খুঁজুন
                               
, ,
           

ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ঢাকার পথে রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁও প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ঢাকার পথে রাষ্ট্রপতি

দুই দিনের সরকারি সফর শেষে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জেলা সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণের পর ১টা ৫০ মিনিটে মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠের হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন এবং নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই ছিল মির্জা ফখরুলের প্রথম সরকারি সফর। রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছে তিনি সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। পরে নিজ বাসভবনে গিয়ে সময় কাটান।

বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত নাগরিক গণসংবর্ধনায় অংশ নেন রাষ্ট্রপতি। তাঁকে একনজর দেখতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হন। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

দ্বিতীয় দিন সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি। পরে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি যথাযথভাবে গড়ে তুলতে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

দুই দিনের সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ রাষ্ট্রপতির সফরসূচির বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে গণসংবর্ধনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ১ লাখের বেশি স্বাক্ষর, তদন্তের দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ১ লাখের বেশি স্বাক্ষর, তদন্তের দাবি

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কয়ারের ‘রিবুট ফিফা’ প্রচারণায় ১ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

বিশ্বকাপের আগে শুরু হওয়া এই প্রচারণার লক্ষ্য ছিল ফিফার পরিচালনা ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে বড় পরিসরে অভিযোগ উত্থাপন করা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে নতুন করে অভিযোগ জমা দিয়েছে ফেয়ারস্কয়ার। সংগঠনটি অভিযোগটি দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ইনফান্তিনোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ফিফা সভাপতির ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থতা এবং দায়িত্ব পালনে ঘাটতির প্রমাণ রয়েছে।

অভিযোগে মোট আটটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডের ঘটনা। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি এ ঘটনায় ফিফাকে লাল কার্ডটি পর্যালোচনার অনুরোধ করেছিলেন।

এ ছাড়া ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক, ট্রাম্পকে ফিফার শান্তি পুরস্কার দেওয়া এবং ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ ইনফান্তিনোর সম্পৃক্ততার বিষয়ও অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করে ‘আমেরিকাকে মহান করার পাশাপাশি পুরো বিশ্বকে মহান’ করার বিষয়ে ইনফান্তিনোর মন্তব্যকেও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও ফিফার নৈতিকতা কমিটি এ বিষয়ে কোনো জবাব দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। তবে নতুন অভিযোগটি নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৫০ সদস্যের সমর্থন পেয়েছে।

অন্যদিকে ফিফা অভিযোগগুলোকে সভাপতি ও সংস্থাটির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে। ফিফার দাবি, সদস্য ফেডারেশনগুলোর সমর্থন না পাওয়া ব্যক্তিরা অভিযোগ বা ভুল তথ্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো ফল অর্জনের চেষ্টা করতে পারেন না।

এই বিতর্কের মধ্যেই আগামী বছর ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থ ও শেষ মেয়াদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন ইনফান্তিনো। তার পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর প্রস্তুতি, শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে তারিখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর প্রস্তুতি, শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে তারিখ

ঢাকা-কলকাতা রুটের আন্তদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে শিগগিরই সুখবর আসতে পারে। ট্রেনটি চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, খুব শিগগিরই একটি ভালো খবর দেওয়া সম্ভব হবে। ট্রেনটি চালুর জন্য দ্রুততম সময়ে কাজ চলছে এবং শিগগিরই নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।

তিনি বলেন, বিমান যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সড়ক ও রেল যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মালবাহী ট্রেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দুই দেশের বাণিজ্য ও যোগাযোগ আরও বাড়াতে সড়ক, রেল ও নৌপথের ব্যবহার সম্প্রসারণের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে আরও সম্প্রসারণ করা যায়, সে বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের পক্ষ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল। এখন এটি কীভাবে আবার চালু করা যায়, সে বিষয়ে দুই দেশই ইতিবাচকভাবে কাজ করছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্ত্রীকে কখনো মেয়ে, কখনো ভাতিজি সাজিয়ে বিয়ে দিতেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
স্ত্রীকে কখনো মেয়ে, কখনো ভাতিজি সাজিয়ে বিয়ে দিতেন স্বামী

স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি পরিচয় দিয়ে পাত্রপক্ষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিয়ের পর কয়েক দিনের মধ্যেই নববিবাহিত স্বামীর টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ওই নারী পালিয়ে যেতেন বলেও অভিযোগ। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী মিলে এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিলেন।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গায়। সম্প্রতি এক নববিবাহিত যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক যুবক পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে তার ‘চাচাশ্বশুর’ এবং ওই নারীকে নিজের ভাতিজি পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের প্রায় এক মাস পর যুবক জানতে পারেন, যাকে তিনি বিয়ে করেছেন, সেই নারী আসলে ওই ব্যক্তিরই স্ত্রী।

এরপরই থানায় গিয়ে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাত্রপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়াই ছিল অভিযুক্ত দম্পতির মূল উদ্দেশ্য। এর আগেও একই কৌশলে তারা একাধিক বিয়ে করিয়েছেন বলে পুলিশের দাবি। তবে ভুক্তভোগীদের কেউ অভিযোগ না করায় এতদিন তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দেগঙ্গার ওই মধ্যবয়সী ব্যক্তি বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন। এক ঘটকের মাধ্যমে এক যুবতীর সন্ধান পাওয়ার পর ছবি দেখে তাকে পছন্দ করেন।

প্রায় এক মাস আগে একটি মন্দিরে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সেখানে কনের ‘চাচা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিই আশীর্বাদ করেন এবং কন্যা সম্প্রদান করেন। পাত্রপক্ষকে তিনি জানান, মেয়েটি তার একমাত্র ভাতিজি এবং পরিবারের আর কোনো সদস্য নেই।

কিন্তু বিয়ের পর থেকেই নববিবাহিত যুবকের সন্দেহ হতে থাকে। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী আগে থেকেই বিবাহিত। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—বিয়ের সময় যে ব্যক্তি নিজেকে কনের চাচা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, তিনিই ওই নারীর স্বামী।

ওই দম্পতির দুটি মেয়েও রয়েছে। তাদের দুজনেরই ইতিমধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযুক্ত দম্পতিকে ডেকে পাঠান। সেখানে তারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও অভিযোগকারী যুবক তার বক্তব্যে অনড় থাকেন। পরে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।

দেগঙ্গা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় বলে জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা স্বীকার করেন, তারা প্রকৃতপক্ষে স্বামী-স্ত্রী। তাদের মধ্যে চাচা ও ভাতিজির কোনো সম্পর্ক নেই।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে একই নারীকে কখনো নিজের ভাতিজি, আবার কখনো নিজের মেয়ে পরিচয়ে পাত্রপক্ষের সামনে হাজির করতেন। এরপর ওই নারীর সঙ্গে পাত্রের বিয়ে দেওয়া হতো। বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই নববিবাহিত স্বামীর টাকা ও গয়না নিয়ে দুজন পালিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

সর্বশেষ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বারাসত মহকুমা আদালতে হাজির করেছে পুলিশ।

কালের আলো/এসএ