খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রাসায়নিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যানের (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
রাসায়নিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যানের (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে রাসায়নিক কেমিক্যালের অবাধ ব্যবহার বাড়ছে। সহজলভ্যতা থাকায় তৈরি হচ্ছে নানা কারখানা। অনেকক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় ঘটছে মারাত্মক সব দুর্ঘটনাও। ধ্বংস হচ্ছে বিপুল সম্পদ। ঘটছে বহু মানুষের প্রাণহানিও।

কঠিন এমন বাস্তবতায় সশস্ত্র বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশসহ দুর্ঘটনা মোকাবেলায় সাড়াদানকারী সংস্থাসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

একই সঙ্গে তিনি বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের মাধ্যমে বহুমুখী ও ভয়াবহ এসব দুর্ঘটনা প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশের রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতে বাংলাদেশে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (সিডব্লিউসি) কার্যকর করতেও ভবিষ্যত কর্মযজ্ঞের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

মত দিয়েছেন দেশে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানি রপ্তানিকে আরো সুসংহতকরনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু বন্দরের মাধ্যমে আমদানি রপ্তানি করার বিষয়েও।

সোমবার (০৯ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) এর ১৭তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় সুচিন্তিত ও সময়োপযোগী এসব নির্দেশনা প্রদান করেন বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যান।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পদাধিকারবলেই বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যানও তিনি।

নিজ দায়িত্বে আসীন হওয়ার পর গত বছরের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) ১৬ তম সাধারণ সভাতে সভাপতিত্ব করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতবারের মতো এবারও ভার্চ্যুয়াল প্লাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, ১৬ তম সাধারণ সভাতে বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। ১৭ তম সভাতেও একই অঙ্গীকার করেছেন সবাই। পাশাপাশি বাংলাদেশে রাসায়নিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় নীতিমালা এবং এর সমন্বয়কারী সংস্থা তৈরির ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল গতবারের সভায়।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সোমবারের (০৯ আগস্ট) ১৭তম সাধারণ সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মোট ৪২ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এদিন বিএনএসিডব্লিউসি’র বর্তমান কাজগুলো পর্যালোচনা এবং বাংলাদেশে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (সিডব্লিউসি) কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নের জন্য ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কেও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করা হয়।

আইএসপিআর বলছে, এ সভায় বাংলাদেশে কার্যকরী রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা ও কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সিডব্লিউসিকে কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নের জন্য এবং দেশে রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরো সুসংহতকরণের জন্য বর্তমানে প্রচলিত আইন বা বিধিমালা/নীতিমালাসমূহের প্রয়োজনীয় ও যুগোপযোগী সংশোধনের ব্যাপারে সবাই মত প্রকাশ করেন।

এছাড়াও রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালাসমূহ দ্রুত ও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নের জন্য রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ আইন, ২০০৬’ কে ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এ অন্তর্ভূক্ত করার ব্যাপারে সভায় আলোচনা করা হয়।

করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে বিএনএসিডব্লিউসির উদ্যোগে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমগুলো চলমান রাখার বিষয়েও (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ