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জ। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সরবরাহ না বাড়লে তার প্রভাব দামের ওপর পড়তে পারে।

মূলত তিনটি পথে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হতে পারে। প্রথমত, বাড়তি আয় থেকে ভোগ বাড়লে চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, সরকারি বেতন বৃদ্ধির প্রভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরও কর্মীদের বেতন বাড়ানোর চাপ তৈরি হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে। প্রতিষ্ঠানগুলো সেই বাড়তি ব্যয় পণ্যের দামে চাপিয়ে দিলে তৈরি হবে খরচজনিত মূল্যস্ফীতি। তৃতীয়ত, বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকার যদি অতিরিক্ত ব্যাংকঋণের ওপর বেশি নির্ভর করে, তাহলে অর্থনীতিতে তারল্য বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বছরে বাড়তি ব্যয় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা
নতুন পে-স্কেল শুধু বাজার নয়, সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকেও বড় পরীক্ষার মুখে ফেলছে। পুরো কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি এককালীন কোনো ব্যয় নয়; বেতন-ভাতা, পেনশন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার ওপর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় তৈরি করবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। সেই হিসাবে নতুন পে-স্কেলের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় বর্তমান রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৫ দশমিক ২ শতাংশ। ফলে রাজস্ব আদায় বাড়ানো ছাড়া এ ব্যয় সামলানো সরকারের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই যখন বড় চ্যালেঞ্জ, তখন নতুন করে এত বড় স্থায়ী ব্যয় যুক্ত হওয়ায় বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ আরও বাড়বে।

ধাপে বাস্তবায়নে চাপ কমানোর চেষ্টা
সরকার অবশ্য একসঙ্গে পুরো ব্যয়ের চাপ না দিয়ে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন মূল বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। সরকারের দৃষ্টিতে এই ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন তাৎক্ষণিক রাজস্ব চাপ ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কিছুটা কমাতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি ব্যয়ের দায় থেকেই যাবে।

রাজস্ব বাড়ানোই টেকসই সমাধান
নতুন ব্যয়ের অর্থ জোগাতে সরকারের সামনে মূলত তিনটি পথ—রাজস্ব বাড়ানো, অন্য খাতের ব্যয় কমানো অথবা ঋণ নেওয়া। এর মধ্যে সবচেয়ে টেকসই পথ রাজস্ব বাড়ানো। করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি বন্ধ, কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন, অপ্রয়োজনীয় কর-ছাড় পুনর্বিবেচনা এবং উচ্চ আয় ও সম্পদের ওপর কার্যকর কর নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে, উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা সামাজিক সুরক্ষা খাতের বরাদ্দ কমিয়ে বেতন-ভাতা মেটানো হলে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ বেতন ও পেনশন একবার বাড়লে তা কমানো কঠিন; ফলে এগুলো বাজেটের অনমনীয় ব্যয়ে পরিণত হয়।

ঋণ নিলে বাড়বে আরেক ঝুঁকি
২০২৬-২৭ অর্থবছরে অনুদান বাদে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। পে-স্কেলের অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে আরও ব্যাংকঋণ নিতে হলে সরকারের সুদ ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। অর্থনীতির ভাষায় যাকে বলা হয় ‘ক্রাউডিং আউট’। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও চাপে পড়তে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ