খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

প্রেমের যেমন আনন্দ আছে, বিচ্ছেদের আছে তেমনি এক গভীর দহন। সেই প্রেম আর বিরহের চিরন্তন হাহাকার নিয়ে হাজির হলেন ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। মুক্তি পেয়েছে তার আসন্ন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর নতুন গান ‘পিরিতি’। তবে গানের কথা বা সুরের চেয়েও দর্শক-শ্রোতাদের বেশি চমকে দিয়েছে গানের ভিডিওতে শাকিব খানের উপস্থিতি।

পুরো গানে এক বিধ্বস্ত চেহারায় কারাবন্দী অবস্থায় দেখা গেছে এই মেগাস্টারকে। ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের এই গানের পুরো চিত্রায়ন হয়েছে জেলখানার ভেতরে। ভিডিওতে শাকিব খানকে অত্যন্ত জীর্ণ ও বিধ্বস্ত লুকে দেখা গেছে। অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তার চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে তীব্র যন্ত্রণা।

তবে রূপালি পর্দার এই নায়ক ঠিক কী কারণে জেলে গেছেন, তা নিয়ে সিনেমার নির্মাতা পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্পষ্ট আভাস দেওয়া হয়নি। এই রহস্যই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাকিব ভক্তদের মাঝে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

‘পিরিতি’ গানটি মূলত ফোক এবং অ-ক্যাপেলা ঘরানার মিশ্রণে তৈরি। কবি হাসান রোবায়েতের কাব্যিক শব্দমালায় গানটিতে সুর দিয়েছেন আহমেদ হাসান সানি। আর এতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় ড্রামার ও সংগীতশিল্পী পান্থ কানাই। তার দরাজ কণ্ঠের গায়কী গানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

গানের সংগীত পরিচালনা ও সংগীতায়োজন করেছেন জাহিদ নীরব। লিরিক্সের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে তীব্র আকাঙ্ক্ষা আর মানসিক যন্ত্রণার এক নিপুণ মেলবন্ধন। বিশেষ করে গানের একটি অংশ শ্রোতাদের বেশ আপ্লুত করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, ‘পিরিতি জানে না কালা কোনও সংগ্রাম, এ প্রাণ ডালিম যেন ফেটে দুই ভাগ।’

‘সান মোশন পিকচার্স’-এর ব্যানারে নির্মিত ‘রকস্টার’ সিনেমার এই গানটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’-তে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর থেকেই গানটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

উদ্বেগজনক মোড় নিতে পারে ডেঙ্গু

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
উদ্বেগজনক মোড় নিতে পারে ডেঙ্গু

সারা দেশে মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতার কারণে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক মোড় নিতে পারে। গত মাসের তুলনায় চলতি জুন মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় চারগুণ বেড়েছে।চলতি বছরের মে মাসের ২৫ দিনে যেখানে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৬০৯ জন সেখানে জুন মাসের ২৫ দিনে ভর্তি হয় ২ হাজার ৩১৮ জন। এক মাসের ব্যবধানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ২৮১ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এডিস মশার বিস্তার এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরের এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জুলাইয়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা পাঁচগুণ এবং আগস্টে দশগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার মশা নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত ফগিং বা ধোঁয়া দেওয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের উচিত মশার লার্ভা ধ্বংস করা এবং উৎপত্তিস্থল নির্মূলের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। শুধু যেখানে ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে, সেই নির্দিষ্ট স্থানগুলোতেই ফগিং করা উচিত। ঢালাওভাবে ফগিং করে কোনো লাভ হচ্ছে না, অথচ এটিই এখন মশা নিধনের প্রধান পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

গত বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালের মে মাসের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয় ১ হাজার ৪০০ জন। আর জুন মাসের ২৫ দিনে ভর্তি হয় ৪ হাজার ৫২৫ জন। বৃদ্ধির হার ছিল ২২৩ শতাংশ। আর মে মাসের ২৫ থেকে জুনের ২৫ তারিখ পর্যন্ত এক মাসে ভর্তি হয় ৪ হাজার ৮৯৮ জন। বৃদ্ধির হার ছিল ২৫০ শতাংশ। গত বছর পুরো মে মাসের তুলনায় এ বছরের মে মাসের রোগী ভর্তি ৬০ শতাংশ রোগী কম। ২০২৫ সালের মে মাসে ভর্তি হয় ১ হাজার ৭৭৩ জন। এবার ভর্তি হয়েছে ৭১৪ জন।

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে গত ২৩ জুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধবিষয়ক জাতীয় কমিটি’র প্রথম সভা হয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টাস্কফোর্সটি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি, প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের তথ্য দ্রুত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চলতি মাসের শুরুতে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলো ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ বেড সংরক্ষণ করবে। এসব রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ভিজিট ফি নেওয়া হবে না। পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয়ে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে সভা শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। করোনার সময়ের মতো সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতাল মালিক, গণমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু কীভাবে প্রতিরোধ করতে হয় তা আমাদের সবারই জানা আছে। এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমরা যদি মশার বিস্তার আটকাতে না পারি, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমানো যাবে না। এখন যেখানে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, তা দেখে দেখে সেই সব জায়গা ব্যাপকভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তবে এবার এখন পর্যন্ত যা দেখছি সরকার আন্তরিক। সরকারপ্রধান নিজেই এটা নিয়ে কথা বলছেন, কাজ করছেন। এটা ভালো দিক। তবে আমাদের আর বেশি সতর্ক হতে হবে। কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২

দাম কমার দুদিনের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। গত ২৪ জুন এক লাফে ৫ হাজার টাকারও বেশি দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। এর একদিন পর আরও ২ হাজার টাকা দাম কমানো হয়। তবে দাম কমানোর ঘোষণা দুদিনের বেশি স্থায়ী হয়নি।

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

গরম বাড়লেই কি কমে বুদ্ধি? যা বলছে গবেষণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
গরম বাড়লেই কি কমে বুদ্ধি? যা বলছে গবেষণা

প্রচণ্ড গরমের দিনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকা উচিত

প্রচণ্ড গরমে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো, খুব সাধারণ একটি হিসাবও যেন ঠিকমতো মিলছে না। কোনও সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে বারবার দ্বিধায় পড়ছেন। অফিসের কাজে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই ভাবেন, এটি হয়তো শুধু ক্লান্তি।

কিন্তু গবেষণা বলছে, বিষয়টি এর চেয়েও গভীর।

উচ্চ তাপমাত্রা শুধু শরীরকে নয়, মানুষের মস্তিষ্ককেও প্রভাবিত করতে পারে। এতে স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। এমনকি দীর্ঘদিন অতিরিক্ত গরমে বসবাস করলে তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদেও দেখা দিতে পারে।

কেন গরমে ধীর হয়ে যায় মস্তিষ্ক?

মানবদেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীরকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। প্রচণ্ড গরমে শরীর তাপ কমানোর চেষ্টা করে, ফলে রক্তপ্রবাহের একটি বড় অংশ ত্বকের দিকে চলে যায়। গবেষকদের ধারণা, এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ও শক্তি সরবরাহের পরিবর্তন ঘটে, যা চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সাময়িকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে।

এর সঙ্গে যোগ হয় গরমজনিত ক্লান্তি এবং ঘুমের সমস্যা। ফলে মস্তিষ্কের ওপর চাপ আরও বেড়ে যায়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে থাকা আর না থাকার পার্থক্য

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে তীব্র তাপপ্রবাহের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর একটি গবেষণা চালান গবেষক সেদেনো লরেন্ট ও তার সহকর্মীরা।

১২ দিন ধরে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন দুটি মানসিক দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হয়। একদল শিক্ষার্থী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভবনে থাকতেন, অন্যদল থাকতেন এমন ভবনে যেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ছিল না।

ফলাফলে দেখা যায়, যেসব শিক্ষার্থী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ছিলেন না, তারা গাণিতিক পরীক্ষায় প্রতি মিনিটে কম সঠিক উত্তর দিয়েছেন। মনোযোগ ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত যাচাইয়ের পরীক্ষাতেও তারা তুলনামূলক ধীর ছিলেন।

শুধু সাময়িক নয়, দীর্ঘমেয়াদেও প্রভাব

এটি শুধু কয়েক ঘণ্টার সমস্যাই নয়।

২০২৪ সালে চীনের ৫৩ হাজারের বেশি মানুষের ওপর আট বছর ধরে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, যেসব এলাকায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিন বেশি, সেখানে মানুষের জ্ঞানীয় সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমার প্রবণতা দেখা যায়।

গবেষকদের হিসাবে, ৩২ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রার দিনের সংখ্যা ১০ শতাংশ বাড়লে গড় জ্ঞানীয় সক্ষমতা প্রায় ২ শতাংশ কমতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে, শতাব্দীর শেষ নাগাদ মানুষের গড় জ্ঞানীয় সক্ষমতা ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলেও গবেষণাটির পূর্বাভাস।

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্ক ব্যক্তি, যাদের দেহের ওজন তুলনামূলক বেশি এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে গরমের নেতিবাচক প্রভাব কিছুটা বেশি হতে পারে।

এছাড়া একটানা তাপপ্রবাহ শেষ হওয়ার পরও কয়েক দিন পর্যন্ত চিন্তা ও মনোযোগে প্রভাব থাকতে পারে।

গরমের দিনে কী করবেন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমের দিনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকা উচিত।

সম্ভব হলে বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত, গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা জটিল পরিকল্পনা কিছুটা ঠান্ডা পরিবেশে কিংবা গরম কমার পর করা ভালো।

পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ভালো ঘুম এবং শীতল পরিবেশে কিছু সময় কাটানো মস্তিষ্কের ওপর গরমের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।

শেষ কথা

গরমকে আমরা সাধারণত শুধু শারীরিক অস্বস্তির কারণ হিসেবে দেখি। কিন্তু গবেষণা বলছে, এর প্রভাব আমাদের চিন্তা, বিচার-বিবেচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে।

তাই প্রচণ্ড গরমের দিনে যদি মনে হয় মাথা ঠিকমতো কাজ করছে না, সেটি শুধু আপনার অনুভূতি নাও হতে পারে। অনেক সময় এর পেছনে কাজ করে তাপমাত্রারই নীরব প্রভাব।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি