খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিতের অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিতের অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

ঢাকা সেনানিবাসস্থ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে। এখানেই বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ৬ দিনব্যাপী ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২১’। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই পর্ষদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সেনাবাহিনীর উন্নয়নে কর্মকর্তাদের দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: প্রভাবমুক্ত থেকে সৎ-যোগ্যদের সেনা নেতৃত্বে আনার গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

সেনাসদর নির্বাচনী এ পর্ষদের মাধ্যমে কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্ণেল থেকে কর্ণেল পদবীতে পদোন্নতির জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে নীতি নির্ধারণী এই বোর্ড চূড়ান্ত করবে কারা কারা আসবেন সম্মুখসারির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে।

সেনাসদর মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স থেকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি করোনা মহামারির মধ্যেও নীতি নির্ধারণ সংক্রান্ত এই বেঠক আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

নিজের স্বাগত বক্তব্যে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পদোন্নতি পর্ষদ কার্যক্রম পরিচালনা করবে এমন অঙ্গীকার করেন। সেনাবাহিনীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুযোপযোগী সামরিক সক্ষমতা অর্জন করছে বাংলাদেশ। সেনাবাহিনীকে আরও কার্যকর এবং যুযোপযোগী করার লক্ষ্যে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) মেয়াদকালে প্রচুর অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজিত হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদির সংযোজনের ফলে সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও যুদ্ধ উপযুক্ততা এবং সেনা সদস্যদের মনোবলও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে তিনটি ডিভিশন সদর দপ্তর, ১৪টি ব্রিগেড সদর দপ্তর এবং ছোট বড় ১৫৪টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এছাড়াও ৫৬ টি ছোট বড় ইউনিট এডহক হিসেবে গঠন করা হয়েছে। এতে করে আমাদের সামরিক শক্তি ও দক্ষতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেনাবাহিনীতে আগামী দিনে সারফেস টু এয়ার মিসাইল এবং ট্যাংক সিমোলেটর’র মতো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের বিষয়গুলো প্রক্রিয়াধীন বলে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে অটোমেটিক গ্রেনেড লঞ্চার, সারফেস টু এয়ার মিসাইল, অ্যাসল্ট রাইফেল, নাইট ভিশন ডিভাইস, ট্যাংকের জন্য সিমোলেটর, অত্যাধুনিক অরলিকন রাডার কন্ট্রোল গান সিস্টেম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য সরঞ্জামাদি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসবই সম্ভব হয়েছে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের বদৌলতে।’

কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার সাথে পদস্থ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করবে নির্বাচনী পর্ষদ-এমন দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই নির্বাচনী পর্ষদ সততা, কর্তব্যবোধ, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সর্বাত্নক সচেষ্ট থাকবে।’

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

সেনা সদরে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মো: আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, এনডিসি কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল আকবর হোসেন, আর্টডকের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.সাইফুল আলমসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ