খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জিরো কস্ট রিক্রুটমেন্ট পলিসি

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জিরো কস্ট রিক্রুটমেন্ট পলিসি

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিবছর বিদেশে পাড়ি জমান বহু মানুষ। কিন্তু দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকের সে স্বপ্ন থমকে যায়। জমি-বাড়ি বিক্রি করে বিদেশে যাওয়ার পথ তৈরি করলেও বাস্তবে অনেকেই হয়ে পড়েছেন প্রতারিত। এমনকি বৈধপথে প্রতি বছর লাখ লাখ শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সুযোগ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ভিসা সিন্ডিকেট, দালাল ও দুর্নীতির কারণে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে মাথাপিছু ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। এমন করুণ অবস্থার অবসানে এসেছে এক সুখবর।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার সম্প্রতি ঘোষিত ‘বিনা খরচে নিয়োগ’ নীতি বা জিরো কস্ট রিক্রুটমেন্ট পলিসিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাস দুয়েক আগে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নতুন এই ব্যবস্থায় কর্মীর অভিবাসন ব্যয় শূন্যে নেমে আসবে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নির্দেশিত ‘নিয়োগকর্তা খরচ দেবে’ নীতি অনুযায়ী পুরো খরচ বহন করবেন মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা।’

মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশের শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী শ্রী রামানান রামাকৃষ্ণানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এই বিবৃতি দেওয়া হয়। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে তারা প্রশ্নও তুলেছেন।

তাদের এই উদ্বেগের কারণ হলো সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় চাকরি পেতে একেকজন বাংলাদেশি কর্মীকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। অথচ সরকারিভাবে নির্ধারিত খরচ ছিল মাত্র ৭৯ হাজার টাকা। ওই সময়ে কর্মী পাঠানোর জন্য ১০১টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়িত্ব দিয়েছিল মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। ২০২৪ সালের ৩১ মে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার আগে প্রায় সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি দেশটিতে গিয়েছিলেন।

মালয়েশিয়ায় শ্রম অভিবাসনবিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ জানান, কুয়ালালামপুর ২০১৬-১৮ সালে ১০টি এবং ২০২২-২৪ সালে ১০১টি এজেন্সিকে ‘যোগ্য’ হিসেবে বেছে নিয়েছিল। কিন্তু এই যোগ্যতার মাপকাঠি কী ছিল, তা কখনোই পরিষ্কার করা হয়নি। গত বছর তারা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য নতুন কিছু শর্ত দিয়েছে, যা বেশ প্রশ্নবিদ্ধ। গত বছরের ২৭ অক্টোবর কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠানো এক চিঠিতে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কিছু শর্তের কথা জানায়। এর মধ্যে রয়েছে—ন্যূনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা, গত তিন বছরে অন্তত ৩ হাজার কর্মী পাঠানোর রেকর্ড এবং কমপক্ষে তিনটি দেশে কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা। এ ছাড়া এজেন্সিগুলোর অন্তত ১০ হাজার বর্গফুটের নিজস্ব কার্যালয়, বৈধ লাইসেন্স ও ভালো আচরণের সনদ (ক্লিয়ারেন্স), বিদেশি নিয়োগকর্তাদের পাঁচটি রেফারেন্স এবং নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও আবাসিক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সাত প্রাণহানির পর রাজিব বাস বন্ধে কাফন পরে প্রতিবাদ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাত প্রাণহানির পর রাজিব বাস বন্ধে কাফন পরে প্রতিবাদ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ‘বেপরোয়া’ গতির অভিযোগ ওঠা রাজিব পরিবহনের বাস বন্ধ ও রোড পারমিট বাতিলের দাবিতে কাফন পরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন একদল যুবক। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা সিএনজি স্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যুবকদের হাতে ছিল খাতা-কলম। তারা পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নিয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।

কর্মসূচির আয়োজক মুক্তাগাছা উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব শেখ তুহিন জানান, বেপরোয়া গতির রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল এবং সড়কে মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার দাবিতে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচি এক সপ্তাহ চলবে।

তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই কাফনের কাপড় পরে তারা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন। এক দিনেই বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। রাজিব বাসের বেপরোয়া গতি ও দুর্ঘটনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

শেখ তুহিনের দাবি, রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট জামালপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা মহাসড়কের জন্য হলেও দীর্ঘদিন ধরে বাসটি জামালপুর-মুক্তাগাছা-ঢাকা রুটে চলাচল করছে। মোটর মালিক ও শ্রমিক নেতাদের ম্যানেজ করে বাসটি এভাবে চলাচল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শেষে রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিলের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজিব পরিবহনের কারণে কত পরিবার স্বজন হারিয়েছে তার হিসাব নেই। সড়কে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাসটির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, সড়কে জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কর্মসূচির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। নাগরিক অধিকার হিসেবে যে কেউ দাবি জানাতে পারেন। দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এখনো লিখিত কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। লিখিত আবেদন পেলে দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস পূর্ব গন্ড্রপা এলাকায় রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ সাতজন নিহত হন। ওই দুর্ঘটনার পর থেকেই রাজিব পরিবহনের বাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে প্রশ্ন, অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে প্রশ্ন, অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা প্যাকেটজাত দুধ পান করে ৩৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মাথা ঘোরা, পেটব্যথা, খিঁচুনি ও শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তাদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস লিমিটেডের ‘আরডি’ ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত দুধ বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় শিক্ষকরা কয়েকটি প্যাকেট ফুটো এবং কিছু প্যাকেটের দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায় দেখতে পান।

বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনকে জানিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ওই দুধ পান না করানোর পরামর্শ দেন। পরে মনোয়ার হোসেন বিদ্যালয়ে এসে নিজে দুধ পান করে পরীক্ষা করেন এবং দুধে সমস্যা নেই বলে জানান। এরপর শিক্ষার্থীদের দুধ পান করতে বলা হয়।

দুধ পান করার প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনির হোসেন জানায়, দুধ পান করার পর তার মাথা ও পেটব্যথা শুরু হয়। দাঁড়িয়ে থাকতে না পারায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক তসলিমা খাতুন বলেন, দুধ বিতরণের সময় কয়েকটি প্যাকেট ফুটো এবং দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায় দেখা যায়। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দুধ বিতরণ না করার অনুরোধ করা হলেও পরে দুধ পান করতে বলা হয়। এরপরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. বিমন দেবনাথ বলেন, হাসপাতালে ১৬–১৭ জন শিক্ষার্থী এসেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল এবং অনেকেই ভালো আছে। সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন। দুধের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। কারও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

রাডার থেকে নিখোঁজের পর সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
রাডার থেকে নিখোঁজের পর সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রু সদস্য ছিলেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র লাগোসে একটি রুটিন মিশনে যাওয়ার সময় অনডো প্রদেশের ইগবোকোডা এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

নাইজেরিয়ার এভিয়েশনবিষয়ক মন্ত্রী ফেসটাস কেয়ামো জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে এডো প্রদেশ থেকে লাগোস যাওয়ার পথে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একটি নৌঘাঁটির কাছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই দেশটির বিমানবাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

বিমানবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি ছিল এটিআর-৪২ মডেলের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের নৌকায় করে দুর্ঘটনাস্থলে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের আশপাশে স্থানীয় মানুষের ভিড়ও দেখা গেছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনের দেহাবশেষ, পোশাক ও জুতা পাওয়া যায়।

দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি