খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর বাসা থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ শুরু ১ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বাসা থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ শুরু ১ অক্টোবর

আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিইডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

মীর শাহে আলম বলেন, সাধারণ মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হলে সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগে নিজেদের উদ্যোগে এর ব্যবহার শুরু করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স, হাটবাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপন করা হলে মানুষ এর ব্যবহার সরাসরি দেখতে পারবে। এতে বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনে ১ অক্টোবর থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোও সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পর নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সৌর প্যানেল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এতে প্যানেলে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তা সমাধান করবে। পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সহযোগিতা করবে।

সভায় এলজিইডির কর্মকর্তাদের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি স্থাপনাগুলোতে দ্রুত সৌর প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ও হাটবাজারগুলোকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডক্টর আব্দুল মঈন খান, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে: সেতুমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে: সেতুমন্ত্রী

আগামী ২০২৯ সাল নাগাদ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন উন্নীতকরণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেন প্রকল্পটি অনেক আগে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাড়ে ৪ বছর হয়ে গেলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৬ মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ এখন প্রায় ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি। আশা করছি, দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ হয়ে যাবে। ভৌত কাজের অগ্রগতিও প্রায় ২৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের কাজে যেখানে বিচ্যুতি আছে, সেগুলো অতিক্রম করে আমরা এই সড়কটি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক। বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক৷ আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি দরপত্র অনুসারে নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চাই।

তিনি আরও বলেন, বর্তামানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক৷ তবে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, যেহেতু ৪ বছর কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার খুব বেশি মনযোগী ছিল না এই প্রকল্প নিয়ে। ভূমি অধিগ্রহণ বড় সমস্যা ছিল, সেটা থেকে উত্তরণ হতে চলেছি আমরা। ভৌত কাজ যেখানে সন্তোষজনক নয়, সেটা কীভাবে আরও জোরালো করা যায়- সেই চেষ্টা করছি আমরা।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শোয়ে রানওয়েতে পেটার প্রতিবাদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শোয়ে রানওয়েতে পেটার প্রতিবাদ

লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে সুইডিশ ফ্যাশন ব্র্যান্ড এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শোয়ে রানওয়েতে ঢুকে প্রতিবাদ করেছেন প্রাণী অধিকার সংগঠন পেটার তিন কর্মী। ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত শো চলাকালে তাঁরা বারবার রানওয়েতে প্রবেশ করে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। প্ল্যাকার্ডে ভেড়ার পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানানো হয়।

পেটা—পিপল ফর দ্য এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিমেলস—১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রাণী অধিকার সংগঠন। পোশাক ও ফ্যাশনশিল্পে পশুর চামড়া, পশম, উলসহ প্রাণিজ উপকরণের ব্যবহার বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার চালিয়ে আসছে সংগঠনটি।

প্রতিবাদকারীরা রানওয়েতে প্রবেশ করলেও এইচঅ্যান্ডএমের নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের সঙ্গে কোনো ধরনের শারীরিক সংঘর্ষে জড়াননি। তাঁরা প্রতিবাদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। পরে প্রতিবাদকারীদের গায়ে হাত না দিয়ে রানওয়ে থেকে নেমে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং তাঁদের অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার সময় এইচঅ্যান্ডএমের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামনের সারিতে বসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিবাদ চললেও ফ্যাশন শো বন্ধ হয়নি।

আলোকচিত্রী নিক নাইটের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত এই শোয়ে এইচঅ্যান্ডএম তাদের নতুন কালেকশন উপস্থাপন করে। এতে ঐতিহাসিক রোমান্টিক আবহে অনুপ্রাণিত পোশাক, চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত পুরুষদের পোশাক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি দৃশ্যের সমন্বয় দেখা যায়।

এর আগে নিউইয়র্কে ফ্যাশন ব্র্যান্ড কসের একটি শোতেও পেটার কর্মীরা একই ধরনের প্রতিবাদ করেছিলেন। সেই ঘটনায় ফ্যাশন ডিজাইন অব আমেরিকার (সিএফডিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কোলবের সঙ্গে এক প্রতিবাদকারীর শারীরিক সংঘর্ষের ঘটনা আলোচনায় আসে।

লন্ডনের ঘটনায় অবশ্য নিরাপত্তাকর্মীরা সংঘর্ষ এড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে প্রতিবাদের মধ্যেও নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

সূত্র: ডব্লিউডব্লিউডি ও টাইমস

কালের আলো/এসএ

 

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগ, লিখিত অভিযোগে অনীহা

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগ, লিখিত অভিযোগে অনীহা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বহিরাগত ও বখাটেদের বিরুদ্ধে। ক্যাম্পাসের নির্জন সড়ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস, স্থানীয় বাজার ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ, পিছু নেওয়া, অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভয়, সামাজিক সংকোচ ও অভিযুক্তদের পরিচয় না জানার কারণে অনেকেই এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন না। ফলে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহরসহ ক্যাম্পাসের আশপাশের এলাকায় বসবাস করায় প্রতিদিন যাতায়াতের পথে তাদের নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসেও বহিরাগতদের গা ঘেঁষে বসার চেষ্টা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের অভিযোগ রয়েছে।

এক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, শেখপাড়া বাজারে কেনাকাটা করতে গেলে এক ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে এবং একপর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে শরীরে হাত দেন। আরেক শিক্ষার্থী জানান, সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের ভেতরে কয়েকজন তাঁকে পিছু নিয়ে শিস দিতে দিতে উত্ত্যক্ত করেন। ভয়ে একপর্যায়ে তিনি দৌড়ে সেখান থেকে চলে যান।

আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ২৩ জুন পরীক্ষা শেষে মেসের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি পেছন থেকে তাঁকে জাপটে ধরে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। তাঁর চিৎকার শুনে মেসের ম্যানেজার এগিয়ে এলে ওই ব্যক্তি চলে যান। একই ব্যক্তি আরও কয়েকজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের কমিউনিটি সেন্টার থেকে থানার গেট পর্যন্ত সড়কটিও নির্জন হওয়ায় সন্ধ্যার পর সেখানে চলাচলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শাহিনুজ্জামান বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগ সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে কমিটি গঠন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বহিরাগত নিয়ন্ত্রণেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত ফরমে লিখিত অভিযোগ করতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষের বক্তব্য নিয়ে তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগের ধরন অনুযায়ী হাইকোর্টের নীতিমালা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

তিনি জানান, কমিটির সদস্য-সচিব ইব্রাহিম খলিলের কাছ থেকে অভিযোগের ফরম সংগ্রহ করা যাবে। হয়রানির শিকার শিক্ষার্থীদের ০১৯২৪৫৫২৭৫৪ ও ০১৮৭৫০৯০১২৫ নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. হামিদা খাতুন বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিযোগ করার মতো পরিবেশ এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তবে সচেতনতা বাড়াতে নবীন শিক্ষার্থীদের নির্দেশিকা দেওয়া, বিভিন্ন ভবনে অভিযোগের প্রক্রিয়া জানিয়ে ব্যানার টানানো এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ