খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিতের অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিতের অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

ঢাকা সেনানিবাসস্থ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে। এখানেই বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ৬ দিনব্যাপী ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২১’। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই পর্ষদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সেনাবাহিনীর উন্নয়নে কর্মকর্তাদের দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: প্রভাবমুক্ত থেকে সৎ-যোগ্যদের সেনা নেতৃত্বে আনার গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

সেনাসদর নির্বাচনী এ পর্ষদের মাধ্যমে কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্ণেল থেকে কর্ণেল পদবীতে পদোন্নতির জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে নীতি নির্ধারণী এই বোর্ড চূড়ান্ত করবে কারা কারা আসবেন সম্মুখসারির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে।

সেনাসদর মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স থেকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি করোনা মহামারির মধ্যেও নীতি নির্ধারণ সংক্রান্ত এই বেঠক আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

নিজের স্বাগত বক্তব্যে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পদোন্নতি পর্ষদ কার্যক্রম পরিচালনা করবে এমন অঙ্গীকার করেন। সেনাবাহিনীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুযোপযোগী সামরিক সক্ষমতা অর্জন করছে বাংলাদেশ। সেনাবাহিনীকে আরও কার্যকর এবং যুযোপযোগী করার লক্ষ্যে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) মেয়াদকালে প্রচুর অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজিত হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদির সংযোজনের ফলে সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও যুদ্ধ উপযুক্ততা এবং সেনা সদস্যদের মনোবলও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে তিনটি ডিভিশন সদর দপ্তর, ১৪টি ব্রিগেড সদর দপ্তর এবং ছোট বড় ১৫৪টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এছাড়াও ৫৬ টি ছোট বড় ইউনিট এডহক হিসেবে গঠন করা হয়েছে। এতে করে আমাদের সামরিক শক্তি ও দক্ষতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেনাবাহিনীতে আগামী দিনে সারফেস টু এয়ার মিসাইল এবং ট্যাংক সিমোলেটর’র মতো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের বিষয়গুলো প্রক্রিয়াধীন বলে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে অটোমেটিক গ্রেনেড লঞ্চার, সারফেস টু এয়ার মিসাইল, অ্যাসল্ট রাইফেল, নাইট ভিশন ডিভাইস, ট্যাংকের জন্য সিমোলেটর, অত্যাধুনিক অরলিকন রাডার কন্ট্রোল গান সিস্টেম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য সরঞ্জামাদি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসবই সম্ভব হয়েছে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের বদৌলতে।’

কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সাথে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করবে নির্বাচনী পর্ষদ-এমন দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই নির্বাচনী পর্ষদ সততা, কর্তব্যবোধ, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সর্বাত্নক সচেষ্ট থাকবে।’

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

সেনা সদরে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মো: আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, এনডিসি কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল আকবর হোসেন, আর্টডকের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.সাইফুল আলমসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ