খুঁজুন
                               
, ,
           

রদ্রিকে স্বাগত জানাতে গিয়ে অলিভিয়া রদ্রিগোর ইনস্টাগ্রামে বার্সা সমর্থকেরা!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
রদ্রিকে স্বাগত জানাতে গিয়ে অলিভিয়া রদ্রিগোর ইনস্টাগ্রামে বার্সা সমর্থকেরা!

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর পর উচ্ছ্বসিত বার্সেলোনা সমর্থকেরা। নতুন তারকাকে স্বাগত জানাতে গিয়ে অবশ্য এমন এক কাণ্ড করেছেন, যা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো হাসির খোরাক।

ফুটবলার রদ্রিকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ভুল করে মার্কিন পপতারকা অলিভিয়া রদ্রিগোর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে হাজির হয়েছেন অনেক বার্সেলোনা সমর্থক!

ম্যানচেস্টার সিটি থেকে রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর পর তাঁকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ করেছে বার্সেলোনা। ৩০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে কিনতে কাতালান ক্লাবটির খরচ হয়েছে ৬ কোটি ইউরো। পারফরম্যান্সভিত্তিক আরও ১ কোটি ১০ লাখ ইউরো যোগ হতে পারে।

মজার এই ঘটনার পেছনে মূল কারণ রদ্রির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপস্থিতি। ২০২৪ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলারের কোনো সক্রিয় ব্যক্তিগত ফেসবুক, এক্স কিংবা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নেই।

ফলে নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রদ্রির অ্যাকাউন্ট খুঁজতে শুরু করেন সমর্থকেরা। আর নামের মিলেই ঘটে বিপত্তি।

রদ্রির অ্যাকাউন্ট খুঁজতে গিয়ে অনেকেই চলে যান গায়িকা অলিভিয়া রদ্রিগোর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। এরপর তাঁর বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যঘর ভরে উঠতে থাকে বার্সেলোনা সমর্থকদের শুভেচ্ছাবার্তায়।

কেউ লিখেছেন, ‘বার্সেলোনায় স্বাগতম, রদ্রি।’ কেউ আবার নতুন তারকাকে স্বাগত জানিয়ে বার্সেলোনার সমর্থকদের প্রচলিত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

ফলে অলিভিয়ার ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মন্তব্যঘর আচমকাই হয়ে ওঠে বার্সেলোনা সমর্থকদের ভার্চ্যুয়াল আড্ডা।

রদ্রি ও অলিভিয়া রদ্রিগোর নামের মিলই শুধু এই ঘটনার কারণ নয়, বার্সেলোনার সঙ্গে অলিভিয়ার আগের একটি সম্পর্কও রয়েছে।

গত মে মাসে এল ক্লাসিকোর আগে বার্সেলোনার জার্সিতে স্পটিফাইয়ের পরিবর্তে অলিভিয়া রদ্রিগোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল। এর আগে এড শিরান, ট্রাভিস স্কট, কোল্ডপ্লে, কারোল জি, দ্য রোলিং স্টোনস, রোজালিয়া ও ড্রেকের মতো শিল্পীদেরও বিশেষ সংস্করণের জার্সিতে জায়গা দিয়েছিল বার্সেলোনা।

এটি অবশ্য প্রথমবার নয়। ২০২৪ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকাকালে ব্যালন ডি’অর জেতার পরও রদ্রিকে খুঁজতে গিয়ে কিছু সমর্থক ভুল করে অলিভিয়া রদ্রিগোর ইনস্টাগ্রামে হাজির হয়েছিলেন।

এবার রদ্রির বার্সেলোনায় যোগদানের আনন্দে একই ঘটনা আবারও ঘটেছে।

কালের আলো/এসএ

হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দিতে আরও সময় পেল সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দিতে আরও সময় পেল সিআইডি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত শেষ হয়নি এখনো। ফলে পুনঃতদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ কারণে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে নির্বাচনি প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তাকে বহনকারী অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

গত ৬ জানুয়ারি মামলাটিতে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদসহ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ অন্যদের নাম উল্লেখ করা হয়।

তবে বাদীর নারাজি আবেদনের পর আদালতের নির্দেশে মামলাটির পুনঃতদন্ত শুরু হয়। সেই তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এবার আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেই, রাজশাহীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেই, রাজশাহীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

রাজশাহী মহানগরীতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ও ছাড়পত্রবিহীন কসমেটিকস বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন থিম ওমর প্লাজায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ‘কুইন্স পার্ক’ ও ‘কেসি বাজার’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্রবিহীন বিভিন্ন কসমেটিকস পণ্য বিক্রি ও বিতরণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে শ্যাম্পু, সাবান, লিপস্টিক, স্কিন লোশন, স্কিন ক্রিম ও স্কিন পাউডারসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির দায়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাতুল করিম মিজানের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সার্টিফিকেশন মার্কস উইংয়ের কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ। এ সময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল ও নকল পণ্য প্রতিরোধ এবং মানসম্মত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

 

গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুতে টান

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুতে টান

এলএনজি সরবরাহে নতুন করে ধাক্কা লাগায় দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে এলএনজি কার্গোর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বাড়তে থাকে এবং সন্ধ্যার পর লোডশেডিং দ্রুত বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও এক্সিলারেটের এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার সঙ্গে সন্ধ্যায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকাতেও ভাগ করে লোডশেডিং করতে হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি ছিল আরও কঠিন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

এক টার্মিনাল বন্ধ, চাপ পুরো গ্যাস ব্যবস্থায়

এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বিকেলে এক্সিলারেটের টার্মিনালের মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানি করা এলএনজির ওপর মূলত সামিটের টার্মিনালের সরবরাহের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

এর আগে সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরে ১৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে সামিট আবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা টার্মিনালের সক্ষমতার কাছাকাছি নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি ফেরার পরই আবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংকট নতুন করে বাড়ল।

চাহিদা ৩৮০, সরবরাহ ২১৯ কোটি ঘনফুট

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টায় দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া ১৬২ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুটসহ মোট সরবরাহ ছিল ২২৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। ছয় ঘণ্টা পর, সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে। দেশীয় গ্যাসের সরবরাহও সামান্য কমে হয় ১৬২ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। ফলে মোট সরবরাহ নেমে আসে ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুটে।

সরকারি হিসাবে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সে হিসাবে বুধবার সন্ধ্যায় সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ১৬১ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে চাহিদা সামাল দেওয়া হলেও বর্তমান ঘাটতি বিদ্যুৎ, শিল্প ও অন্যান্য খাতে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ পরিবর্তন

গ্যাস সরবরাহ কমার প্রভাব বুধবার সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ১৭ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিং ছিল ১১৭ মেগাওয়াট। দুপুর ২টায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ২০৬ মেগাওয়াটে। সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ১৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বেড়ে হয় ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট। বিকেল ৫টায় চাহিদা আরও বেড়ে ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ নেমে আসে ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে। তখন লোডশেডিং দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০৪ মেগাওয়াটে।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। রাত ৭টায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ৮১৫ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াটে। রাত ৯টায়ও লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৪৪৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ, বুধবার সকাল ১০টায় যেখানে লোডশেডিং ছিল মাত্র ১১৭ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তা বেড়ে ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। প্রায় ২২ গুণের এই বৃদ্ধি একই দিনে বিদ্যুৎ চাহিদা ও উৎপাদন সক্ষমতার ওপর গ্যাস সরবরাহের প্রভাব কতটা গভীর, তা স্পষ্ট করে।

গ্যাস কমলে কেন বাড়ে লোডশেডিং?

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসনির্ভর কেন্দ্রগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারে না। একই সময়ে সন্ধ্যায় আবাসিক ও অন্যান্য খাতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। ফলে একদিকে উৎপাদন কমে, অন্যদিকে চাহিদা বাড়ে—দুইয়ের চাপ একসঙ্গে পড়লে ঘাটতি সামাল দিতে লোডশেডিং করতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতেও বিদ্যুৎ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে চাহিদা দ্রুত বাড়ায় ঘাটতিও বেড়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ