খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান এজেন্ডা: আইজিপি

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান এজেন্ডা: আইজিপি

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করাই পুলিশের এক নম্বর এজেন্ডা বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্রিফিংকালে আইজিপি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা অপরিহার্য। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, আর এক্ষেত্রে পুলিশই প্রধান ভূমিকা পালন করে। সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনী সহযোগী হিসেবে থাকলেও মাঠপর্যায়ে মূল দায়িত্ব পুলিশেরই।’

গত ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সে সময় পুলিশের মনোবল প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছিল। আমাদের মূল কাজ হলো আইনের সুরক্ষা দেওয়া। পুলিশের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলস কাজ চলছে। এবারের নির্বাচন ইতিহাসে অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে গণ্য হয়েছে।’

মাদক প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, ‘মাদকের ভয়াবহতা সমাজকে গ্রাস করছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূল করা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

দেশে জ্বালানি সংকট এবং কালোবাজারি রোধে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘কালোবাজারির সঙ্গে সমাজের এক শ্রেণির মানুষই জড়িত। শুধু অভিযান চালিয়ে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়; আমাদের নৈতিক চেতনার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। তবেই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তর, রাজশাহী রেঞ্জ এবং আরএমপি-র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ