খুঁজুন
                               
, ,
           

এসএসসির পুন ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ-৫ তিন হাজারের বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
এসএসসির পুন ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ-৫ তিন হাজারের বেশি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিন হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, সারাদেশে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৮টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়েছে। এতে ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। আর ৫৫ হাজার ২৫৯টি স্ক্রিপ্টে নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৪ জন। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। মোট ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ৮ হাজার ৯৯৯ জনের গ্রেড এবং ২১ হাজার ৬৯ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এ বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩৭ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯০৬ জন।

রাজশাহী বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৬২ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ৯৮ হাজার ৭১০টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ৬৩১ জনের গ্রেড ও ১ হাজার ৪০০ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। ফল পরিবর্তনের পর ১১১ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৭ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন। এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৯২৯ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ৯১ হাজার ৪৯৪টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ২ হাজার ১৫৫ জনের গ্রেড এবং ৪ হাজার ৭০ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। এ বোর্ডে ৩৩৬ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন।

যশোর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৮৬২ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। পুনর্নিরীক্ষণ করা হয় ৭৪ হাজার ৭১৭টি স্ক্রিপ্ট। এতে ১ হাজার ৬৮৪ জনের গ্রেড এবং ১ হাজার ৭৪৪ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এ বোর্ডে ৩৮০ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৮২ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৯৮ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ১ হাজার ১৮৫ জনের গ্রেড এবং ২ হাজার ৯৭৫ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ১৯০ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৩ জন।

বরিশাল বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮০ হাজার ৪৫৮ জন। এর মধ্যে ১৭ হাজার ২৮৩ জন আবেদন করেন। পুনর্নিরীক্ষণ করা হয় ৫০ হাজার ২৯৩টি স্ক্রিপ্ট। এতে ১ হাজার ৫ জনের গ্রেড এবং ৩ হাজার ১১৮ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। এ বোর্ডে ৭৯ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১২ জন।

সিলেট বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮৯ হাজার ৭৯ জন। এর মধ্যে ২০ হাজার ৭৮৩ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ৫০ হাজার ৭১৩টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ১ হাজার ২৮৬ জনের গ্রেড এবং ২ হাজার ৫৮৭ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এ বোর্ডে ১৮৬ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১২১ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৫২ জন। এর মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯৬ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। পুনর্নিরীক্ষণ করা হয় ৮৯ হাজার ২৮৬টি খাতা। এতে ৩ হাজার ৩৫৪ জনের গ্রেড এবং ৫ হাজার ৬৩৬ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন করে ৮৬৭ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৭৫ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ৭১ হাজার ৬৬টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ৫ হাজার ৩২১ জনের গ্রেড এবং ৬ হাজার ৫০৮ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এ বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ১৮০ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৭৭ জন।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন। এর মধ্যে ৪০ হাজার ১২০ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৫০৩টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ১ হাজার ৫৪৯ জনের গ্রেড এবং ৫ হাজার ৯৪৪ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন করে ২৫৫ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯৩ জন।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। এর মধ্যে ২০ হাজার ৩০৭ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। মোট ৩৪ হাজার ৩০৫টি স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। এতে ৬৬৭ জনের গ্রেড এবং ১ হাজার ১৭২ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এ বোর্ডে ৬৬৪ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। এত দিন শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত নিয়মে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না। এবার সেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার নেমে আসে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যায় প্রায় ১৯ হাজার।

ফল প্রকাশের পর গত ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। ফল প্রকাশের পর এবার নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় পুনর্নিরীক্ষণের ফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আগ্রহও ছিল বেশি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর কাফরুল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। তার আইনজীবী মহসিন রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার শুনানিতে কলিমুল্লাহর আইনজীবী দাবি করেন, তার কোনো রাজনৈতিক পদ বা সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি একজন শিক্ষক এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করে দাবি করেন, কলিমুল্লাহ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

আদালতের অনুমতি নিয়ে কলিমুল্লাহ বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শিক্ষকতা জীবন পর্যন্ত তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। উপাচার্য থাকাকালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং সাঈদ হত্যার প্রতিবাদে তিনি কথা বলেছেন বলেও আদালতকে জানান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কাফরুল এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন তরিকুল ইসলাম রুবেল। রাত ৮টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হামলা চালানো হলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় পরে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই হত্যা মামলায় কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন কাফরুল থানার উপপরিদর্শক জহুরুল ইসলাম। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১৪ জুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তার কারামুক্তি আটকে যায়। পরবর্তী সময়ে ওই মামলায় জামিন পেলেও নতুন করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো তাকে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাজা ফল, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ উচ্চমূল্যের বহুমুখী পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হংকং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সামিটের সাইডলাইনে হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (এইচকেটিডিসি) নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ হংকং থেকে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং রপ্তানি করেছে ১০৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি সামান্য বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে হংকংয়ের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সরাসরি প্রবেশ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

বৈঠকে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের তাজা ফল হংকংয়ের সুপারমার্কেট ও বড় আমদানিকারকদের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ ও ম্যাচমেকিং আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে ভর্তুকিযুক্ত বা বিনামূল্যে প্রদর্শনী স্টল, ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেট অব অরিজিন চালু, শুল্ক প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন এবং যৌথ শিপিং ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের আগ্রহও জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, হংকংকে দক্ষিণ চীন ও গ্রেটার বে এরিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

এইচকেটিডিসির নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চং বাংলাদেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

বৈঠক শেষে এইচকেটিডিসির একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশজুড়ে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে হামের টিকার একটি বড় চালান দেশে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখে আরও একটি বড় চালান দেশে আসবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির উইমেন্স কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার প্রয়োজনীয় হামের টিকা রেখে না যাওয়ায় বর্তমানে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে। তবে হামে মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের টিকার একটি বড় চালান ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি বড় চালান আসবে। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে দেশে প্রতি গজে পানি জমে থাকে, সেখানে মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। ঢাকার বাইরে প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই অনেক রোগী ঢাকায় চলে আসেন।

অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরাই রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি কাজ করে। এ কারণে তারা অনেক সময় রোগীকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি