খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

স্বাধীনতার আনন্দক্ষণ উদযাপন নৌবাহিনীর, জাহাজ ঘুরে তরুণ-যুবাদের জাগ্রত দেশাত্মবোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতার আনন্দক্ষণ উদযাপন নৌবাহিনীর, জাহাজ ঘুরে তরুণ-যুবাদের জাগ্রত দেশাত্মবোধ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

একাত্তর দেখা হয়নি ওদের। মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন, সাহস ও স্মৃতি তাই নতুন প্রজন্মের কাছে বড় বেশি আবেগের। আবার দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী নৌবাহিনীর জাহাজ দেখতে কেমন এ নিয়েও বর্তমান প্রজন্মের কৌতূহলের শেষ নেই। বিস্ময় জাগানিয়া চোখে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অবলোকন করলো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ। বুধবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, বরিশাল ও চাঁদপুরে এসব জাহাজ জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখে নৌবাহিনী। এই পরিদর্শনের সুযোগ হাতছাড়া না করতেই এসব স্থানে ভিড় করেন তরুণ-যুবকেরা। সঙ্গে ছিলেন তাদের অভিভাবকরাও। প্রত্যেকেই প্রকাশ করেন উচ্ছ্বাস। জাহাজ ঘুরে জাগ্রত করেন দেশাত্মবোধ।

সাগর নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই শিক্ষার্থীদের। সেই সাগরে কত ধরনের জাহাজ ভেসে বেড়ায়। তার মধ্যে ব্যতিক্রম যুদ্ধজাহাজ। অত্যাধুনিক সব যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে নৌবাহিনীর সদস্যরা কীভাবে সাগর পাড়ি দেন, কীভাবে বিশ্রাম নেন, কীভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইত্যাকার প্রশ্ন তরুণদের মনে। আবার শিশু-কিশোররা কার্টন, চলচ্চিত্র আর খবরে যে যুদ্ধজাহাজ দেখেন তার সঙ্গে মিল খুঁজছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এসব জাহাজের। সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে একেকটি দলে ভাগ হয়ে নানা বয়সী মানুষ জাহাজগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় জাহাজের সক্ষমতা, নাবিকদের জীবনযাত্রা ও দায়িত্ব সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা।

মুগ্ধতার কথা জানিয়ে একাধিক দর্শনার্থী বলেন, ‘প্রতি বছর বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আমাদের এই সুযোগ করে দেয়। এর মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মের মাঝে ভিন্ন অনুভূতির জোগান দিতে পারি। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড পৃথিবীর শেষ দিন অবধি টিকে থাকুক স্বমহিমায়, এমন প্রত্যাশা আমাদের।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, দিবসটি উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নেভাল জেটিতে বানৌজা সমুদ্র অভিযান, সদর ঘাট ঢাকায় বানৌজা চিত্রা, পাগলা নেভাল জেটি নারায়ণগঞ্জে বানৌজা অতন্দ্র, বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ টার্মিনাল খুলনায় বানৌজা অপরাজেয়, নেভাল বার্থ দিগরাজে বানৌজা ধলেশ্বরী, মেরিন ওয়ার্কশপ জেটি বরিশালে বানৌজা পদ্মা এবং বিআইডব্লিউটিএ ঘাট চাঁদপুরে বানৌজা শহীদ ফরিদ দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে নৌ অঞ্চলসমূহে সকল জাহাজ ও ঘাঁটিতে পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত আলোকসজ্জা করা হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামে অবস্থিত মেরিটাইম মিউজিয়াম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

বাঙালির গৌরবদীপ্ত মহান স্বাধীনতা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে চিরস্মরণীয় ও অনন্যসাধারণ একটি দিন। বাঙালির জীবনে অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস গর্ব-অহংকারের দিনটিতে কৃতজ্ঞচিত্তে জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের স্মরণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ নিয়ে স্বাধীনতার আনন্দক্ষণ উদযাপনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দিনমান তাঁরা দিবসটি পালন করেছে। বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেছে আত্মদানকারী বীর শহীদদের।

৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবসটি যথাযথভাবে পালনে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর নির্দেশে বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বিভিন্ন নৌ অঞ্চলসমূহের মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা নৌ অঞ্চলের সকল জাহাজ ও ঘাঁটিসমূহে বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, নেভি এ্যাংকরেজ স্কুল এন্ড কলেজ, শিশু নিকেতনে যথাক্রমে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং মোংলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, কুচকাওয়াজ এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানসমূহে বিভিন্ন পর্যায়ে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য পরিচালিত বিশেষায়িত স্কুল ‘আশার আলোর’ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এর আগে প্রত্যুষে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের দিনটিতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস পৃথকভাবে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল সোমবার মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পুতিনের মুখপাত্র ও ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ।

ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। আগেও আমরা এমন একটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম।”

সোমবারের ব্রিফিংয়ে পেসকভ আরও জানান, আগের দিন রোববার টেলিফোনে কথা হয়েছে পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে। পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠকের বিভিন্ন তথ্য পুতিনকে জানিয়েছেন।

“প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”, বলেছেন পেসকভ।

ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে। এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী এই বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।

ইরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে বোমা তৈরির প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে, তবে দেশটির পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে বিরোধ চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই বিরোধের জেরেই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ।

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরানকে ১৫টি পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রস্তাবনার একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ইরানের এই ইউরেনিয়াম হয় ধ্বংস করতে হবে, নয়তো অপসারণ করতে হবে।

সূত্র : এএফপি, ফার্স্টনিউজ

কালের আলো/এসএকে

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে