খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবপাচার-চোরাচালানে বদলাচ্ছে আইনের চোখ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
মানবপাচার-চোরাচালানে  বদলাচ্ছে আইনের চোখ

মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান—দুটিই মানুষের অনিয়মিত বিদেশযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও আইনগতভাবে এক নয়। নতুন ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’-এ অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক ও স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি সামনে এনে এই পার্থক্য যথাযথভাবে চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের মধ্যে পার্থক্য যথাযথভাবে চিহ্নিত করে অপরাধের ধরন অনুযায়ী কার্যকর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’

  • পৃথক অপরাধের পৃথক তদন্ত, ভুক্তভোগী সুরক্ষা ও অপরাধী চক্র শনাক্তে গুরুত্ব
  • সীমান্তের বাইরে তদন্ত ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের তাগিদ

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমনে নতুন আইন ২০২৬ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যে নতুন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব দিক স্পষ্ট হয়েছে—একই ঘটনায় সবাইকে একই চোখে না দেখে অপরাধের ধরন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা এবং পেছনের নেটওয়ার্ক আলাদাভাবে শনাক্ত করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ব্রিটিশ হাইকমিশন ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মশালায় অভিবাসী চোরাচালান, ভিসা ও কাগজপত্র জালিয়াতি, অপরাধী চক্র শনাক্তকরণ, ভুক্তভোগী সুরক্ষা এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হয়।

‘অপরাধী’ দেখার আগে ভুক্তভোগী শনাক্তের বার্তা
সিনিয়র সচিব বিশেষভাবে বলেছেন, অনিয়মিত পথে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করা প্রত্যেক ব্যক্তি অপরাধী নাও হতে পারেন। প্রতারণা, শোষণ কিংবা মানবপাচারের শিকার হয়েও কেউ এমন পথে যেতে পারেন। তাই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের শনাক্ত, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। এই বক্তব্য নতুন আইনের প্রয়োগে মানবিক ও তদন্তগত—দুই দিকই সামনে আনে। কারণ দালাল বা অপরাধী চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত একজন ব্যক্তি এবং সেই চক্রের সক্রিয় সদস্যের ভূমিকা এক নয়। ফলে তদন্তের শুরুতেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সীমান্তে নয়, নজরদারি বাড়াতে হবে পুরো চক্রে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী অভিবাসী চোরাচালানকে সংঘবদ্ধ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, শুধু সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো যথেষ্ট নয়। ভিসা ও কাগজপত্র জালিয়াতি, দালাল-মধ্যস্থতাকারী এবং তাদের পেছনে থাকা বৃহত্তর অপরাধী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এই বক্তব্যের গুরুত্ব হলো, অভিবাসী চোরাচালানকে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা হিসেবে না দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ অপরাধী নেটওয়ার্ক হিসেবে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

প্রতারণামূলক নিয়োগ থেকে শুরু করে ভুয়া ভিসা, জাল নথি, অর্থের লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ—সবগুলো যোগসূত্র শনাক্ত করা ছাড়া চক্রের মূল কাঠামো ভাঙা কঠিন।

আইনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের সমন্বয়ই বড় পরীক্ষা
কর্মশালায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় ও মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন। সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন নতুন আইনের বিভিন্ন বিধান তুলে ধরেন। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সম্ভাব্য ভুক্তভোগী শনাক্তকরণ ও তদন্তের ব্যবহারিক দিক তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্য সিনিয়র সচিবের নীতিগত অবস্থানকে আইনগত ও ব্যবহারিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেছে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পুলিশ, প্রশাসন, ইমিগ্রেশন ও তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান জোরদারের বিষয়টিও উঠে আসে। নতুন আইনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু অপরাধের নতুন সংজ্ঞা কার্যকর করা নয়; বরং মাঠপর্যায়ে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের পার্থক্য সঠিকভাবে নির্ধারণ, প্রকৃত অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত এবং একই সঙ্গে সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সিনিয়র সচিবের বক্তব্য সেই সমন্বিত প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তাই সামনে এনেছে।

এএইচ/এমকে

বিদেশি পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা, বাড়ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
বিদেশি পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা, বাড়ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা

সাগরের নীল জলরাশি, দিগন্তজোড়া আকাশ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ও সবুজে ঘেরা উপকূলীয় প্রকৃতির টানে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বাড়ছে বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। শুধু সমুদ্রসৈকত নয়, স্থানীয় সংস্কৃতি, বন, নদী, চরাঞ্চল ও মানুষের জীবনযাত্রা দেখতে কুয়াকাটার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকাতেও ঘুরছেন বিদেশিরা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটা সৈকত, মিনি সুইজারল্যান্ড, রাখাইন পল্লী ও লেম্বুর বন এলাকায় বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের ঘুরতে দেখা যায়। কেউ সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন, কেউ নৌপথে ঘুরছেন। আবার কেউ ম্যানগ্রোভ বন, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় মানুষের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখছেন।

স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, রাশিয়া, সুইজারল্যান্ড, নাইজেরিয়া, ভারত, নেপাল ও আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটক কুয়াকাটায় আসছেন। তাদের অনেকেই কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে আবারও এখানে আসছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড ও বাইক রাইডার আবু সালেহ বলেন, প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি বিদেশি পর্যটকদের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নিয়ে যাচ্ছেন। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে মিনি সুইজারল্যান্ড ও লেম্বুর বন ঘুরে দেখার আগ্রহ বেশি। অনেক পর্যটক কয়েক মাস পরপর আবারও কুয়াকাটায় আসেন বলেও জানান তিনি।

মিনি সুইজারল্যান্ড এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তারিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশি পর্যটকরা ওই এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশ মুগ্ধ হন। অনেকে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে খাল ও আশপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে বিভিন্ন খাবারও কেনেন।

হোটেল খান প্যালেসের অপারেশন ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান সাকুর জানান, তাদের হোটেলে দেশি অতিথিদের পাশাপাশি নিয়মিত বিদেশি পর্যটকরাও থাকেন। বিশেষ করে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর রাশিয়ান পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল। হোটেলের সুইমিং পুল ও খাবার বিদেশি অতিথিদের কাছে জনপ্রিয় বলেও জানান তিনি।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন, কুয়াকাটার আকর্ষণ শুধু সমুদ্রসৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। সাগর, নদী, বন, চর, জেলে পল্লী, রাখাইন সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার বৈচিত্র্য বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে টুরিস্ট পুলিশ। কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ মো. নাজমুল হাসান বলেন, বিদেশি পর্যটকরা যে হোটেলে অবস্থান করেন, সেখান থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে পুলিশকে জানানো হয়। এরপর তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হয়। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ও শিক্ষিত গাইড নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশি পর্যটকদের আগমনকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের যোগাযোগব্যবস্থা, তথ্যসেবা, নিরাপত্তা, আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কুয়াকাটা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এসএ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি এক দিন এগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি এক দিন এগিয়ে

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গত ১২ সেপ্টেম্বরের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ২০ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকায় পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের তারিখ সংশোধন করে ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকায় পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি ২৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বনির্ধারিত তারিখের এক দিন আগে অর্থাৎ ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ উপলক্ষে ছুটি পালিত হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

 তিন দফা দাবিতে শেকৃবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
 তিন দফা দাবিতে শেকৃবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রস্তাবিত ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদে শুধু রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগসহ তিন দফা দাবিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. মহবুবুজ্জামান একাডেমিক ভবনের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদে শুধু রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগ, ভেটেরিনারিয়ান ও ডিপ্লোমাধারীদের দায়িত্ব ও পদোন্নতিতে সুস্পষ্ট সীমারেখা এবং প্রতিটি উপজেলায় চারটি করে ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃষ্টি করে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া।

শিক্ষার্থী মিনহাজ আহমেদ নাইম বলেন, এলডিডিপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনেক ভেটেরিনারিয়ান বেকারত্বের মুখে পড়েছেন। একই সময়ে ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নতুন পদ সৃষ্টি হওয়ায় দায়িত্ব ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট সীমারেখা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, একজন ভেটেরিনারিয়ান দিয়ে উপজেলা পর্যায়ের সব সেবা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত নিয়োগের পাশাপাশি ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়েও ভেটেরিনারি সেবা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএ