খুঁজুন
                               
, ,
           

৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সাভারের আশুলিয়ায় ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যা করে তাদের লাশ পুড়িয়ে ফেলানোর মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

৫৯১ পৃষ্ঠার এই রায়ে অপরাধের ভয়াবহতা এবং আসামিদের সংশ্লিষ্টতার বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছেন আদালত।

রোববার (১৫ মার্চ) পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশ করা হয়। তার আগে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এতে স্বাক্ষর করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন- সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন- ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস ও ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি উত্তর) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।

অন্যদিকে আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আরাফাত উদ্দীন ও কামরুল হাসানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজসাক্ষী হওয়ায় আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করা হয়েছে।

তবে এই রায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি অংশ নেওয়ার পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ প্রসিকিউশন পক্ষ উপস্থাপন করতে পারেনি।

রায়ের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল বলেন, কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোর পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আনতে পারেনি প্রসিকিউশন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও তাদের মাত্রা যথাযথভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সাজা কমেছে অনেকের। তাদের দায় এসেছে মূলত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে অপারেশন পরিচালনায় সহায়তা।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি মামলাটির সংক্ষিপ্ত রায় প্রকাশ করা হয়।

এ মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন। তারা হলেন- আবদুল্লাহিল কাফী (যাবজ্জীবন), শহিদুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), আরাফাত হোসেন (যাবজ্জীবন), আবদুল মালেক (মৃত্যুদণ্ড), আরাফাত উদ্দীন (৭ বছরের কারাদণ্ড), কামরুল হাসান (৭ বছরের কারাদণ্ড), শেখ আবজালুল হক (ক্ষমা) ও মুকুল চোকদার (মৃত্যুদণ্ড)।

পলাতক আট আসামি হলেন- সাইফুল ইসলাম (মৃত্যুদণ্ড), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), আসাদুজ্জামান রিপন (যাবজ্জীবন), এ এফ এম সায়েদ (মৃত্যুদণ্ড), মাসুদুর রহমান (যাবজ্জীবন), নির্মল কুমার দাস (যাবজ্জীবন), বিশ্বজিৎ সাহা (মৃত্যুদণ্ড) ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া (মৃত্যুদণ্ড)।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে হত্যা করে তাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত ছিলেন, তাকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

যাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন, আস–সাবুর, তানজিল মাহমুদ, বায়েজিদ বোস্তামী ও আবুল হোসেন প্রমুখ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ থেকে এটি প্রথম রায় হলো।

অন্যদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দুটি মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বায়তুল মোকাররমে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
বায়তুল মোকাররমে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে  শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা চলবে এক মাস।

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার বইমেলা উদ্বোধনের কথা থাকলেও পরে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী আজ থেকে মেলার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে আয়োজিত এ মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ইসলামি বই পাওয়া যাবে। এতে স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও ইসলামি বইয়ের প্রকাশকসহ মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

মেলায় পবিত্র কোরআন, তাফসির, হাদিস, সিরাত, ইসলামি দর্শন, ইসলামের ইতিহাস, গবেষণা ও ধর্মীয় সাহিত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই প্রদর্শন ও বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপযোগী ইসলামি বইয়েরও বিশেষ আয়োজন থাকবে।

এক জায়গায় বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বই দেখার ও পছন্দের বই সংগ্রহের সুযোগ থাকায় ইসলামি সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের মধ্যে মেলাটি সাড়া ফেলবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। বিশেষ করে নতুন প্রকাশিত বইয়ের সঙ্গে পাঠকদের পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মাসব্যাপী এ আয়োজনকে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মিলনমেলায় পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, বইমেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, বই পড়ার অভ্যাস এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ আরও জোরদার হবে।

বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে পবিত্র কোরআন, হাদিস এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ তুলে ধরতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএ

হাইটেক পার্কে অবকাঠামো আছে, নেই প্রত্যাশিত ফল

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
হাইটেক পার্কে অবকাঠামো আছে, নেই প্রত্যাশিত ফল

দেশে একের পর এক হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণ এবং বরাদ্দ বাড়লেও প্রত্যাশিত ফল মিলছে না। অবকাঠামো নির্মাণে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও দক্ষ জনবল, শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা সহায়তার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় হাইটেক পার্কগুলোর লক্ষ্য ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) ‘আজকের অ্যাজেন্ডা’ ভার্চুয়াল সিরিজের ‘হাইটেক পার্কস: মিশন কী? বাস্তবতা কী?’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. এম. রকনুজ্জামান জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। অবকাঠামো তৈরি করলেই প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও বিপ্লব ঘটবে—এমন ধারণা থেকেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম, দক্ষ জনবল ও শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

যশোর হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পার্কটিতে বর্তমানে ৪০টি কোম্পানি রয়েছে। তবে কার্যকর ইকোসিস্টেম সহায়তা না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেকটা নিজেদের উদ্যোগেই টিকে থাকতে হচ্ছে। প্রশিক্ষিত জনবলের চলে যাওয়া, স্থাপনার দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং বেশি ইউটিলিটি খরচও বড় সমস্যা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহী হাইটেক পার্কের অভিজ্ঞতায় কিছুটা আশার চিত্র তুলে ধরেন নেট্রো সিস্টেমস ও টেলজেনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী মো. আশাফুদ্দোজা শিশির। তাঁর মতে, রাজশাহীর প্রযুক্তি উদ্যোগগুলো বৈশ্বিক পর্যায়ে পৌঁছালেও হাইটেক পার্কে কোম্পানিগুলোর সুবিধা এখনো মূলত কর অব্যাহতির মধ্যেই সীমিত। স্টার্টআপগুলোর জন্য সরাসরি সহায়তাও খুব কম।

ইউওয়াই সিস্টেমসের চেয়ারপারসন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা এ. রহমান বলেন, হাইটেক পার্ক নিয়ে দেশে বড় বড় প্রতিশ্রুতির একটি দীর্ঘ চক্র তৈরি হয়েছে। কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে জমি বরাদ্দ পাওয়ার পরও সহায়ক সেবা না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের বরাদ্দ ফিরিয়ে দিয়েছে।

ডিএনএস সফটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফেল কবির বলেন, হাইটেক পার্কগুলোর পরিকল্পনার সঙ্গে সরকারি নীতিরও অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু রপ্তানি প্রণোদনার ওপর নির্ভর না করে মাদারবোর্ড ও চিপ ফ্যাব্রিকেশনের মতো মৌলিক প্রযুক্তি উৎপাদনের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, হাইটেক পার্কের অবস্থান নির্বাচনকেও বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তাইয়েব। তাঁর মতে, বিদ্যমান ইপিজেড বা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় না করে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এলাকায় পার্ক স্থাপন করায় অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৈরি হয়নি।

আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য শুধু ভৌত অবকাঠামো নয়, সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিল্পচালিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

বক্তাদের মতে, হাইটেক পার্কের মডেল পুরোপুরি বাতিল করার প্রয়োজন নেই। বরং উন্নত ইউটিলিটি সুবিধা, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, দক্ষ জনবল এবং কার্যকর ব্যবসায়িক সহায়তা নিশ্চিত করে মডেলটিকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। কোম্পানিগুলোকে শুধু ভাড়াটে হিসেবে নয়, অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা গেলে দেশের প্রযুক্তি খাত ও বিনিয়োগে হাইটেক পার্কগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এসএ

উর্দু কবি ও সমাজসেবক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদের ইন্তেকাল

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
উর্দু কবি ও সমাজসেবক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদের ইন্তেকাল

উর্দু সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি এবং পুরান ঢাকার সমাজসেবক ও সংগঠক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ, যিনি ‘বুড্ডান সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন, মারা গেছেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পুরান ঢাকার সাত রওজা মহল্লায় নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

তিনি স্ত্রী, পাঁচ সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ জোহর পুরান ঢাকার হোসনি দালান ইমামবাড়ায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাত রওজার পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

১৯৫০ সালের ১৪ জানুয়ারি পুরান ঢাকার সাত রওজা মহল্লায় একটি মুঘল অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ। তাঁর বাবা নবাব সৈয়দ আলী মোহাম্মদ (ছোট্টন) ছিলেন ঢাকার বিশিষ্ট জমিদার।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ। তিনি বিভিন্ন সময়ে হোসনি দালান ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, জাতীয় ওয়াকফ কমিটির পরিচালনা সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দেন।

পুরান ঢাকায় মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত মোহাম্মদী বেগ ইমামবাড়া ওয়াকফ এস্টেটের মুতওয়াল্লী হিসেবেও তিনি আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন।

মরহুমের কুলখানি আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বাদ মাগরিব পুরান ঢাকার হোসনি দালানে এবং বাদ এশা সাত রওজা খাজা নেহাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

কালের আলো/এসএ