খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সংসদ-রাজপথে জনগণের এজেন্ডা নিয়ে জামায়াত সরব থাকবে: ডা. শফিকুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
সংসদ-রাজপথে জনগণের এজেন্ডা নিয়ে জামায়াত সরব থাকবে: ডা. শফিকুর

সংসদ এবং রাজপথে জনগণের এজেন্ডা নিয়ে জামায়াত সরব থাকবে জানিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের আর্থিক সম্পদ রক্ষায় জনগণকে গর্জে উঠতে হবে৷ আমরা জনগণের পাশে থাকবো।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু ঘটেছে মন্তব্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সুস্থ রাজনীতির ধারা অব্যাহত রাখতে চাই বিধায় দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করা হয়েছে। সাবেক একজন উপদেষ্টা এবং বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রীর বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়েছে, গত নির্বাচনে কিভাবে কারচুপি করা হয়েছে।

তিনি বলেন বলেন, সংবিধানের ইচ্ছা মতো সংশোধনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালাতে চায় বিএনপি সরকার। সংসদে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে। তাই জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য।

অতীতের ফ্যাসিবাদের চেয়ে নব্য ফ্যাসিবাদ আরও ভয়ংকর হবে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে নতুন ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানে অগণতান্ত্রিক দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।

জামায়াত আমির বলেন, গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরে সত্য প্রকাশে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। দেশের সংকট নিয়ে সংসদে আলোচনার নোটিশ দিলে তা নাকচ করা হয়।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান, সাদাকে বাদামি বা কালো নয়, সাদাকে সাদাই বলুন। আমাদের কোনো বক্তব্যের কাটপিস নয়, হয় পুরোটা প্রকাশ করুন নতুবা কিছুই প্রকাশ করবেন না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি আজকে আমার সরকার চা বাগানের নারী শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি।

আমরা হয়তো সবাইকে দিতে পারিনি। কিন্তু ইনশাল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল চা শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল। কারণ, আমরা তাদের বলেছিলাম—আপনারা যদি আমাদের নির্বাচিত করেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে, বিশেষ করে নারীপ্রধানদের কাছে, ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজ শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য আবাসন নির্মাণে ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমি মঞ্চে তিনজনের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। বাকি অর্থ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় ধাপে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত ১৫৫টি পরিবারের সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনুষ্ঠানে ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঁচজনকে ১০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে, চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন নির্মাণে পাঁচজনকে দুই লাখ টাকা এবং দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Oplus_131072

আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের গঠনমূলক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রহিমি জাহানাবাদি।

বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য করে এই প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত।

এ সময় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সাফল্য ও ডা. শফিকুর রহমানের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিনিময়, স্বাস্থ্যসেবা এবং মুসলিম বিশ্বের সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহত ইরানের নাগরিকদের জন্য দুঃখ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন। এই যুদ্ধে জানমালের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতিতেও তিনি শোক প্রকাশ করেন। জামায়াতের আমির এ সময় নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

ডা. শফিকুর রহমান যুদ্ধবিরতি ত্বরান্বিত করার স্বার্থে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করায় ইরানকে ধন্যবাদ জানান এবং শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে এ চুক্তি কার্যকর থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ইরান আগামী দিনগুলোতে প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এবং ইরান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির।

দুই পক্ষ এসময় পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠন, তেহরান-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট, মেডিকেল টুরিজম নিয়ে আলোচনা করে। আলোচনার একপর্যায়ে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিশ্বমানের একটি হাসপাতাল চালু করার প্রস্তাব দেন।

ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইরানের বিদ্যমান সুসম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ইরানের আগ্রহ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইরান সরকারের সদিচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের ফার্স্ট কাউন্সেলর এসরাফিল আমিরি গোরজাদ্দিনি, ইরান কালচারাল কাউন্সেলর মাহদি মোলারস এবং মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স অফিসার (দোভাষী) মাহফুজুল হক, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে