খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রেকর্ড ভাঙল অভিবাসন: ইইউতে ৬.৪২ কোটি বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষ

প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
রেকর্ড ভাঙল অভিবাসন: ইইউতে ৬.৪২ কোটি বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষ

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অভিবাসীর সংখ্যা ২০২৫ সালে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। “ল্য জুরনাল দ্যু দিমান্শ” সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস অন মাইগ্রেশন-এর প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুযায়ী, ইইউ অঞ্চলে বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের সংখ্যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪২ লক্ষে। অর্থাৎ এসব মানুষ এমন, যারা নিজ দেশের বাইরে জন্ম নিয়ে পরবর্তীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লক্ষ বেশি। ইউরোস্ট্যাট এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণাটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ২০১০ সাল থেকে ইইউতে অভিবাসীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে- তখন এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ কোটি।

ইউরোপে অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে জার্মানি এখনও শীর্ষে রয়েছে। দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষ বসবাস করেন, যাদের মধ্যে ৭২ শতাংশই কর্মক্ষম বয়সের। শ্রমবাজার ও জনসংখ্যাগত চাহিদার কারণে জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে স্পেনে সবচেয়ে দ্রুত অভিবাসী বৃদ্ধির হার দেখা গেছে। গত বছরে প্রায় ৭ লক্ষ নতুন অভিবাসী যুক্ত হওয়ায় দেশটিতে মোট অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে ৯৫ লক্ষে পৌঁছেছে। গবেষণার সহলেখক তোমাসো ফ্রাত্তিনি বলেন, ‘জার্মানি ইউরোপে অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবেই রয়ে গেছে, মোট সংখ্যা এবং জনসংখ্যার অনুপাতে- উভয় ক্ষেত্রেই।’

প্রতিবেদনটি ইইউর অভ্যন্তরে অভিবাসনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বৈষম্যও তুলে ধরেছে। লুক্সেমবার্গ, মাল্টা ও সাইপ্রাসের মতো ছোট দেশগুলোতে মোট জনসংখ্যার তুলনায় অভিবাসীর হার অনেক বেশি।

আশ্রয় প্রার্থনার আবেদনও কয়েকটি দেশে কেন্দ্রীভূত। স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স ও জার্মানি মিলেই ইইউতে জমা পড়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আশ্রয় আবেদন গ্রহণ করে। শরণার্থী সুরক্ষার ক্ষেত্রেও জার্মানি শীর্ষে রয়েছে, যেখানে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষ আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পেয়েছেন।

অভিবাসনের এই প্রবণতা ইউরোপজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। ফ্রান্সের ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালি দলের এমপি ম্যাথিয়াস রেনো সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেন, ইইউতে প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীর সংখ্যা এখন ৬৪ মিলিয়ন, যা ২০১০ সালের তুলনায় ২৫ মিলিয়ন বেশি এবং ইইউ জনসংখ্যার প্রায় এক-সপ্তমাংশ।

এদিকে স্পেন সরকার অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ৫ লক্ষ বিদেশিকে বৈধতা দেওয়ার একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সরকারের দাবি, শ্রমবাজারের ঘাটতি পূরণ এবং সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতেই এই পদক্ষেপ।

তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের ডানপন্থী দল লে রেপ্যুব্লিক্যাঁর নেতা ব্রুনো রেতাইয়ো। এলসিআই টেলিভিশনে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইউরোপীয় চেতনার পরিপন্থী’ এবং এমন নীতি অব্যাহত থাকলে তা ইউরোপে অভিবাসন চাপ আরও বাড়াতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জনসংখ্যাগত পরিবর্তন, শ্রমবাজারের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক সংকট মিলিয়ে অভিবাসন ইস্যু আগামী বছরগুলোতেও ইউরোপীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

রামিসার বড় বোনের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
রামিসার বড় বোনের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বোনের সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত পৌনে ১০টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের বাসায় রামিসাদের বাসায় গিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। এসময় রামিসার বোনের দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

দেশে গত ১৬ মাসে অন্তত এক হাজার ৮৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও এক হাজার ৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।  এছাড়া এসব শিশুর মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ধারাবাহিক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে সংস্থাটি। পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এসব নৃশংস ঘটনায় জড়িতের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শরীর ছিল প্রতিবেশীর ঘরে খাটের তলায় এবং মাথাটা ছিল বাথরুমে। এমনকি অভিযুক্ত বিকৃত যৌনাচারে আসক্ত স্বামীকে বাঁচাতে সহযোগিতা করেছিলেন স্ত্রী।

গত ১৬ মে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রামের মদিনাপাড়ায় আছিয়া আক্তার নামে ১০ বছরে বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন ও ধর্ষণের প্রাথমিক আলামতের ভিত্তিতে বাড়িতে অবস্থানরত ও অভিযুক্ত রাজা মিয়াকে (৪৫)-কে আটক করেছে পুলিশ।

গত ১৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধর্ষণের পর লামিয়া আক্তার নামে এক চার বছরের শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ৬ মে সকালে সিলেটের সদর উপজেলার জালালাবাদে ৪ বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণ চেষ্টার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি খোটের নিচে লাশ লুকিয়ে রেখে স্বজনদের সাথে খুঁজতে যান আসামী জাকির হোসেন।

এছাড়া প্রতিনিয়ত সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এমন ধরণের অসংখ্য শিশু হত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সারাদেশে অন্তত ১৮৯০ জন শিশু ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও ১৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া এসব শিশু ও কিশোরীদের মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো সহিংসতা প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব। কিন্তু একের পর এক শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা প্রমাণ করে যে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। এছাড়া বিচাহীনতার সংস্কৃতি, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও দুর্বল আইন প্রয়োগ শিশু নির্যাতনের মতো পাশবিক সহিংসতা বৃদ্ধি ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র প্রকাশ করছে। নিষ্পাপ শিশুদের ওপর এমন পাশবিক সহিংসতা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ।

এইচআরএসএস অবিলম্বে এসব শিশু হত্যা ও ধর্ষণের সব ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যথাযথ প্রয়োগ, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দাবি জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হলে কেবল আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক প্রতিরোধ ও মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণও জরুরি। এজন্য সব নাগরিক, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যমকে শিশুদের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি অপরাধ রোধে ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানায় এইচআরএসএস।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করে রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে নিহত রামিসার মা-বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন তিনি।

এরআগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম হক রামিসাদের বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামির দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ