খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ভালো মানুষ হতে বললেন সেনাপ্রধান, আলোড়িত-উদ্দীপ্ত মেধাবী ক্যাডেটরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ভালো মানুষ হতে বললেন সেনাপ্রধান, আলোড়িত-উদ্দীপ্ত মেধাবী ক্যাডেটরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

৫২.৩৭ একর আয়তনের সুবিশাল ক্যাম্পাস। সিলেট শহরের বিমানবন্দর সড়কে ছায়া সুনিবিড় সিলেট ক্যাডেট কলেজ; আলোকিত মানুষ গড়ার প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুনও কঠোর-কঠিন। দেশের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়মানুবর্তিতা ও সুশৃঙ্খলতায় অনন্য এ প্রতিষ্ঠানটির মেধাবী ক্যাডেটরা এবার পেশাগত স্বপ্নপূরণের প্রেরণা পেয়েছেন। হয়েছেন আলোড়িত-উদ্দীপ্ত।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সিলেট ক্যাডেট কলেজের তিন দিনব্যাপী অষ্টম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলো ছড়ানোর ‘বাতিঘর’ মেধাবী ক্যাডেটদের মানবিক, নৈতিক ও বিবেকবোধের শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে তাদেরকে ভালো মানুষ হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

স্বদিচ্ছা, আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে ক্যাডেটদের সৌন্দর্যবোধ ও সৃজনধর্মী প্রতিভার বিকাশ ঘটলেও নিজের বিবেকের স্বচ্ছ থাকার জন্য হলেও ভাল মানুষ হওয়াকেই জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

সংকীর্ণতা, স্বার্থপরতা, সংস্কার, লোভ-লাভ-মোহ-ক্রোধ-লালসা মুক্ত থেকে পরস্পরকে জানা-বোঝা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মেধাবী ক্যাডেটদের জীবনে উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার মর্মবাণীও উচ্চারণ করেছেন জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আবার আগামীর নেতৃত্বের জন্যই তাদের প্রতি জাতির প্রত্যাশা ও অপেক্ষার কথাও বলেছেন। সেনাপ্রধান বলেছেন, ‘জীবনে উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণ কর এবং তা অর্জনে কঠোর পরিশ্রম কর। তোমাদের মতো মেধাবী নেতৃত্বের জন্য জাতি অপেক্ষা করে আছে।’

সুনাগরিক তথা সম্পন্ন মানুষ হতে দেশপ্রেম অপরিহার্য। একজন সুনাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ ও ইতিবাচক মনোভাব সমাজ পরিবর্তনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক সমাজ বিনির্মাণে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি চিন্তাশক্তি, ভাষাজ্ঞান ও সৃজনশীল ক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৩০ লাখ প্রাণের তাজা রক্ত উৎসর্গ করে বিজয়ের এ রক্তের মূল্য ও সম্মান মেধাবীদের রক্ষা করতে হবে, এমন ইঙ্গিতও মিলেছে সেনাপ্রধানের বক্তব্যে।

জেনারেল আজিজ আহমেদ মেধাবী ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা কর, নৈতিকতা ধরে রাখো এবং নিজেদের মাঝে দেশপ্রেমের স্পৃহা বজায় রাখো।’ বক্তব্যের শুরুতে সেনাপ্রধান বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এবং শ্রদ্ধা জানান ৩০ লাখ শহীদদের যাদের অসামান্য অবদানে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও সাবেক ক্যাডেটদের পুনর্মিলনীর স্মৃতি রক্ষার্থে কলেজের শহীদ মিনার এলাকায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও অসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, সাবেক অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও অনুষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সেনাপ্রধান বর্তমান ও সাবেক ক্যাডেটদের দৃষ্টিনন্দন কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন।

তারা জানায়, তিন দিনব্যাপী সিলেট ক্যাডেট কলেজের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) শুরু হয়। প্রতি চার বছর পর পর পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়ে থাকে।

এতে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন এক অনাবিল আনন্দের সাথে দৃঢ়তর হয় এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও সংবেদনশীলতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি হয় এই পুনর্মিলনীতে। আগামী শনিবার (২১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান চলবে।

শুভেচ্ছা উপহার সেই ছবি

সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ঢাকা সেনানিবাসে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অসামান্য সেবাপদকপ্রাপ্তদের প্রধানমন্ত্রী পদকে ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ পদকপ্রাপ্তদের অন্যতম ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেনাপ্রধানের সেই ছবিই সিলেট ক্যাডেট কলেজের ৮ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে জেনারেল আজিজ আহমেদকে।

এ সময় সেনাপ্রধানের জীবনসঙ্গী দিলশাদ নাহার আজিজ, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল শামসুল হকসহ উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএইচ/এমএএএমকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ