খুঁজুন
                               
, ,
           

জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। সংস্থাটি ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তের মধ্যেই তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ বছরের মেয়াদে WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে গত বছরের শেষ দিকে তাকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠানো হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করে। এর কয়েক মাস পর জুলাইয়ে তাকে প্রথমবার ছুটিতে পাঠানো হয়।

রয়টার্সের হাতে আসা গত বছরের ৩ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবীরা জানান, WHO তার বিরুদ্ধে চীন সফরের ব্যয় সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।

পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ আরও দাবি করেছেন, বাংলাদেশে একটি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে এনেছে WHO। তার বক্তব্য, WHO-তে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমির মালিক হন এবং তৎকালীন আইনের আওতায় তিনি জমিটি পাওয়ার অধিকারী ছিলেন।

WHO মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ লিখেছেন, আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সেবা করার লক্ষ্যেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং আন্তরিকতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে তার অভিযোগ, দায়িত্ব পালনে WHO নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তিনি ক্রমাগত বাধার মুখে পড়েছেন। অবৈতনিক ছুটিতে থাকার কারণে প্রায় এক বছর ধরে কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক না পাওয়ায় তার আর্থিক পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে উঠেছে বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি WHO। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, সায়মা ওয়াজেদ ছুটিতে রয়েছেন। তবে গোপনীয়তার কারণ দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় সংস্থাটি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, WHO আনুষ্ঠানিকভাবে সায়মা ওয়াজেদকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল বলে আগেই জানিয়েছিল দুটি সূত্র। তাদের একজনের দাবি, আগামী ১২ অক্টোবর নতুন আঞ্চলিক পরিচালকের পদের জন্য মনোনয়ন ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদটি WHO-এর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর একটি। প্রাদুর্ভাব ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে WHO-এর নীতিমালা সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন আঞ্চলিক পরিচালকরা। বাংলাদেশ ও ভারতসহ এ অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভোটে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, ভ্রমণসংক্রান্ত জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সায়মা ওয়াজেদ। গত জুলাইয়ে WHO-কে দেওয়া আইনজীবীদের চিঠিতে বলা হয়, ৯০১ ডলারের একটি ভ্রমণ ব্যয় ফেরত নেওয়ার আবেদনে যে ত্রুটি হয়েছিল, সেটি ছিল একজন সহকারীর প্রশাসনিক ভুল।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে সায়মা ওয়াজেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন এবং এ বিষয়টি WHO মহাপরিচালককে আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন।

কালের আলো/এসএ

জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর কাফরুল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। তার আইনজীবী মহসিন রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার শুনানিতে কলিমুল্লাহর আইনজীবী দাবি করেন, তার কোনো রাজনৈতিক পদ বা সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি একজন শিক্ষক এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করে দাবি করেন, কলিমুল্লাহ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

আদালতের অনুমতি নিয়ে কলিমুল্লাহ বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শিক্ষকতা জীবন পর্যন্ত তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। উপাচার্য থাকাকালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং সাঈদ হত্যার প্রতিবাদে তিনি কথা বলেছেন বলেও আদালতকে জানান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কাফরুল এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন তরিকুল ইসলাম রুবেল। রাত ৮টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হামলা চালানো হলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় পরে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই হত্যা মামলায় কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন কাফরুল থানার উপপরিদর্শক জহুরুল ইসলাম। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১৪ জুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তার কারামুক্তি আটকে যায়। পরবর্তী সময়ে ওই মামলায় জামিন পেলেও নতুন করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো তাকে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাজা ফল, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ উচ্চমূল্যের বহুমুখী পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হংকং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সামিটের সাইডলাইনে হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (এইচকেটিডিসি) নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ হংকং থেকে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং রপ্তানি করেছে ১০৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি সামান্য বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে হংকংয়ের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সরাসরি প্রবেশ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

বৈঠকে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের তাজা ফল হংকংয়ের সুপারমার্কেট ও বড় আমদানিকারকদের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ ও ম্যাচমেকিং আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে ভর্তুকিযুক্ত বা বিনামূল্যে প্রদর্শনী স্টল, ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেট অব অরিজিন চালু, শুল্ক প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন এবং যৌথ শিপিং ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের আগ্রহও জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, হংকংকে দক্ষিণ চীন ও গ্রেটার বে এরিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

এইচকেটিডিসির নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চং বাংলাদেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

বৈঠক শেষে এইচকেটিডিসির একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশজুড়ে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে হামের টিকার একটি বড় চালান দেশে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখে আরও একটি বড় চালান দেশে আসবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির উইমেন্স কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার প্রয়োজনীয় হামের টিকা রেখে না যাওয়ায় বর্তমানে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে। তবে হামে মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের টিকার একটি বড় চালান ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি বড় চালান আসবে। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে দেশে প্রতি গজে পানি জমে থাকে, সেখানে মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। ঢাকার বাইরে প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই অনেক রোগী ঢাকায় চলে আসেন।

অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরাই রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি কাজ করে। এ কারণে তারা অনেক সময় রোগীকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি